হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টরন্টোতে শিরীন চৌধুরীর একক সঙ্গীত সন্ধ্যা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন


অটোয়া, ১৮ নভেম্বর – নীল আকাশে সন্ধ্যার আলো ধীরে ধীরে নেমে আসছিল। অগ্রাহায়ণের হিমশীতল বাতাসে টরন্টোর রাস্তাঘাটে যেন এক ভিন্ন রকম প্রশান্তির ছোঁয়া। সেই সময়ে শহরের ‘দ্যা ডন অন ড্যানফোর্থ’ মিলনায়তনে শুরু হল এক সন্ধ্যা, যার কেন্দ্রে ছিল সুরের আলোকচ্ছটা আর মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া অনুভূতি। গত শনিবার শিল্পী শিরীন চৌধুরীর একক সঙ্গীত সন্ধ্যা ‘পরান যাহা চায়’ যেন অগ্রাহায়ণের সন্ধ্যাকে পরিণত করল আবেগে ও সৌন্দর্যে ভরা এক সুরলোকের উৎসবে।

শিরীন চৌধুরী মঞ্চে উঠতেই হলভর্তি দর্শকদের করতালি আর উচ্ছ্বাসে পরিবেশ মুহূর্তেই সরব হয়ে উঠল। মা ও ছেলের যুগল কণ্ঠে যা সৃষ্টি হল, তা কেবল গান নয়, এক অসামান্য আবেগের নদী। যার স্রোতে ভেসে গেল মিলনায়তনের প্রতিটি মানুষ। সুষ্ময়ের তরুণ, নির্মল কণ্ঠ এবং শিরীনের কোমল, পরিণত সুর মিলেমিশে দর্শকের অন্তরকে ছুঁয়ে দিল অপার মমতায়।

আরও পড়ুন

সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

লালন সাঁইয়ের গান দিয়ে শুরু হল সঙ্গীতযাত্রা। মঞ্চে তখন ভেসে বেড়াচ্ছে লালনের দর্শন, মানুষের ভেতরের মানুষকে খুঁজে পাওয়ার সেই চিরন্তন বোধ। শিরীন চৌধুরীর কণ্ঠে সেই আত্মিক অনুসন্ধান যেন আরও গভীর হয়ে উঠল। লালনের প্রতিটি গানের ভেতর আছে যে মানবতার দর্শন, সেই দর্শনই সেদিন নতুনভাবে আলো ফেলল। কবিগুরু স্বয়ং বলেছেন, “লালন ফকিরের গানে যে গভীরতা ও উদারতা আমি দেখিয়াছি, তা অন্য কোথাও দেখি নাই।” সেই গভীরতার স্পর্শই অনুভূত হল শ্রোতাদের হৃদয়ে।

মা ও ছেলে যখন গাইলেন “কাটেনা সময় যখন আর কিছুতে”, তখন হলভর্তি মানুষের চোখে ভেসে উঠল আবেগের জমে থাকা জল। চারদিকে এক নিঃশব্দ আকুলতা। মা-ছেলের গলায় সুরটি যেন জীবনের দুঃখবোধ ও মায়ার সবটুকু তুলে ধরল।

সন্ধ্যার আবহে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশিদের গর্ব, স্কারবরো সাউথ ওয়েস্ট-এর এমপিপি ডলি বেগম।

শিরীন চৌধুরীর সেদিনের সংগীত সন্ধ্যার আবহ শেষ পর্যন্ত কেবল একটি সঙ্গীতানুষ্ঠানের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সুরে সুরে যেন সৃষ্টি হয়েছিল অনুভূতির এক বিস্তৃত জগৎ।

১৮ নভেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

টরন্টোতে শিরীন চৌধুরীর একক সঙ্গীত সন্ধ্যা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টরন্টোতে শিরীন চৌধুরীর একক সঙ্গীত সন্ধ্যা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] অটোয়া, ১৮ নভেম্বর – নীল আকাশে সন্ধ্যার আলো ধীরে ধীরে নেমে আসছিল। অগ্রাহায়ণের হিমশীতল বাতাসে টরন্টোর রাস্তাঘাটে যেন এক ভিন্ন রকম প্রশান্তির ছোঁয়া। সেই সময়ে শহরের ‘দ্যা ডন অন ড্যানফোর্থ’ মিলনায়তনে শুরু হল এক সন্ধ্যা, যার কেন্দ্রে ছিল সুরের আলোকচ্ছটা আর মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া অনুভূতি। গত শনিবার শিল্পী শিরীন চৌধুরীর একক সঙ্গীত সন্ধ্যা ‘পরান যাহা চায়’ যেন অগ্রাহায়ণের সন্ধ্যাকে পরিণত করল আবেগে ও সৌন্দর্যে ভরা এক সুরলোকের উৎসবে।শিরীন চৌধুরী মঞ্চে উঠতেই হলভর্তি দর্শকদের করতালি আর উচ্ছ্বাসে পরিবেশ মুহূর্তেই সরব হয়ে উঠল। মা ও ছেলের যুগল কণ্ঠে যা সৃষ্টি হল, তা কেবল গান নয়, এক অসামান্য আবেগের নদী। যার স্রোতে ভেসে গেল মিলনায়তনের প্রতিটি মানুষ। সুষ্ময়ের তরুণ, নির্মল কণ্ঠ এবং শিরীনের কোমল, পরিণত সুর মিলেমিশে দর্শকের অন্তরকে ছুঁয়ে দিল অপার মমতায়।লালন সাঁইয়ের গান দিয়ে শুরু হল সঙ্গীতযাত্রা। মঞ্চে তখন ভেসে বেড়াচ্ছে লালনের দর্শন, মানুষের ভেতরের মানুষকে খুঁজে পাওয়ার সেই চিরন্তন বোধ। শিরীন চৌধুরীর কণ্ঠে সেই আত্মিক অনুসন্ধান যেন আরও গভীর হয়ে উঠল। লালনের প্রতিটি গানের ভেতর আছে যে মানবতার দর্শন, সেই দর্শনই সেদিন নতুনভাবে আলো ফেলল। কবিগুরু স্বয়ং বলেছেন, “লালন ফকিরের গানে যে গভীরতা ও উদারতা আমি দেখিয়াছি, তা অন্য কোথাও দেখি নাই।” সেই গভীরতার স্পর্শই অনুভূত হল শ্রোতাদের হৃদয়ে।মা ও ছেলে যখন গাইলেন “কাটেনা সময় যখন আর কিছুতে”, তখন হলভর্তি মানুষের চোখে ভেসে উঠল আবেগের জমে থাকা জল। চারদিকে এক নিঃশব্দ আকুলতা। মা-ছেলের গলায় সুরটি যেন জীবনের দুঃখবোধ ও মায়ার সবটুকু তুলে ধরল।সন্ধ্যার আবহে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশিদের গর্ব, স্কারবরো সাউথ ওয়েস্ট-এর এমপিপি ডলি বেগম।শিরীন চৌধুরীর সেদিনের সংগীত সন্ধ্যার আবহ শেষ পর্যন্ত কেবল একটি সঙ্গীতানুষ্ঠানের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। সুরে সুরে যেন সৃষ্টি হয়েছিল অনুভূতির এক বিস্তৃত জগৎ।১৮ নভেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×