হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ভারতীয় সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ, ২ রুপি কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন


নয়াদিল্লি, ৩০ নভেম্বর – বাংলাদেশের বাজারে স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের পর চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্রের রপ্তানিকারকরা। সীমান্তে আটকে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ দ্রুত নষ্ট হতে শুরু করায়, নাসিক থেকে ২২ রুপি খরচ করে আনা সেই পেঁয়াজ এখন মাত্র ২ রুপি কেজিতে ‘পানির দরে’ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।

শুক্রবার(২৮ নভেম্বর) মালদহের মাহাদিপুর-সোনামসজিদ সীমান্তে দেখা যায়, ৫০ কেজির বস্তা মাত্র ১০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। অথচ মালদহের স্থানীয় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ২০-২২ রুপি। মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে সীমান্তে এত কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারায় ক্রেতারা ছুটে আসছেন, কিন্তু এটি রপ্তানিকারকদের জন্য বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, বাংলাদেশি আমদানিকারকদের মৌখিক আশ্বাসের ভিত্তিতে ঘোজাডাঙ্গা, পেট্রাপোল, মাহাদিপুর ও হিলি সীমান্তে অন্তত ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ মজুত করা হয়েছিল। শুধু মাহাদিপুরেই ছিল প্রায় ২০ হাজার টন।

ব্যবসায়ীদের দাবি, রপ্তানি স্বাভাবিক থাকলে প্রতি কেজিতে ৩০-৩২ রুপি দরে বিক্রি করে ৮-১০ রুপি লাভ হতো। এখন রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব পেঁয়াজ পচতে শুরু করেছে। ক্ষতি কমাতে প্রতিদিন শতাধিক শ্রমিক লাগিয়ে পচা পেঁয়াজ আলাদা করতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ী সাজিরুল শেখ বলেন, ২২ রুপি কেজি দরে নাসিক ও ইন্দোর থেকে পেঁয়াজ এনেছিলাম। এখন পচা শুরু করায় বাধ্য হয়ে ২, ৬ বা ১০ রুপিতে বিক্রি দিচ্ছি। আরেক ব্যবসায়ী জাকিরুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ পরিষ্কার জানিয়েছে, তারা এখন পেঁয়াজ নেবে না।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ৩০ নভেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ভারতীয় সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ, ২ রুপি কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য ব্যবসায়ীরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ভারতীয় সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ, ২ রুপি কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নয়াদিল্লি, ৩০ নভেম্বর – বাংলাদেশের বাজারে স্থানীয় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের পর চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্রের রপ্তানিকারকরা। সীমান্তে আটকে থাকা প্রায় ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ দ্রুত নষ্ট হতে শুরু করায়, নাসিক থেকে ২২ রুপি খরচ করে আনা সেই পেঁয়াজ এখন মাত্র ২ রুপি কেজিতে ‘পানির দরে’ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।শুক্রবার(২৮ নভেম্বর) মালদহের মাহাদিপুর-সোনামসজিদ সীমান্তে দেখা যায়, ৫০ কেজির বস্তা মাত্র ১০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। অথচ মালদহের স্থানীয় খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ২০-২২ রুপি। মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে সীমান্তে এত কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পারায় ক্রেতারা ছুটে আসছেন, কিন্তু এটি রপ্তানিকারকদের জন্য বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, বাংলাদেশি আমদানিকারকদের মৌখিক আশ্বাসের ভিত্তিতে ঘোজাডাঙ্গা, পেট্রাপোল, মাহাদিপুর ও হিলি সীমান্তে অন্তত ৩০ হাজার টন পেঁয়াজ মজুত করা হয়েছিল। শুধু মাহাদিপুরেই ছিল প্রায় ২০ হাজার টন।ব্যবসায়ীদের দাবি, রপ্তানি স্বাভাবিক থাকলে প্রতি কেজিতে ৩০-৩২ রুপি দরে বিক্রি করে ৮-১০ রুপি লাভ হতো। এখন রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব পেঁয়াজ পচতে শুরু করেছে। ক্ষতি কমাতে প্রতিদিন শতাধিক শ্রমিক লাগিয়ে পচা পেঁয়াজ আলাদা করতে হচ্ছে।ব্যবসায়ী সাজিরুল শেখ বলেন, ২২ রুপি কেজি দরে নাসিক ও ইন্দোর থেকে পেঁয়াজ এনেছিলাম। এখন পচা শুরু করায় বাধ্য হয়ে ২, ৬ বা ১০ রুপিতে বিক্রি দিচ্ছি। আরেক ব্যবসায়ী জাকিরুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ পরিষ্কার জানিয়েছে, তারা এখন পেঁয়াজ নেবে না।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ৩০ নভেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×