হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফ-উখিয়ায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ

শহিদুল ইসলাম ::

শহিদুল ইসলাম ::

রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ১৯০ হেক্টর এলাকায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে ৪০ হেক্টর এলাকায় ১ লাখ এবং উখিয়ার থাইনখ…

কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ১৯০ হেক্টর এলাকায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে ৪০ হেক্টর এলাকায় ১ লাখ এবং উখিয়ার থাইনখালী চাকমাপাড়ায় ১৫০ হেক্টর এলাকায় ৩০ প্রজাতির ৩ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে টেকনাফ রেঞ্জের মুচনী বিটের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে নতুন সৃজিত ৪০ হেক্টর বাগান পরিদর্শন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল আলম। পরিদর্শনের সময় তিনি বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।একপর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী নতুন সৃজিত বাগানে একটি চালতা গাছের চারা রোপণ করেন।

এ সময় বন বিভাগের কর্মকর্তা, ফরেস্ট গার্ড ও বনপাহারা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বন বিভাগের কর্মকর্তারা প্রতিমন্ত্রীকে বাগান সৃজন, পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে অবহিত করেন।

তাঁরা জানান, রোপণ করা চারাগুলোর পরিচর্যা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কাজ করা হচ্ছে। রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে পরিদর্শনের সময় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন প্রতিমন্ত্রী।

আরও পড়ুন

টেকনাফে সিএনজির বিশেষ চেম্বার থেকে ১৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক

বাগানের নিরাপত্তা, চারার বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ পরিচর্যা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। উখিয়ার থাইনখালী চাকমাপাড়ায় ১৫০ হেক্টর এলাকায় ৩০ প্রজাতির ৩ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণের বিষয়টিও পরিদর্শনের সময় তুলে ধরা হয়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নতুন বাগানগুলোর পাশাপাশি বিদ্যমান বনসম্পদ রক্ষায়ও নিয়মিত কার্যক্রম চলছে। টেকনাফ ও উখিয়ার পাহাড়ি বনাঞ্চল জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন বাগান সৃজনের পাশাপাশি রোপণ করা চারার টিকে থাকা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিচর্যা ও সুরক্ষা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী বন সংরক্ষক মনিরুল ইসলাম,সহকারী বন সংরক্ষক শাহিনুল ইসলাম,টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশীদসহ বিভিন্ন বিটের কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া পুলিশ সদস্য, ফরেস্ট গার্ড ও বনপাহারা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

🔗 আরও পড়ুন:

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: টেকনাফ-উখিয়ায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ১৯০ হেক্টর এলাকায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফের। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

উখিয়া
Card Image

টেকনাফ-উখিয়ায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফ-উখিয়ায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম :: | প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ১৯০ হেক্টর এলাকায় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের ৪ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে ৪০ হেক্টর এলাকায় ১ লাখ এবং উখিয়ার থাইনখালী চাকমাপাড়ায় ১৫০ হেক্টর এলাকায় ৩০ প্রজাতির ৩ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে টেকনাফ রেঞ্জের মুচনী বিটের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে নতুন সৃজিত ৪০ হেক্টর বাগান পরিদর্শন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল আলম। পরিদর্শনের সময় তিনি বাগানের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।একপর্যায়ে প্রতিমন্ত্রী নতুন সৃজিত বাগানে একটি চালতা গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় বন বিভাগের কর্মকর্তা, ফরেস্ট গার্ড ও বনপাহারা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বন বিভাগের কর্মকর্তারা প্রতিমন্ত্রীকে বাগান সৃজন, পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে অবহিত করেন। তাঁরা জানান, রোপণ করা চারাগুলোর পরিচর্যা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত কাজ করা হচ্ছে। রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে পরিদর্শনের সময় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর নেন প্রতিমন্ত্রী। বাগানের নিরাপত্তা, চারার বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ পরিচর্যা নিয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। উখিয়ার থাইনখালী চাকমাপাড়ায় ১৫০ হেক্টর এলাকায় ৩০ প্রজাতির ৩ লাখ ৭৫ হাজার চারা রোপণের বিষয়টিও পরিদর্শনের সময় তুলে ধরা হয়। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নতুন বাগানগুলোর পাশাপাশি বিদ্যমান বনসম্পদ রক্ষায়ও নিয়মিত কার্যক্রম চলছে। টেকনাফ ও উখিয়ার পাহাড়ি বনাঞ্চল জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বাগান সৃজনের পাশাপাশি রোপণ করা চারার টিকে থাকা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিচর্যা ও সুরক্ষা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহকারী বন সংরক্ষক মনিরুল ইসলাম,সহকারী বন সংরক্ষক শাহিনুল ইসলাম,টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর রশীদসহ বিভিন্ন বিটের কর্মকর্তারা। এ ছাড়া পুলিশ সদস্য, ফরেস্ট গার্ড ও বনপাহারা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×