হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে মানব পাচার চক্রের ৬ সদস্য আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মানব পাচারকারী চক্রের ছয়জন সক্রিয় সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

শনিবার (৪ অক্টোবর, ২০২৫) দুপুরে শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে লোকজনকে পাচারের একটি বড় ছক নস্যাৎ করে দিয়েছে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)।

বিজিবি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মানব পাচার প্রতিরোধে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সাগর পথে মিয়ানমার থেকে পাচার করে আনা বেশ কিছু বিদেশি নাগরিককে পাচারকারীরা শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে লুকিয়ে রেখে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়কের নেতৃত্বে একটি সুপরিকল্পিত অভিযান শুরু হয়। বিজিবির দলটি মোছা. শামসুন্নাহারের (স্বামী- মোহাম্মদ আখের) বাড়িটি ঘেরাও করার সময় চক্রের দুজন সন্দেহভাজন বাড়ির পিছনের দিক দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরে বিজিবির টহল দল দ্রুত বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে প্লাস্টিকের ছাউনি দেওয়া একটি ঘর থেকে বাড়ির মালিক মোছা. শামসুন্নাহার (৩৫) সহ মানব পাচারকারী চক্রের ৬ জন সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃতদের মধ্যে আরও রয়েছেন: হোসনে আরা (৩১), নুরুন্নিসা (৪৯), মোহাম্মদ ইসমাইল (৫০), হারুন (৩৫) এবং ইউসুফ আলী (৪৭)। এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বাড়ির মালিক শামসুন্নাহার টাকার বিনিময়ে পাচার করে আনা লোকজনকে সাময়িকভাবে তার বাড়িতে লুকিয়ে রাখতেন। এছাড়াও, চক্রটি মিয়ানমার থেকে লোকজনকে অবৈধভাবে পাচার করে এনে বিভিন্ন ক্যাম্পে নিয়ে যেত এবং মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তাদের এফডিএমএন (রোহিঙ্গা) কার্ড পেতে সাহায্য করত।

আরও পড়ুন

চকরিয়ায় বন উজাড় রোধে কেবল আইনি পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়, আগে দখলবাজ শ্রেনির মানুষকে সচেতন করা জরুরি

আটককৃত পাচারকারীদের স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। এ ঘটনায় কালু মিয়া (৩৫), হাশেম মোল্লা (২৫) সহ আরও দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তি পলাতক রয়েছে।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি জানান, মাদক ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে এই ধরনের কার্যকরী প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে মানব পাচার চক্রের ৬ সদস্য আটক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে মানব পাচার চক্রের ৬ সদস্য আটক

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মানব পাচারকারী চক্রের ছয়জন সক্রিয় সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শনিবার (৪ অক্টোবর, ২০২৫) দুপুরে শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে লোকজনকে পাচারের একটি বড় ছক নস্যাৎ করে দিয়েছে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)। বিজিবি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মানব পাচার প্রতিরোধে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সাগর পথে মিয়ানমার থেকে পাচার করে আনা বেশ কিছু বিদেশি নাগরিককে পাচারকারীরা শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে লুকিয়ে রেখে বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়কের নেতৃত্বে একটি সুপরিকল্পিত অভিযান শুরু হয়। বিজিবির দলটি মোছা. শামসুন্নাহারের (স্বামী- মোহাম্মদ আখের) বাড়িটি ঘেরাও করার সময় চক্রের দুজন সন্দেহভাজন বাড়ির পিছনের দিক দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবির টহল দল দ্রুত বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে প্লাস্টিকের ছাউনি দেওয়া একটি ঘর থেকে বাড়ির মালিক মোছা. শামসুন্নাহার (৩৫) সহ মানব পাচারকারী চক্রের ৬ জন সদস্যকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃতদের মধ্যে আরও রয়েছেন: হোসনে আরা (৩১), নুরুন্নিসা (৪৯), মোহাম্মদ ইসমাইল (৫০), হারুন (৩৫) এবং ইউসুফ আলী (৪৭)। এদের বেশিরভাগই বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বাড়ির মালিক শামসুন্নাহার টাকার বিনিময়ে পাচার করে আনা লোকজনকে সাময়িকভাবে তার বাড়িতে লুকিয়ে রাখতেন। এছাড়াও, চক্রটি মিয়ানমার থেকে লোকজনকে অবৈধভাবে পাচার করে এনে বিভিন্ন ক্যাম্পে নিয়ে যেত এবং মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তাদের এফডিএমএন (রোহিঙ্গা) কার্ড পেতে সাহায্য করত। আটককৃত পাচারকারীদের স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। এ ঘটনায় কালু মিয়া (৩৫), হাশেম মোল্লা (২৫) সহ আরও দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তি পলাতক রয়েছে। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি জানান, মাদক ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির 'জিরো টলারেন্স' নীতিতে এই ধরনের কার্যকরী প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×