হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের বিষয়ে যা বললো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১২ নভেম্বর – ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় বিএনপি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যত মামলা আছে, সকল মামলা তুলে নেওয়া হবে।’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। পাশাপাশি ছাত্র-জনতার কাছে এই বক্তব্যের জন্য ফখরুলকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানানো হয়।

আরও পড়ুন

ইনানীতে নিয়ন্ত্রণহীন গ্যাসের আগুন ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎহীন ৩ হাজার ৮০০ পরিবার

এতে বলা হয়, ‘মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, তারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন ও ফ্যাসিবাদী শক্তি। লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদের প্রবক্তা শেখ মুজিবই প্রথম গণতন্ত্র ধ্বংস করে একদলীয় শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে বাকশাল কায়েম করেন, যেখান থেকে বাংলাদেশের মাটিতে ফ্যাসিবাদের যাত্রা। তারই ধারাবাহিকতায় নানাভাবে বিগত দেড় দশক ধরে এই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগই গুম, খুন, নির্যাতন, নিপীড়ন ও বিরোধীমত দমনের মাধ্যমে দেশে সেই ফ্যাসিবাদ ও মুজিববাদ কায়েম করেছে এবং জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রকাশ্যে গণহত্যা চালিয়ে এই ফ্যাসিবাদকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা চালিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সম্প্রতি তারা অতীতের ন্যায় আবারও দেশে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা শুরু করেছে। সুতরাং গণহত্যায় জড়িত কাউকে ক্ষমা করার কোনো প্রশ্ন তো আসেই না; বরং ছাত্র-জনতা এই গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ ও মুজিববাদের রাজনীতি বাংলাদেশের মাটিতে আর দেখতে চায় না।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বেশ কয়েক মাস ধরে নানা কৌশলে অনেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই ফ্যাসিস্ট ও গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে পুনরায় প্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মনে করে, আজ মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্য সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। এ ছাড়া পূর্বেও ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে তার এ ধরনের বক্তব্য আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। অথচ তিনি বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একজন।’

দলীয় নীতিনির্ধারকের আসনে বসেও এমন বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি দলীয়ভাবে বিএনপির অবস্থানকেই ইঙ্গিত করছে কি না, সব ছাত্র-জনতার কাছে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে উপস্থাপনের জন্য বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের বিষয়ে যা বললো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের বিষয়ে যা বললো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১২ নভেম্বর – ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় বিএনপি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যত মামলা আছে, সকল মামলা তুলে নেওয়া হবে।’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মির্জা ফখরুলের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। পাশাপাশি ছাত্র-জনতার কাছে এই বক্তব্যের জন্য ফখরুলকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে সংগঠনটি।মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই আহ্বান জানানো হয়।এতে বলা হয়, ‘মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, তারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন ও ফ্যাসিবাদী শক্তি। লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদের প্রবক্তা শেখ মুজিবই প্রথম গণতন্ত্র ধ্বংস করে একদলীয় শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে বাকশাল কায়েম করেন, যেখান থেকে বাংলাদেশের মাটিতে ফ্যাসিবাদের যাত্রা। তারই ধারাবাহিকতায় নানাভাবে বিগত দেড় দশক ধরে এই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগই গুম, খুন, নির্যাতন, নিপীড়ন ও বিরোধীমত দমনের মাধ্যমে দেশে সেই ফ্যাসিবাদ ও মুজিববাদ কায়েম করেছে এবং জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে প্রকাশ্যে গণহত্যা চালিয়ে এই ফ্যাসিবাদকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা চালিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সম্প্রতি তারা অতীতের ন্যায় আবারও দেশে বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির পাঁয়তারায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা শুরু করেছে। সুতরাং গণহত্যায় জড়িত কাউকে ক্ষমা করার কোনো প্রশ্ন তো আসেই না; বরং ছাত্র-জনতা এই গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ ও মুজিববাদের রাজনীতি বাংলাদেশের মাটিতে আর দেখতে চায় না।’বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বেশ কয়েক মাস ধরে নানা কৌশলে অনেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই ফ্যাসিস্ট ও গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগকে পুনরায় প্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মনে করে, আজ মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্য সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। এ ছাড়া পূর্বেও ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে তার এ ধরনের বক্তব্য আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। অথচ তিনি বিএনপির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের একজন।’দলীয় নীতিনির্ধারকের আসনে বসেও এমন বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি দলীয়ভাবে বিএনপির অবস্থানকেই ইঙ্গিত করছে কি না, সব ছাত্র-জনতার কাছে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে উপস্থাপনের জন্য বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×