হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ক্রমবর্ধমান ‘ইসলামিকরণ’ ঠেকানোর অজুহাত: দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা ডেনমার্কের!

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন


কোপেনহেগেন, ২৬ জুন –ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের দেশ ডেনমার্কে মুসলিম সংস্কৃতি ও রীতিনীতির ওপর নতুন করে বড় ধরনের আঘাত আসতে চলেছে। দেশটিতে ক্রমবর্ধমান ‘ইসলামিকরণ’ ঠেকানোর অজুহাতে এবার দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ডেনমার্ক সরকার। দেশটির অভিবাসনমন্ত্রী মর্তেন বোদস্কভ সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে এই বিতর্কিত পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছেন।

ড্যানিশ সংবাদ সংস্থা ‘রিৎজাউ’-কে দেওয়া বোদস্কভের এই সাক্ষাৎকারের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ প্রভাবশালী দৈনিক ‘ডেইলি মেইল’ এবং ‘ডেইলি টেলিগ্রাফ’। সাক্ষাৎকারটিতে অভিবাসনমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ইসলাম ধর্ম ও মুসলিমদের উপস্থিতি ডেনমার্কের জনপরিসরের একটি বড় অংশ দখল করে নিচ্ছে, যা তারা আর বাড়তে দিতে চান না।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

‘ইসলামাবাদের উপশহর মনে হলে সমস্যা’—ড্যানিশ মন্ত্রী

বর্তমানে ডেনমার্কের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫ শতাংশ ইসলাম ধর্মাবলম্বী এবং মুসলিমরাই এখন দেশটির বৃহত্তম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে পরিণত হয়েছে। এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সংস্কৃতির বিকাশকে ডেনমার্কের জন্য ‘হুমকি’ হিসেবে দেখছেন অভিবাসনমন্ত্রী। সাক্ষাৎকারে মর্তেন বোদস্কভ চরম উস্কানিমূলকভাবে বলেন, “ডেনমার্কের বাড়িঘরের ছাদ থেকে আজানের আহ্বান শোনা যাওয়া উচিত নয়। ডেনমার্কে ঘুরে বেড়ানোর সময় যদি আপনার মনে হয় যে আপনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদের কোনো উপশহরে এসে পড়েছেন, তাহলে সেটা খুব বড় সমস্যা। ডেনমার্ককে ইসলামীকরণের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।”

কঠোর থেকে কঠোরতম হচ্ছে ডেনমার্কের অভিবাসন নীতি

আইনি চ্যালেঞ্জ ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের বিতর্ক

দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধ করার এই সরকারি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ডেনমার্কের প্রশাসনের সামনে বড় কিছু আইনি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কারণ, খোদ ডেনমার্কের সংবিধানেই দেশটির প্রতিটি নাগরিকের মুক্ত ও স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চার অধিকারকে পূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

সমালোচক এবং মানবাধিকার কর্মীদের যুক্তি, এই পরিকল্পনাটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে (ইসলাম) অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে, যা সরাসরি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইনি জটিলতা থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পুরো ইউরোপজুড়ে তীব্র রূপ নেওয়া বর্ণবাদ এবং অভিবাসী-বিরোধী চরমপন্থী মনোভাবের কারণে ডেনমার্ক সরকার এই আইন পাস করিয়ে নিতে পারে। এর আগে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে আজান ও হিজাব পরিধানের মতো ইসলামিক প্রথাগুলোর ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ক্রমবর্ধমান ‘ইসলামিকরণ’ ঠেকানোর অজুহাত: দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা ডেনমার্কের!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ক্রমবর্ধমান ‘ইসলামিকরণ’ ঠেকানোর অজুহাত: দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা ডেনমার্কের!

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০২:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] কোপেনহেগেন, ২৬ জুন –ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভীয় অঞ্চলের দেশ ডেনমার্কে মুসলিম সংস্কৃতি ও রীতিনীতির ওপর নতুন করে বড় ধরনের আঘাত আসতে চলেছে। দেশটিতে ক্রমবর্ধমান ‘ইসলামিকরণ’ ঠেকানোর অজুহাতে এবার দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ডেনমার্ক সরকার। দেশটির অভিবাসনমন্ত্রী মর্তেন বোদস্কভ সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে এই বিতর্কিত পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছেন।ড্যানিশ সংবাদ সংস্থা ‘রিৎজাউ’-কে দেওয়া বোদস্কভের এই সাক্ষাৎকারের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ প্রভাবশালী দৈনিক ‘ডেইলি মেইল’ এবং ‘ডেইলি টেলিগ্রাফ’। সাক্ষাৎকারটিতে অভিবাসনমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ইসলাম ধর্ম ও মুসলিমদের উপস্থিতি ডেনমার্কের জনপরিসরের একটি বড় অংশ দখল করে নিচ্ছে, যা তারা আর বাড়তে দিতে চান না।‘ইসলামাবাদের উপশহর মনে হলে সমস্যা’—ড্যানিশ মন্ত্রীবর্তমানে ডেনমার্কের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫ শতাংশ ইসলাম ধর্মাবলম্বী এবং মুসলিমরাই এখন দেশটির বৃহত্তম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে পরিণত হয়েছে। এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সংস্কৃতির বিকাশকে ডেনমার্কের জন্য ‘হুমকি’ হিসেবে দেখছেন অভিবাসনমন্ত্রী। সাক্ষাৎকারে মর্তেন বোদস্কভ চরম উস্কানিমূলকভাবে বলেন, “ডেনমার্কের বাড়িঘরের ছাদ থেকে আজানের আহ্বান শোনা যাওয়া উচিত নয়। ডেনমার্কে ঘুরে বেড়ানোর সময় যদি আপনার মনে হয় যে আপনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদের কোনো উপশহরে এসে পড়েছেন, তাহলে সেটা খুব বড় সমস্যা। ডেনমার্ককে ইসলামীকরণের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।”কঠোর থেকে কঠোরতম হচ্ছে ডেনমার্কের অভিবাসন নীতিআইনি চ্যালেঞ্জ ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের বিতর্কদেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধ করার এই সরকারি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ডেনমার্কের প্রশাসনের সামনে বড় কিছু আইনি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। কারণ, খোদ ডেনমার্কের সংবিধানেই দেশটির প্রতিটি নাগরিকের মুক্ত ও স্বাধীনভাবে ধর্মচর্চার অধিকারকে পূর্ণ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।সমালোচক এবং মানবাধিকার কর্মীদের যুক্তি, এই পরিকল্পনাটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং একটি নির্দিষ্ট ধর্মকে (ইসলাম) অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে লক্ষ্যবস্তু করেছে, যা সরাসরি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ।তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইনি জটিলতা থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পুরো ইউরোপজুড়ে তীব্র রূপ নেওয়া বর্ণবাদ এবং অভিবাসী-বিরোধী চরমপন্থী মনোভাবের কারণে ডেনমার্ক সরকার এই আইন পাস করিয়ে নিতে পারে। এর আগে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে আজান ও হিজাব পরিধানের মতো ইসলামিক প্রথাগুলোর ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×