হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সীমানার চেয়েও গভীর বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক: প্রণয় ভার্মা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন




ঢাকা, ১৯ এপ্রিল – বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে অভিন্ন ঐতিহ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জাতীয় সীমানার চেয়েও অনেক বেশি প্রাচীন ও গভীর।

শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সংগীতানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন

জাপানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাইপ্রোফাইল সফরে ৪টিরও বেশি এমওইউ স্বাক্ষরের সম্ভাবনা

ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে ১৭ ও ১৮ এপ্রিল ‘বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে: অন্তর্লীন ঐক্যের সুর’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। এই আয়োজনে দুই দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী অদিতি মহসিন ভারতের প্রখ্যাত শিল্পী শ্রীকান্ত আচার্যের সঙ্গে সংগীত পরিবেশন করেন। শিল্পীদের এই পরিবেশনা দুই দেশের অভিন্ন সংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।

হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, এই ধরণের সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা আমাদের দুই দেশের মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রেখেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের সাংস্কৃতিক বিনিময় কেবল শিল্পচর্চা নয়, বরং এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি, আস্থা অর্জন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। পহেলা বৈশাখকে বাঙালির পরিচয়, সহনশীলতা ও সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, এটি বাংলার প্রাচীন কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

অনুষ্ঠানটি এইচএসবিসি বাংলাদেশের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়। এতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষাবিদ এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রণয় ভার্মা বলেন, এই উদযাপনের মাধ্যমে মূলত ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্যকেই উদযাপন করা হচ্ছে। ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে শিল্প, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংলাপের মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

সীমানার চেয়েও গভীর বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক: প্রণয় ভার্মা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সীমানার চেয়েও গভীর বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক: প্রণয় ভার্মা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৯ এপ্রিল – বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে অভিন্ন ঐতিহ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জাতীয় সীমানার চেয়েও অনেক বেশি প্রাচীন ও গভীর।শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সংগীতানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে ১৭ ও ১৮ এপ্রিল ‘বাঁধন আছে প্রাণে প্রাণে: অন্তর্লীন ঐক্যের সুর’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। এই আয়োজনে দুই দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী অদিতি মহসিন ভারতের প্রখ্যাত শিল্পী শ্রীকান্ত আচার্যের সঙ্গে সংগীত পরিবেশন করেন। শিল্পীদের এই পরিবেশনা দুই দেশের অভিন্ন সংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, এই ধরণের সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা আমাদের দুই দেশের মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রেখেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের সাংস্কৃতিক বিনিময় কেবল শিল্পচর্চা নয়, বরং এটি পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি, আস্থা অর্জন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। পহেলা বৈশাখকে বাঙালির পরিচয়, সহনশীলতা ও সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, এটি বাংলার প্রাচীন কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।অনুষ্ঠানটি এইচএসবিসি বাংলাদেশের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়। এতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষাবিদ এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রণয় ভার্মা বলেন, এই উদযাপনের মাধ্যমে মূলত ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্যকেই উদযাপন করা হচ্ছে। ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে শিল্প, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সংলাপের মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×