হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সরকারের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পথ রোধেই এই গণভোট

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন


ঢাকা, ০৮ জানুয়ারি – ভবিষ্যতে যারা দেশ পরিচালনা করবেন, তারা যেন আর কখনো ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারেন, সেই পথ বন্ধ করতেই এবারের গণভোট—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ঢাকায় এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সম্মেলন কক্ষে ‘আসন্ন গণভোট এবং এনজিওসমূহের করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক দাউদ মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার এবং সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। এতে দেশের নিবন্ধিত স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রায় সাড়ে চারশ এনজিওর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আসন্ন গণভোটে সরকারের পক্ষ থেকে প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, যারা দেশ পরিচালনা করেন, তারা বিদ্যমান ত্রুটিপূর্ণ সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কারণেই ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ পান। তিনি বলেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়ী করে এই ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার পথ বন্ধ করতে হবে।

গণভোট কী বা কেন—এ বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্যান্য সাধারণ নির্বাচনের মতোই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে আগামীর বাংলাদেশ কীভাবে চলবে। তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররা দুটি ব্যালট পাবেন—একটি জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সাদা ব্যালট এবং অন্যটি গণভোটের জন্য রঙিন ব্যালট।

স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সংকটে এনজিও ও উন্নয়নকর্মীদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি এনজিও প্রতিনিধিদের বলেন, মানুষের আপনাদের ওপর আস্থা রয়েছে। তাই প্রান্তিক মানুষের মধ্যে গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে আপনারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

কর্মশালায় বিশেষ আলোচক মনির হায়দার বলেন, পাকিস্তান আমলে শাসকগোষ্ঠী মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন ছিল এমন একটি দেশ যেখানে নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। গণভোটের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার করা গেলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তা না হলে দেশ আবার ৫ আগস্টের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণ যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে রায় দেয়, তাহলে কার্যকর সংসদীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হবে, বিচার বিভাগের সংস্কার ও বিকেন্দ্রীকরণ হবে এবং দেশ পরিচালনার সব ক্ষেত্রে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা আরও বাড়বে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাবেক সদস্য বদিউল আলম মজুমদার কর্মশালায় ‘গণভোট কী ও কেন?’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি জুলাই জাতীয় সনদে উল্লেখিত সংস্কার এবং গণভোটসংক্রান্ত বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন।

এনএন/ ০৮ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সরকারের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পথ রোধেই এই গণভোট

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সরকারের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পথ রোধেই এই গণভোট

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৮ জানুয়ারি – ভবিষ্যতে যারা দেশ পরিচালনা করবেন, তারা যেন আর কখনো ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারেন, সেই পথ বন্ধ করতেই এবারের গণভোট—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ।বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ঢাকায় এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর সম্মেলন কক্ষে ‘আসন্ন গণভোট এবং এনজিওসমূহের করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক দাউদ মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার এবং সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। এতে দেশের নিবন্ধিত স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রায় সাড়ে চারশ এনজিওর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।আসন্ন গণভোটে সরকারের পক্ষ থেকে প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, যারা দেশ পরিচালনা করেন, তারা বিদ্যমান ত্রুটিপূর্ণ সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কারণেই ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার সুযোগ পান। তিনি বলেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়ী করে এই ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার পথ বন্ধ করতে হবে।গণভোট কী বা কেন—এ বিষয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্যান্য সাধারণ নির্বাচনের মতোই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে আগামীর বাংলাদেশ কীভাবে চলবে। তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররা দুটি ব্যালট পাবেন—একটি জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য সাদা ব্যালট এবং অন্যটি গণভোটের জন্য রঙিন ব্যালট।স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠন, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সংকটে এনজিও ও উন্নয়নকর্মীদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি এনজিও প্রতিনিধিদের বলেন, মানুষের আপনাদের ওপর আস্থা রয়েছে। তাই প্রান্তিক মানুষের মধ্যে গণভোট সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে আপনারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।কর্মশালায় বিশেষ আলোচক মনির হায়দার বলেন, পাকিস্তান আমলে শাসকগোষ্ঠী মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন ছিল এমন একটি দেশ যেখানে নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। গণভোটের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার করা গেলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তা না হলে দেশ আবার ৫ আগস্টের আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।তিনি আরও বলেন, জনগণ যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে রায় দেয়, তাহলে কার্যকর সংসদীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হবে, বিচার বিভাগের সংস্কার ও বিকেন্দ্রীকরণ হবে এবং দেশ পরিচালনার সব ক্ষেত্রে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা আরও বাড়বে।সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সাবেক সদস্য বদিউল আলম মজুমদার কর্মশালায় ‘গণভোট কী ও কেন?’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি জুলাই জাতীয় সনদে উল্লেখিত সংস্কার এবং গণভোটসংক্রান্ত বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন।এনএন/ ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×