হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে লিফটের নিচে নিখোঁজ নারীর মরদেহ উদ্ধারের রহস্য কাটছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের লিফটের নিচ থেকে চারদিন পর এক নিখোঁজ নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ মার্চ) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং হাসপাতালের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

নিহত নারী কোহিনুর আক্তার (৩২) উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ডেইলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি কাতার প্রবাসী নুরুল ইসলামের স্ত্রী।

স্বজনরা জানান, গত বুধবার (৩ মার্চ) অসুস্থ ৭ বছর বয়সী মেয়েকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন কোহিনুর আক্তার। পরে মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলেও সেদিন বিকেলের পর থেকে তিনি হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

নিহতের স্বামীর ভাতিজা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চারদিন ধরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছেন এবং বিষয়টি র‍্যাব ও পুলিশকেও অবহিত করা হয়। পরে শনিবার হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, নিখোঁজ হওয়ার দিন কোহিনুর আক্তার হাসপাতালের চারতলার একটি লিফটে প্রবেশ করেছিলেন। তবে এরপর তাকে আর কোথাও বের হতে দেখা যায়নি।

আরও পড়ুন

আগামীকাল দুপুর ১২টায় শপথ নেবেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান

পরে লিফটের নিচে তল্লাশি চালিয়ে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে ওই নারী পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন কিংবা অপহরণের শিকার হয়েছেন—এমন নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি নতুন মোড় নেয় এবং হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খরুলিয়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, চারদিন ধরে একটি মরদেহ লিফটের নিচে পড়ে থাকার পরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা জানতে পারেনি—এটি চরম দায়িত্বহীনতা। নিয়মিত লিফটের ত্রুটি পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে হয়তো এমন ঘটনা এড়ানো যেত।

এ বিষয়ে জানতে জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মং টিংঞোর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে লিফটের নিচে নিখোঁজ নারীর মরদেহ উদ্ধারের রহস্য কাটছে না

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কক্সবাজার সদর হাসপাতালে লিফটের নিচে নিখোঁজ নারীর মরদেহ উদ্ধারের রহস্য কাটছে না

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের লিফটের নিচ থেকে চারদিন পর এক নিখোঁজ নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ মার্চ) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং হাসপাতালের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। নিহত নারী কোহিনুর আক্তার (৩২) উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ডেইলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি কাতার প্রবাসী নুরুল ইসলামের স্ত্রী। স্বজনরা জানান, গত বুধবার (৩ মার্চ) অসুস্থ ৭ বছর বয়সী মেয়েকে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন কোহিনুর আক্তার। পরে মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলেও সেদিন বিকেলের পর থেকে তিনি হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। নিহতের স্বামীর ভাতিজা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চারদিন ধরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেছেন এবং বিষয়টি র‍্যাব ও পুলিশকেও অবহিত করা হয়। পরে শনিবার হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, নিখোঁজ হওয়ার দিন কোহিনুর আক্তার হাসপাতালের চারতলার একটি লিফটে প্রবেশ করেছিলেন। তবে এরপর তাকে আর কোথাও বের হতে দেখা যায়নি। পরে লিফটের নিচে তল্লাশি চালিয়ে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে ওই নারী পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন কিংবা অপহরণের শিকার হয়েছেন—এমন নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি নতুন মোড় নেয় এবং হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা খরুলিয়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, চারদিন ধরে একটি মরদেহ লিফটের নিচে পড়ে থাকার পরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা জানতে পারেনি—এটি চরম দায়িত্বহীনতা। নিয়মিত লিফটের ত্রুটি পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে হয়তো এমন ঘটনা এড়ানো যেত। এ বিষয়ে জানতে জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মং টিংঞোর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানানো হবে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×