হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইয়াবা পাচার ঠেকাতে এআই

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: ইয়াবা পাচার ঠেকাতে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। মিয়ানমার সীমান্ত সিলগালা করতে ডিজিটাল দেয়াল তৈরির পরিকল্পনা এরই মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইয়াবা সারাদেশে ছড়িয়ে দিত…

ইয়াবা পাচার ঠেকাতে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। মিয়ানমার সীমান্ত সিলগালা করতে ডিজিটাল দেয়াল তৈরির পরিকল্পনা এরই মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ইয়াবা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে কক্সবাজার ও বান্দরবানের অন্তত ১২ পয়েন্ট ব্যবহার করে অপরাধীরা। এ দুই জেলার চিহ্নিত পয়েন্টে বসানো হচ্ছে ৩১ এআই ক্যামেরা। এআই ক্যামেরা ছাড়াও লাগেজ স্ক্যানার, ভেহিকল স্ক্যানার ও ডগ স্কোয়াডের সমন্বিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে যাচ্ছে পুলিশ। সরকারের অনুমোদন পেলে শিগগির এই কার্যক্রম শুরু হবে।

কক্সবাজার ও বান্দরবানের ১২ পয়েন্টে এমন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে, যাতে ফাঁক গলে কোনোভাবেই দেশে ইয়াবা না ঢোকে। অতীতে মাদক মামলায় জড়ানো আসামিদের তৈরি করা ডিজিটাল

যুক্ত করে তাদের ওপর চালানো হবে কঠোর নজরদারি। পুরো ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রয়োগে খরচ হবে ২০ কোটি টাকা। এ বছরের শেষ দিকে পুলিশের এ বিশেষ প্রকল্পটি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে।

আরও পড়ুন

মাদারীপুরে একের পর এক বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা

কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া, রামু ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার ইয়াবার চালান বাংলাদেশে ঢুকছে। এখন আরাকান আর্মির আয়ের প্রধান উৎস ইয়াবা কারবার। ইয়াবার টাকায় আরাকান আর্মির সদস্যদের বেতন-ভাতার সিংহ ভাগ অর্থ খরচ করা হচ্ছে। তাই ইয়াবা পাচারের জন্য তারা বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছে বলে পুলিশের গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। তাই দুই জেলার মূল পয়েন্টগুলো ঘিরে একাধিক ডিজিটাল পরিকল্পনা সাজিয়ে বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে পুলিশ।

কক্সবাজারের আট পয়েন্টের মধ্যে মেরিন ড্রাইভসহ সদরের তিনটি পয়েন্ট, টেকনাফ-রামুর তিনটি পয়েন্ট, উখিয়ার একটি পয়েন্ট, চকরিয়ার একটি পয়েন্ট এবং বান্দরবানের চারটি পয়েন্ট রয়েছে। এসব পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টার জন্য স্থায়ী তল্লাশি চৌকি থাকবে। ইয়াবার চালান ধরা এবং পাচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে ৩১টি ফেস ডিটেক্টর এআই সিসিটিভি ক্যামেরাকে তদারকির আওতায় আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে আটটি লাগেজ স্ক্যানার মেশিন, ছয়টি ভেহিকল স্ক্যানার মেশিন, ১৪০টি সাধারণ সিসিটিভি ক্যামরা, ২৩টি স্ক্যানিং দেখার টিভি মনিটর এবং একাধিক ডগ স্কোয়াডের সমন্বিত প্রতিরোধ দেয়াল তৈরি করছে পুলিশ। ১২ পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালনের জন্য কক্সবাজারে প্রশিক্ষিত ২০৮ পুলিশ সদস্য এবং বান্দরবানে ৯৯ পুলিশ সদস্যের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য কক্সবাজারে প্রতি মাসে ৬৯ লাখ টাকা এবং বান্দরবানে প্রতি মাসে ৩৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে সরকারের।

অপরাধ ডেটার ওপর দীর্ঘ গবেষণা করে ডিজিটাল প্রকল্পটি তৈরি করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজিমুল হক। তিনি সমকালকে বলেন, এখন আরাকান আর্মির সদস্যদের বেতনের সিংহ ভাগ অর্থই আসছে ইয়াবা কারবারের আয় থেকে। তাই তারা বাংলাদেশকে ইয়াবা পাচার ও ব্যবসার প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহার করছে। টেকনাফ-উখিয়া-নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা ঢুকে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। পুলিশ সনাতন পদ্ধতিতে ইয়াবা চোরাচালানকারী, কারবারি ও বাহকদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে ইয়াবা পাচারকারীরা অনেক ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক কৌশল ব্যবহার করায় পুলিশ সফল হতে পারছে না। তাই আমরা এবার এআইসহ অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইয়াবা পাচার শতভাগ বন্ধ করার পরিকল্পনা করেছি।

আইনজীবী জাফর ইকবাল বলেন, ইয়াবা চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের এআই প্রযুক্তির ব্যবহার খুবই সময়োপযোগী ও ভালো দিক। পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করলে শতভাগ না হলেও ইয়াবার পাচার বন্ধে অনেক ভালো একটি কাজ হবে। সুত্র,সমকাল

