হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

৩০ বছরের খরা কাটিয়ে ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির বাজিমাৎ, বাবুলের রেকর্ড জয়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন


ফরিদপুর-৪, ১৫ ফেব্রুয়ারি – আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত হিসেবে পরিচিত ফরিদপুর-৪ আসনে দীর্ঘ তিন দশকের রাজনৈতিক খরা কাটিয়েছে বিএনপি। ১৯৯৬ সালের পর থেকে এই আসনে দলটির প্রার্থীরা টানা জামানত হারালেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাস গড়েছেন মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল।

ফরিদপুর-৪ অর্থাৎ ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন নিয়ে গঠিত এই নির্বাচনী এলাকায় তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। স্থানীয় সচেতন মহল তাঁর এই অসামান্য বিজয়কে রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, মানবিক আচরণ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগের ফল হিসেবে দেখছেন। অতীতের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর থেকে এ আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে পারেননি। বরং পরবর্তী প্রতিটি নির্বাচনেই ধানের শীষের প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন। তবে দীর্ঘ ৩০ বছরের সেই ব্যর্থতার ধারার অবসান ঘটিয়েছেন জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।

আরও পড়ুন

সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

ফরিদপুর-২ আসনের বাসিন্দা হয়েও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি ফরিদপুর-৪ আসনে প্রার্থী হন। মাত্র কয়েক মাসের প্রচারণায় তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হন। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, শহিদুল ইসলাম বাবুল ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা সরোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট। ৫১ হাজার ৬৮৩ ভোটের এই বিশাল ব্যবধান জেলার অন্য কোনো আসনে দেখা যায়নি।

অথচ এর আগে তিনি ফরিদপুর-২ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যেখানে দলীয় কোন্দলের কারণে তাঁকে আসন পরিবর্তন করতে হয়। বিজয়ের পর ভাঙ্গায় এক সমাবেশে বাবুল বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আমাকে এক বছর আগে এই কঠিন আসনে পাঠিয়েছিলেন। আমি শূন্য হাতে আপনাদের কাছে এসেছিলাম এবং আজ আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত। আজীবন এই জনপদের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি। তিনি দলমত নির্বিশেষে এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।

এস এম/ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

৩০ বছরের খরা কাটিয়ে ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির বাজিমাৎ, বাবুলের রেকর্ড জয়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

৩০ বছরের খরা কাটিয়ে ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির বাজিমাৎ, বাবুলের রেকর্ড জয়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ফরিদপুর-৪, ১৫ ফেব্রুয়ারি – আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত হিসেবে পরিচিত ফরিদপুর-৪ আসনে দীর্ঘ তিন দশকের রাজনৈতিক খরা কাটিয়েছে বিএনপি। ১৯৯৬ সালের পর থেকে এই আসনে দলটির প্রার্থীরা টানা জামানত হারালেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাস গড়েছেন মো. শহিদুল ইসলাম বাবুল।ফরিদপুর-৪ অর্থাৎ ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন নিয়ে গঠিত এই নির্বাচনী এলাকায় তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। স্থানীয় সচেতন মহল তাঁর এই অসামান্য বিজয়কে রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, মানবিক আচরণ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সংযোগের ফল হিসেবে দেখছেন। অতীতের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর থেকে এ আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে পারেননি। বরং পরবর্তী প্রতিটি নির্বাচনেই ধানের শীষের প্রার্থীরা জামানত হারিয়েছেন। তবে দীর্ঘ ৩০ বছরের সেই ব্যর্থতার ধারার অবসান ঘটিয়েছেন জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল।ফরিদপুর-২ আসনের বাসিন্দা হয়েও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি ফরিদপুর-৪ আসনে প্রার্থী হন। মাত্র কয়েক মাসের প্রচারণায় তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হন। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, শহিদুল ইসলাম বাবুল ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা সরোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট। ৫১ হাজার ৬৮৩ ভোটের এই বিশাল ব্যবধান জেলার অন্য কোনো আসনে দেখা যায়নি।অথচ এর আগে তিনি ফরিদপুর-২ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যেখানে দলীয় কোন্দলের কারণে তাঁকে আসন পরিবর্তন করতে হয়। বিজয়ের পর ভাঙ্গায় এক সমাবেশে বাবুল বলেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আমাকে এক বছর আগে এই কঠিন আসনে পাঠিয়েছিলেন। আমি শূন্য হাতে আপনাদের কাছে এসেছিলাম এবং আজ আপনাদের ভালোবাসায় সিক্ত। আজীবন এই জনপদের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি। তিনি দলমত নির্বিশেষে এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।এস এম/ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×