হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ঈদুল ফিতরের সুন্নত ও জরুরি মাসআলা: যা জানা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১৯ মার্চ – ইসলামী শরীয়তে ঈদ কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিনদের জন্য একটি বিশেষ পুরস্কার। এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর আসে ইবাদত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বার্তা নিয়ে। ঈদের আনন্দকে পরিপূর্ণ করতে এর সুন্নাহ ও সঠিক মাসআলাগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অপরিহার্য। ঈদের দিনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ হলো মিসওয়াক করা, গোসল করা, পরিষ্কার বা সর্বোত্তম পোশাক পরিধান করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা। ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার আগে বিজোড় সংখ্যক খেজুর বা মিষ্টিজাতীয় কিছু খাওয়া সুন্নাহ। এছাড়া ঈদগাহে এক পথে যাওয়া এবং অন্য পথে ফেরা রাসুলুল্লাহ (সা.) এর অন্যতম সুন্নত।

ঈদের দিন একে অপরকে মোবারকবাদ জানানো পছন্দনীয় আমল। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এদিন বলতেন, তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম সালিহাল আমাল। বর্তমানে প্রচলিত ঈদ মোবারক বলাও জায়েজ। তবে এটিকে ফরজ বা ওয়াজিব মনে করা উচিত নয়। ঈদের নামাজ খোলা মাঠে বা ঈদগাহে আদায় করা সুন্নত। তবে বৃষ্টি বা বিশেষ প্রয়োজনে মসজিদে পড়া জায়েজ। ঈদের নামাজের আগে বা পরে ঈদগাহে কোনো নফল নামাজ পড়া মাকরুহ। তবে বাড়ি ফিরে চার রাকাত নফল নামাজ পড়া মুস্তাহাব। নামাজের নিয়তের ক্ষেত্রে অন্তরের ইচ্ছাই যথেষ্ট, মুখে উচ্চারণ করা জরুরি নয়। বড় জামাতে নামাজ পড়ার সময় কোনো ওয়াজিব ছুটে গেলে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় সিজদায়ে সাহু মাফ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

নামাজের পর খুতবা দেওয়া সুন্নত এবং তা মনোযোগ দিয়ে শোনা মুসল্লিদের জন্য ওয়াজিব। খুতবা চলাকালে সম্পূর্ণ চুপ থাকতে হবে। যদি ঈদের দিন শুক্রবার হয়, তবে ঈদ ও জুমা দুটিই আলাদাভাবে আদায় করতে হবে। একটি পড়লে অন্যটি মাফ হয়ে যায়, এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। অন্যদিকে, নারীদের জন্য ঈদের নামাজ ওয়াজিব নয়। শরয়ি বাধ্যবাধকতা না থাকায় এবং ফিতনার আশঙ্কায় ফকিহগণ নারীদের ঘরে থাকাকেই উত্তম বলে মত দিয়েছেন। কারও ঈদের নামাজের প্রথম রাকাত ছুটে গেলে, ইমামের সালাম ফেরানোর পর দাঁড়িয়ে সানা, আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ে সুরা মেলাতে হবে।

এরপর রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিনটি তাকবির বলে বাকি নামাজ পূর্ণ করতে হবে। কেউ যদি অন্য দেশে ঈদ উদযাপন করে দেশে ফেরেন এবং পরের দিন এখানে ঈদের জামাত পান, তবে তার জন্য পুনরায় নামাজ পড়া আবশ্যক নয়। এছাড়া নামাজ শেষে মুসাফাহা বা কোলাকুলি করাকে ঈদের বিশেষ সুন্নত মনে করা ঠিক নয়। তবে সাধারণ সাক্ষাতের অংশ হিসেবে এটি জায়েজ। ঈদের প্রতিটি পদক্ষেপে সুন্নাহর অনুসরণই একজন মুমিনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। সঠিক মাসআলা জেনে ইবাদত পালন করলে ঈদের আনন্দ আরও অর্থবহ ও বরকতময় হয়ে ওঠে।