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: ইয়াবা পাচার ঠেকাতে এআই সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: ইয়াবা পাচার ঠেকাতে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। মিয়ানমার সীমান্ত সিলগালা করতে ডিজিটাল দেয়াল তৈরির পরি। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

ইয়াবা পাচার ঠেকাতে এআই

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইয়াবা পাচার ঠেকাতে এআই

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
Print Image
ইয়াবা পাচার ঠেকাতে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। মিয়ানমার সীমান্ত সিলগালা করতে ডিজিটাল দেয়াল তৈরির পরিকল্পনা এরই মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। ইয়াবা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে কক্সবাজার ও বান্দরবানের অন্তত ১২ পয়েন্ট ব্যবহার করে অপরাধীরা। এ দুই জেলার চিহ্নিত পয়েন্টে বসানো হচ্ছে ৩১ এআই ক্যামেরা। এআই ক্যামেরা ছাড়াও লাগেজ স্ক্যানার, ভেহিকল স্ক্যানার ও ডগ স্কোয়াডের সমন্বিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে যাচ্ছে পুলিশ। সরকারের অনুমোদন পেলে শিগগির এই কার্যক্রম শুরু হবে। কক্সবাজার ও বান্দরবানের ১২ পয়েন্টে এমন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে, যাতে ফাঁক গলে কোনোভাবেই দেশে ইয়াবা না ঢোকে। অতীতে মাদক মামলায় জড়ানো আসামিদের তৈরি করা ডিজিটাল যুক্ত করে তাদের ওপর চালানো হবে কঠোর নজরদারি। পুরো ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রয়োগে খরচ হবে ২০ কোটি টাকা। এ বছরের শেষ দিকে পুলিশের এ বিশেষ প্রকল্পটি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে। কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া, রামু ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার ইয়াবার চালান বাংলাদেশে ঢুকছে। এখন আরাকান আর্মির আয়ের প্রধান উৎস ইয়াবা কারবার। ইয়াবার টাকায় আরাকান আর্মির সদস্যদের বেতন-ভাতার সিংহ ভাগ অর্থ খরচ করা হচ্ছে। তাই ইয়াবা পাচারের জন্য তারা বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছে বলে পুলিশের গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। তাই দুই জেলার মূল পয়েন্টগুলো ঘিরে একাধিক ডিজিটাল পরিকল্পনা সাজিয়ে বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে পুলিশ। কক্সবাজারের আট পয়েন্টের মধ্যে মেরিন ড্রাইভসহ সদরের তিনটি পয়েন্ট, টেকনাফ-রামুর তিনটি পয়েন্ট, উখিয়ার একটি পয়েন্ট, চকরিয়ার একটি পয়েন্ট এবং বান্দরবানের চারটি পয়েন্ট রয়েছে। এসব পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টার জন্য স্থায়ী তল্লাশি চৌকি থাকবে। ইয়াবার চালান ধরা এবং পাচারকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে ৩১টি ফেস ডিটেক্টর এআই সিসিটিভি ক্যামেরাকে তদারকির আওতায় আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে আটটি লাগেজ স্ক্যানার মেশিন, ছয়টি ভেহিকল স্ক্যানার মেশিন, ১৪০টি সাধারণ সিসিটিভি ক্যামরা, ২৩টি স্ক্যানিং দেখার টিভি মনিটর এবং একাধিক ডগ স্কোয়াডের সমন্বিত প্রতিরোধ দেয়াল তৈরি করছে পুলিশ। ১২ পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালনের জন্য কক্সবাজারে প্রশিক্ষিত ২০৮ পুলিশ সদস্য এবং বান্দরবানে ৯৯ পুলিশ সদস্যের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। এ জন্য কক্সবাজারে প্রতি মাসে ৬৯ লাখ টাকা এবং বান্দরবানে প্রতি মাসে ৩৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে সরকারের। অপরাধ ডেটার ওপর দীর্ঘ গবেষণা করে ডিজিটাল প্রকল্পটি তৈরি করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজিমুল হক। তিনি সমকালকে বলেন, এখন আরাকান আর্মির সদস্যদের বেতনের সিংহ ভাগ অর্থই আসছে ইয়াবা কারবারের আয় থেকে। তাই তারা বাংলাদেশকে ইয়াবা পাচার ও ব্যবসার প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহার করছে। টেকনাফ-উখিয়া-নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা ঢুকে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। পুলিশ সনাতন পদ্ধতিতে ইয়াবা চোরাচালানকারী, কারবারি ও বাহকদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে ইয়াবা পাচারকারীরা অনেক ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক কৌশল ব্যবহার করায় পুলিশ সফল হতে পারছে না। তাই আমরা এবার এআইসহ অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইয়াবা পাচার শতভাগ বন্ধ করার পরিকল্পনা করেছি। আইনজীবী জাফর ইকবাল বলেন, ইয়াবা চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের এআই প্রযুক্তির ব্যবহার খুবই সময়োপযোগী ও ভালো দিক। পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করলে শতভাগ না হলেও ইয়াবার পাচার বন্ধে অনেক ভালো একটি কাজ হবে। সুত্র,সমকাল

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×