হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে সৌদি আরব, আমিরাত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে মিশরের আলোচনা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: সৌদি আরব, আমিরাত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে মিশরের আলোচনাকায়রো,২৮ অক্টোবর-মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক সংকট নিরসনে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে য…


সৌদি আরব, আমিরাত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে মিশরের আলোচনা

কায়রো,২৮ অক্টোবর-মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক সংকট নিরসনে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে মিশর। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংকট সমাধানে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে তুরস্ক ও পাকিস্তানকে যুক্ত করে চার পক্ষের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সমন্বয় প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন জায়েদের সঙ্গে পৃথক দুটি ফোনালাপ করেন। বুধবার মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পৃথক বিবৃতিতে এ দুই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে ফোনালাপে আবদেলাত্তি আঞ্চলিক পরিস্থিতির সর্বশেষ অগ্রগতি এবং চলমান সংকটের বিস্তার ঠেকানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এখন একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। আলোচনায় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় পরামর্শ ও আলোচনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি তুরস্ক ও পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে গঠিত চার পক্ষের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সমন্বয়ব্যবস্থার মাধ্যমে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যেতে সম্মত হন।

আরও পড়ুন

বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন দ্বিতীয় দফায়, লড়বেন ইয়োতোভা ও গিউরভ

এই চার পক্ষের কূটনৈতিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মিশর, পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং সংকটগুলোর রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে পেতে সহায়তা করা হবে।

এই ফোনালাপের মাত্র এক দিন আগেই মিশরের পার্লামেন্ট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে একটি বিশেষ ক্ষমতা বা ম্যান্ডেট অনুমোদন দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশটির সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ড ও পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষায় মিশরীয় বাহিনী প্রয়োজনীয় যেকোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে।

চলতি বছরের জুলাই থেকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি আরবের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘর্ষ শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ে এ তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কেন্দ্র এবং বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে হুথিরা। ২০১৫ সালের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে একটি জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে সৌদি আরব। অন্যদিকে, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে হুথি গোষ্ঠী।

অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন জায়েদের সঙ্গে ফোনালাপে মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক পরিস্থিতির ক্রমবর্ধমান অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বদর আবদেলাত্তি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সংকট যাতে আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে না যায়, সে জন্য আঞ্চলিক দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজনৈতিক সমাধানের পথে ফিরিয়ে আনতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানো উচিত।

আঞ্চলিক পর্যায়ে এই তৎপরতা জোরদারের পেছনে অন্যতম কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে চলমান কূটনৈতিক মধ্যস্থতার জটিলতা। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও পণ্য পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং সেখানে নৌ চলাচলের শর্ত নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতবিরোধ এখনো কাটেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা এবং এর জবাবে আঞ্চলিক মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে ইরানের পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে সংকট চরমে পৌঁছায়। পরে গত ১৮ জুন দুই দেশ একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করলেও হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা এখন স্থবির হয়ে পড়েছে।

সামগ্রিক সংকটের গভীরতা বিবেচনায় নিয়ে কায়রো এখন রিয়াদ, আবুধাবি, আঙ্কারা ও ইসলামাবাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে যেকোনো মূল্যে মধ্যপ্রাচ্যকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের হাত থেকে রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছে।

এস এম/ ২৮ অক্টোবর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে সৌদি আরব, আমিরাত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে মিশরের আলোচনা সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: সৌদি আরব, আমিরাত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে মিশরের আলোচনাকায়রো,২৮ অক্টোবর-মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক সংকট । মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে সৌদি আরব, আমিরাত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে মিশরের আলোচনা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে সৌদি আরব, আমিরাত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে মিশরের আলোচনা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] সৌদি আরব, আমিরাত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে মিশরের আলোচনাকায়রো,২৮ অক্টোবর-মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক সংকট নিরসনে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে মিশর। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংকট সমাধানে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে তুরস্ক ও পাকিস্তানকে যুক্ত করে চার পক্ষের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সমন্বয় প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।মঙ্গলবার মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন জায়েদের সঙ্গে পৃথক দুটি ফোনালাপ করেন। বুধবার মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পৃথক বিবৃতিতে এ দুই ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে ফোনালাপে আবদেলাত্তি আঞ্চলিক পরিস্থিতির সর্বশেষ অগ্রগতি এবং চলমান সংকটের বিস্তার ঠেকানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। ক্রমবর্ধমান সামরিক উত্তেজনার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এখন একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো জরুরি। আলোচনায় দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় পরামর্শ ও আলোচনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি তুরস্ক ও পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে গঠিত চার পক্ষের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সমন্বয়ব্যবস্থার মাধ্যমে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যেতে সম্মত হন।এই চার পক্ষের কূটনৈতিক উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মিশর, পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং সংকটগুলোর রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে পেতে সহায়তা করা হবে।এই ফোনালাপের মাত্র এক দিন আগেই মিশরের পার্লামেন্ট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিকে একটি বিশেষ ক্ষমতা বা ম্যান্ডেট অনুমোদন দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের ফলে সৌদি আরবের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশটির সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ড ও পবিত্র স্থানগুলোর সুরক্ষায় মিশরীয় বাহিনী প্রয়োজনীয় যেকোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে।চলতি বছরের জুলাই থেকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি আরবের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘর্ষ শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ে এ তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কেন্দ্র এবং বিভিন্ন জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে হুথিরা। ২০১৫ সালের মার্চ থেকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিতে একটি জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে সৌদি আরব। অন্যদিকে, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ইয়েমেনের রাজধানী সানাসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে হুথি গোষ্ঠী।অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন জায়েদের সঙ্গে ফোনালাপে মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক পরিস্থিতির ক্রমবর্ধমান অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বদর আবদেলাত্তি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সংকট যাতে আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে না যায়, সে জন্য আঞ্চলিক দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজনৈতিক সমাধানের পথে ফিরিয়ে আনতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালানো উচিত।আঞ্চলিক পর্যায়ে এই তৎপরতা জোরদারের পেছনে অন্যতম কারণ হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে চলমান কূটনৈতিক মধ্যস্থতার জটিলতা। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও পণ্য পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং সেখানে নৌ চলাচলের শর্ত নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতবিরোধ এখনো কাটেনি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলা এবং এর জবাবে আঞ্চলিক মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে ইরানের পাল্টা হামলার মধ্য দিয়ে সংকট চরমে পৌঁছায়। পরে গত ১৮ জুন দুই দেশ একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করলেও হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা এখন স্থবির হয়ে পড়েছে।সামগ্রিক সংকটের গভীরতা বিবেচনায় নিয়ে কায়রো এখন রিয়াদ, আবুধাবি, আঙ্কারা ও ইসলামাবাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে যেকোনো মূল্যে মধ্যপ্রাচ্যকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের হাত থেকে রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছে।এস এম/ ২৮ অক্টোবর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×