এস এম/ ১৯ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ঈদুল ফিতরের সুন্নত ও জরুরি মাসআলা: যা জানা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ঈদুল ফিতরের সুন্নত ও জরুরি মাসআলা: যা জানা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৯ মার্চ – ইসলামী শরীয়তে ঈদ কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিনদের জন্য একটি বিশেষ পুরস্কার। এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর আসে ইবাদত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বার্তা নিয়ে। ঈদের আনন্দকে পরিপূর্ণ করতে এর সুন্নাহ ও সঠিক মাসআলাগুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অপরিহার্য। ঈদের দিনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ হলো মিসওয়াক করা, গোসল করা, পরিষ্কার বা সর্বোত্তম পোশাক পরিধান করা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা। ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহে যাওয়ার আগে বিজোড় সংখ্যক খেজুর বা মিষ্টিজাতীয় কিছু খাওয়া সুন্নাহ। এছাড়া ঈদগাহে এক পথে যাওয়া এবং অন্য পথে ফেরা রাসুলুল্লাহ (সা.) এর অন্যতম সুন্নত।ঈদের দিন একে অপরকে মোবারকবাদ জানানো পছন্দনীয় আমল। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এদিন বলতেন, তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম সালিহাল আমাল। বর্তমানে প্রচলিত ঈদ মোবারক বলাও জায়েজ। তবে এটিকে ফরজ বা ওয়াজিব মনে করা উচিত নয়। ঈদের নামাজ খোলা মাঠে বা ঈদগাহে আদায় করা সুন্নত। তবে বৃষ্টি বা বিশেষ প্রয়োজনে মসজিদে পড়া জায়েজ। ঈদের নামাজের আগে বা পরে ঈদগাহে কোনো নফল নামাজ পড়া মাকরুহ। তবে বাড়ি ফিরে চার রাকাত নফল নামাজ পড়া মুস্তাহাব। নামাজের নিয়তের ক্ষেত্রে অন্তরের ইচ্ছাই যথেষ্ট, মুখে উচ্চারণ করা জরুরি নয়। বড় জামাতে নামাজ পড়ার সময় কোনো ওয়াজিব ছুটে গেলে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় সিজদায়ে সাহু মাফ হয়ে যায়।নামাজের পর খুতবা দেওয়া সুন্নত এবং তা মনোযোগ দিয়ে শোনা মুসল্লিদের জন্য ওয়াজিব। খুতবা চলাকালে সম্পূর্ণ চুপ থাকতে হবে। যদি ঈদের দিন শুক্রবার হয়, তবে ঈদ ও জুমা দুটিই আলাদাভাবে আদায় করতে হবে। একটি পড়লে অন্যটি মাফ হয়ে যায়, এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। অন্যদিকে, নারীদের জন্য ঈদের নামাজ ওয়াজিব নয়। শরয়ি বাধ্যবাধকতা না থাকায় এবং ফিতনার আশঙ্কায় ফকিহগণ নারীদের ঘরে থাকাকেই উত্তম বলে মত দিয়েছেন। কারও ঈদের নামাজের প্রথম রাকাত ছুটে গেলে, ইমামের সালাম ফেরানোর পর দাঁড়িয়ে সানা, আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ে সুরা মেলাতে হবে।এরপর রুকুতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিনটি তাকবির বলে বাকি নামাজ পূর্ণ করতে হবে। কেউ যদি অন্য দেশে ঈদ উদযাপন করে দেশে ফেরেন এবং পরের দিন এখানে ঈদের জামাত পান, তবে তার জন্য পুনরায় নামাজ পড়া আবশ্যক নয়। এছাড়া নামাজ শেষে মুসাফাহা বা কোলাকুলি করাকে ঈদের বিশেষ সুন্নত মনে করা ঠিক নয়। তবে সাধারণ সাক্ষাতের অংশ হিসেবে এটি জায়েজ। ঈদের প্রতিটি পদক্ষেপে সুন্নাহর অনুসরণই একজন মুমিনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। সঠিক মাসআলা জেনে ইবাদত পালন করলে ঈদের আনন্দ আরও অর্থবহ ও বরকতময় হয়ে ওঠে।এস এম/ ১৯ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×