মিয়ানমার থেকে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের আরেকটি বড় চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে বিজিবি। টহল দলের তাড়া খেয়ে আনুমানিক ৯০ লাখ টাকা মূল্যের ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ভর্তি একটি কালো পোটলা ফেলে নদীতে লাফ দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পালিয়ে গেছে এক চোরাকারবারি।
বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) গভীর রাতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপি’র সদস্যরা এই মালিকবিহীন মাদক চালানটি উদ্ধার করেন।
উখিয়া ৬৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ বি এম জাহিদ হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ থেকে প্রায় ২.৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে কেরেঙ্গাঘোনা পোস্ট-১ এর নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থান নেয়।
সৌদি আরবে মক্কা ও মদিনাসহ একাধিক অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা: শনিবার পর্যন্ত চরম সতর্কবার্তা
এ সময় মিয়ানমার সীমান্ত থেকে এক ব্যক্তিকে একটি পোটলা হাতে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে ওই চোরাকারবারি তার হাতের কালো পোটলাটি ফেলে তাৎক্ষণিক নাফ নদীতে লাফ দেয় এবং সাঁতরিয়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া কালো কাপড়ে মোড়ানো পলিথিনের ভেতর থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে বিশেষভাবে রাখা নীল রঙের ৩টি বায়ুরোধী (এয়ারটাইট) প্যাকেট উদ্ধার করে।
এগুলো থেকে আনুমানিক ৯০ লাখ টাকা মূল্যের মোট ৩০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। তবে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে আটক করতে নদীর তীরবর্তী এলাকায় দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানো হলেও আর কাউকে পাওয়া যায়নি।
অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ বি এম জাহিদ হাসান জানান, নদী পথ ব্যবহার করে মাদক পাচারের এই চেষ্টা বিজিবি’র কঠোর নজরদারির কারণে নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারিকে শনাক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সীমান্তে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।




মন্তব্য করুন