কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিএমচর ইউনিয়ন পরিষদের অব্যহতি দেওয়া ইউপি চেয়ারম্যান এসএম জাহাঙ্গীর আলমের মালিকানাধীন একটি পদ্ধতির মৎস্য পুকুরে রাতের আঁধারে বিষ ঢেলে দিয়েছে দুবৃর্ত্তরা। এ ঘটনায় পুকুরের অন্তত ৫০ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে। রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক চারটার দিকে বিএমচর ইউনিয়নের রেললাইন লাগোয়া পদ্ধতির মৎস্য পুকুরে ঘটেছে এ নিষ্ঠুর ঘটনা।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অমানবিক এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে তাদের গ্রেফতারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিএমচর ইউনিয়ন পরিষদের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এসএম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাড়ির পাশে রেললাইন লাগোয়া আমার মালিকানাধীন
পুকুরে বিপুল টাকা বিনিয়োগ করে চারমাস আগে রুই কাতাল তেলাপিয়া মাছের পোনা অবমুক্ত করে মিঠাপানির মৎস্য চাষ করি।
ইতোমধ্যে বেশিরভাগ মাছ বিক্রির উপযোগী হয়েছে। আগামী মাসে মাছগুলো বিক্রি করতাম। এরইমধ্যে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটা থেকে চারটার মধ্যে কতিপয় দুবৃ্র্ত্তরা রাতের আঁধারে মৎস্য পুকুরে হানা দিয়ে বিষ ঢেলে দিয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে কর্মচারীরা মাছের খাবার দিতে গিয়ে পুকুরজুড়ে মরা মাছ ভেসে উঠার ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আমাকে জানিয়েছে।
ঘের মালিক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মৎস্য পুকুরে বিষ ঢেলে দেয়ার এ ঘটনায় কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে। দুবৃর্ত্তরা আমার এত টাকার ক্ষতিসাধন করলেও আমি আইনের আশ্রয় নেব না। তবে এই নিষ্ঠুর ঘটনায় জড়িতদের বিচার একমাত্র আল্লাহকে দিয়েছি। পাশাপাশি বিএমচর ইউনিয়নবাসিকে দিলাম।
চকরিয়ায় বন উজাড় রোধে কেবল আইনি পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়, আগে দখলবাজ শ্রেনির মানুষকে সচেতন করা জরুরি
স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ইউপি চেয়ারম্যান এসএম জাহাঙ্গীর আলম এলাকার জনগণের মাঝে একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁকে অন্যায়ভাবে চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসীর ধারণা, কতিপয় কুচক্রী মহল ইর্ষাণিত হয়ে ক্ষতি করার মানষে চেয়ারম্যানের পুকুরে বিষ ঢেলে দিয়ে মাছ নিধন করেছে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, বিএমচর ইউনিয়নে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলার ঘটনাটি কেউ জানায়নি। তবে এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##




মন্তব্য করুন