হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

নাফ নদী পেরিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, বিজিবি’র তাড়া খেয়ে ইয়াবা ফেলে পালালো চোরাকারবারি

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন

মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের একটি বড় চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বিজিবি। টহল দলের তাড়া খেয়ে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ভর্তি একটি কালো পোটলা ফেলে নদীতে লাফ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে গেছে এক চোরাকারবারি।

শুক্রবার (০৩ জুলাই) ভোররাতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপি’র সদস্যরা এই মালিকবিহীন মাদক চালানটি উদ্ধার করেন।

বিজিবি সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ থেকে প্রায় ১.২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং কেরেঙ্গাঘোনা পোস্ট-২ এর নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থান নেয়।

এ সময় মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এক ব্যক্তিকে একটি পোটলা হাতে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করেন।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে ওই চোরাকারবারি তার হাতের কালো পোটলাটি ফেলে তাৎক্ষণিক নাফ নদীতে লাফ দেয় এবং সাঁতরিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া কালো কাপড়ে মোড়ানো পলিথিনের ভেতর থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে বিশেষভাবে রাখা নীল রঙের ৬টি বায়ুরোধী (এয়ারটাইট) প্যাকেট উদ্ধার করে।

এগুলো থেকে মোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। তবে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে আটক করতে নদীর তীরবর্তী এলাকায় দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হলেও আর কাউকে পাওয়া যায়নি।

উখিয়া ৬৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ বি এম জাহিদ হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নদী পথ ব্যবহার করে মাদক পাচারের এই চেষ্টা বিজিবি’র সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা নজরদারির কারণে নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে।

পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিকে শনাক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সীমান্তে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

নাফ নদী পেরিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, বিজিবি’র তাড়া খেয়ে ইয়াবা ফেলে পালালো চোরাকারবারি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

নাফ নদী পেরিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, বিজিবি’র তাড়া খেয়ে ইয়াবা ফেলে পালালো চোরাকারবারি

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
Print Image
মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের একটি বড় চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বিজিবি। টহল দলের তাড়া খেয়ে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ভর্তি একটি কালো পোটলা ফেলে নদীতে লাফ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে গেছে এক চোরাকারবারি। শুক্রবার (০৩ জুলাই) ভোররাতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপি’র সদস্যরা এই মালিকবিহীন মাদক চালানটি উদ্ধার করেন। বিজিবি সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ থেকে প্রায় ১.২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং কেরেঙ্গাঘোনা পোস্ট-২ এর নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এক ব্যক্তিকে একটি পোটলা হাতে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে ওই চোরাকারবারি তার হাতের কালো পোটলাটি ফেলে তাৎক্ষণিক নাফ নদীতে লাফ দেয় এবং সাঁতরিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া কালো কাপড়ে মোড়ানো পলিথিনের ভেতর থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে বিশেষভাবে রাখা নীল রঙের ৬টি বায়ুরোধী (এয়ারটাইট) প্যাকেট উদ্ধার করে। এগুলো থেকে মোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। তবে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে আটক করতে নদীর তীরবর্তী এলাকায় দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হলেও আর কাউকে পাওয়া যায়নি। উখিয়া ৬৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ বি এম জাহিদ হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নদী পথ ব্যবহার করে মাদক পাচারের এই চেষ্টা বিজিবি’র সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা নজরদারির কারণে নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিকে শনাক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সীমান্তে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×