হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ন্যায্যমূল্য ও ক্রেতা সংকটে সড়কে চামড়া ফেলে গেলেন ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন


ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২৯ মে – ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং তীব্র ক্রেতা সংকটে বিপাকে পড়েছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। লোকসানের মুখে পড়ে শহরের প্রধান সড়কের পাশে শত শত চামড়া ফেলে রেখে চলে গেছেন তারা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, চামড়া ব্যবসার ওপর অসাধু সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণের কারণেই তারা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। এই সংকট থেকে সম্ভাবনাময় শিল্পটিকে রক্ষা করতে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। শহরের পুরাতন কাচারি সড়ক ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে কোরবানির পশুর চামড়ার স্তূপ পড়ে আছে।

আরও পড়ুন

সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

সেখানে কোনো ক্রেতা বা বিক্রেতার উপস্থিতি দেখা যায়নি। মূলত ন্যায্যমূল্যের অভাব এবং চামড়া কেনার লোক না থাকায় ব্যবসায়ীরা এসব চামড়া ফেলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান, তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিভিন্ন পশুর কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করেছিলেন।

সংগৃহীত এসব চামড়া শহরের পুরাতন কাচারি সড়কের অস্থায়ী হাটে বিক্রির জন্য আনা হয়। ঈদুল আজহার দিন দুপুর থেকেই কাচারি মোড় ও টি এ রোডে চামড়া নিয়ে ভিড় জমিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। তবে সারারাত অপেক্ষা করেও ক্রেতা না মেলায় তারা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, ৫০০ টাকায় কেনা চামড়ার দাম বর্তমানে ২০০ টাকাও উঠছে না। তদারকির অভাবে পুরো চামড়া ব্যবসা এখন একটি সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এদিকে শহরের যত্রতত্র কাঁচা চামড়া স্তূপ করে ফেলে রাখায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে পথচারী ও এলাকাবাসীর চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে।

কোনো মালিক না থাকায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন পরিত্যক্ত চামড়াগুলো আগ্রহী মাদ্রাসাগুলোতে দিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, চামড়া সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে লবণ বিতরণ করা হয়েছে এবং মৌসুমী ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো সরকারের উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে।

এস এম/ ২৯ মে ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ন্যায্যমূল্য ও ক্রেতা সংকটে সড়কে চামড়া ফেলে গেলেন ব্যবসায়ীরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ন্যায্যমূল্য ও ক্রেতা সংকটে সড়কে চামড়া ফেলে গেলেন ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২৯ মে – ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং তীব্র ক্রেতা সংকটে বিপাকে পড়েছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। লোকসানের মুখে পড়ে শহরের প্রধান সড়কের পাশে শত শত চামড়া ফেলে রেখে চলে গেছেন তারা।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, চামড়া ব্যবসার ওপর অসাধু সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণের কারণেই তারা কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না। এই সংকট থেকে সম্ভাবনাময় শিল্পটিকে রক্ষা করতে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। শহরের পুরাতন কাচারি সড়ক ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে কোরবানির পশুর চামড়ার স্তূপ পড়ে আছে।সেখানে কোনো ক্রেতা বা বিক্রেতার উপস্থিতি দেখা যায়নি। মূলত ন্যায্যমূল্যের অভাব এবং চামড়া কেনার লোক না থাকায় ব্যবসায়ীরা এসব চামড়া ফেলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান, তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিভিন্ন পশুর কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করেছিলেন।সংগৃহীত এসব চামড়া শহরের পুরাতন কাচারি সড়কের অস্থায়ী হাটে বিক্রির জন্য আনা হয়। ঈদুল আজহার দিন দুপুর থেকেই কাচারি মোড় ও টি এ রোডে চামড়া নিয়ে ভিড় জমিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। তবে সারারাত অপেক্ষা করেও ক্রেতা না মেলায় তারা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, ৫০০ টাকায় কেনা চামড়ার দাম বর্তমানে ২০০ টাকাও উঠছে না। তদারকির অভাবে পুরো চামড়া ব্যবসা এখন একটি সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এদিকে শহরের যত্রতত্র কাঁচা চামড়া স্তূপ করে ফেলে রাখায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে পথচারী ও এলাকাবাসীর চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি হচ্ছে।কোনো মালিক না থাকায় পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন পরিত্যক্ত চামড়াগুলো আগ্রহী মাদ্রাসাগুলোতে দিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, চামড়া সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে লবণ বিতরণ করা হয়েছে এবং মৌসুমী ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো সরকারের উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে।এস এম/ ২৯ মে ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×