তেহরান, ২৮ ফেব্রুয়ারি – ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি ইরানের সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা চলমান এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে দেশের বর্তমান ধর্মীয় শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করেন। ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার পর জনগণ যেন নিজেদের সরকার নিজেরা বুঝে নেন। এটি তাদের জন্য অপেক্ষা করছে এবং সম্ভবত বহু প্রজন্মের মধ্যে এটিই তাদের সামনে আসা একমাত্র সুযোগ।
টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
পাশাপাশি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে তিনি কঠোর সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা যদি অস্ত্র সমর্পণ না করেন তবে তাদের নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হবে। তবে যারা অস্ত্র জমা দেবেন তাদের সাধারণ ক্ষমার আওতায় মুক্তি দেওয়া হবে।
এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে দেশটিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানে অন্তত ৬ হাজার ৪৮০ জন নিহত হওয়ার তথ্য সামনে এসেছিল। মানবাধিকারকর্মীদের এমন তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাম্প ইরানকে কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে হত্যা বন্ধের আশ্বাস পাওয়ার পর ওয়াশিংটনের মনোযোগ দেশটির পরমাণু কর্মসূচির দিকে সরে যায়।
যা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ইরানের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে। এদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনের তীব্র জবাব দিচ্ছে তেহরান। ইরানের সেনাবাহিনী ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা শুরু করেছে।




মন্তব্য করুন