হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ায় বৃত্তি পরীক্ষার নামে রমরমা বাণিজ্য, প্রতারনার শিকার শিক্ষার্থীরা, ১৪৫ বিদ্যালয়ে জরুরি নোটিশ

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোকিত শিক্ষা ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গতবারের বৃত্তি পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়ন ও নির্দেশনা অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান না করে পুনরায় পরীক্ষা বাণিজ্য শুরু করার গুরুতর …

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোকিত শিক্ষা ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গতবারের বৃত্তি পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়ন ও নির্দেশনা অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান না করে পুনরায় পরীক্ষা বাণিজ্য শুরু করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অবশ্য অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান কতৃক ‘আলোকিত স্বর্ণপদক মেধাবৃত্তি-২০২৫’ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের পর ফল পুনর্মূল্যায়ন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অনুমতি ছাড়া পুনরায় বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে সেই নির্দেশনা লঙ্ঘন করে ফের চকরিয়া মাতামুহুরীতে চলতি ২০২৬ সালের বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে ফাউন্ডেশনটির বিরুদ্ধে। এ পরিস্থিতিতে ইউএনওর নির্দেশনা অনুযায়ী চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরুরি নোটিশ পাঠিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। নোটিশে অনুমোদন ছাড়া আলোকিত ফাউন্ডেশন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নামীয় বৃত্তি পরীক্ষায় যাতে কোন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন না করে সেজন্য পদক্ষেপ নিতে আগেভাগে সর্তক করা হয়েছে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের।

স্থানীয় অভিভাবক মহলের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে চকরিয়া উপজেলা সদরে আলোকিত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘আলোকিত স্বর্ণপদক মেধাবৃত্তি’ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন, ফলাফল প্রকাশ এবং প্রসপেক্টাসে ঘোষিত শর্ত অনুযায়ী বৃত্তি প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন চকরিয়ার একাধিক অভিভাবক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফাউন্ডেশনটির চেয়ারম্যান ও মহেশখালীর শাপলাপুর এলাকার বাসিন্দা জাফর আমিনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে চকরিয়ার ইউএনওর দপ্তরে লিখিত আবেদন করেন সংক্ষুব্ধ অভিভাবক মহল।

আরও পড়ুন

উখিয়ায় চেকপোস্টে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধের দাবি ছাত্রদলের

ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ
অধ্যাপক ফখর উদ্দিন ফরায়েজি ও রিয়ানুল কবিরকে নিয়ে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে একটি নির্দেশনা আদেশ জারি করেন ইউএনও শাহীন দেলোয়ার। ওই আদেশে আলোকিত ফাউন্ডেশনের ঘোষিত ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা নিতে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইউএনওর অনুমতি ছাড়া ভবিষ্যতে চকরিয়া মাতামুহুরী উপজেলায় আলোকিত ফাউন্ডেশনসহ সব ধরনের সংস্থার বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

তদন্ত কমিটির সদস্য চকরিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ইউএনও কতৃক নির্দেশনা জারির পর এক মাসের বেশি সময় পার হলেও ২০২৫ সালের পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়ন করে যথাযথভাবে বৃত্তি প্রদান করা হয়নি। এর মধ্যেই প্রতারক ফাউন্ডেশনটি পুনরায় ২০২৬ সালে নতুন করে বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন শুরু করেছে বলে অনেক অভিভাবক জানিয়েছেন।

এদিকে আলোকিত ফাউন্ডেশন কতৃক বৃত্তি প্রতারনার এ ঘটনায় চকরিয়া উপজেলার একাধিক অভিভাবক ও সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, আগের পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগ নিষ্পত্তি না করে এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করেঃ কীভাবে নতুন করে বৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে?

অপরদিকে ইউএনওর নির্দেশনা মোতাবেক সবধরনের বেসরকারি বৃত্তি কার্যক্নম থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়ে রোববার ( ১ নভেম্বর) তারিখে চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরুরি নোটিশ পাঠিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়গুলোকে জরুরি নোটিশ মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউএনওর অনুমোদন যাচাই এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোনো ধরনের উদ্যোগ নেওয়া যাবে না বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এব্যাপারে বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজক আলোকিত ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাফর আমিন বলেন, ‘আমরা কক্সবাজারের সব জায়গায় বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করতেছি।’ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমোদন নেওয়া হচ্ছে এবং হবে। এরপর মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এবিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার বলেন, ইতোপূর্বে বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করে অনেক প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারনা করেছে। এধরণের লিখিত অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত একটি প্রতিষ্ঠানকে ঘোষিত ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এখন থেকে ‘পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: চকরিয়ায় বৃত্তি পরীক্ষার নামে রমরমা বাণিজ্য, প্রতারনার শিকার শিক্ষার্থীরা, ১৪৫ বিদ্যালয়ে জরুরি নোটিশ সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোকিত শিক্ষা ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গতবারের বৃত্তি পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়ন ও নির্দেশনা অনুযায়ী ব। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

চকরিয়ায় বৃত্তি পরীক্ষার নামে রমরমা বাণিজ্য, প্রতারনার শিকার শিক্ষার্থীরা, ১৪৫ বিদ্যালয়ে জরুরি নোটিশ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ায় বৃত্তি পরীক্ষার নামে রমরমা বাণিজ্য, প্রতারনার শিকার শিক্ষার্থীরা, ১৪৫ বিদ্যালয়ে জরুরি নোটিশ

প্রতিবেদক: এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া:: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোকিত শিক্ষা ফাউন্ডেশন নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গতবারের বৃত্তি পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়ন ও নির্দেশনা অনুযায়ী বৃত্তি প্রদান না করে পুনরায় পরীক্ষা বাণিজ্য শুরু করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান কতৃক ‘আলোকিত স্বর্ণপদক মেধাবৃত্তি-২০২৫’ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের পর ফল পুনর্মূল্যায়ন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অনুমতি ছাড়া পুনরায় বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই নির্দেশনা লঙ্ঘন করে ফের চকরিয়া মাতামুহুরীতে চলতি ২০২৬ সালের বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে ফাউন্ডেশনটির বিরুদ্ধে। এ পরিস্থিতিতে ইউএনওর নির্দেশনা অনুযায়ী চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরুরি নোটিশ পাঠিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। নোটিশে অনুমোদন ছাড়া আলোকিত ফাউন্ডেশন এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নামীয় বৃত্তি পরীক্ষায় যাতে কোন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন না করে সেজন্য পদক্ষেপ নিতে আগেভাগে সর্তক করা হয়েছে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। স্থানীয় অভিভাবক মহলের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে চকরিয়া উপজেলা সদরে আলোকিত ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘আলোকিত স্বর্ণপদক মেধাবৃত্তি’ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন, ফলাফল প্রকাশ এবং প্রসপেক্টাসে ঘোষিত শর্ত অনুযায়ী বৃত্তি প্রদানে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন চকরিয়ার একাধিক অভিভাবক। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফাউন্ডেশনটির চেয়ারম্যান ও মহেশখালীর শাপলাপুর এলাকার বাসিন্দা জাফর আমিনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে চকরিয়ার ইউএনওর দপ্তরে লিখিত আবেদন করেন সংক্ষুব্ধ অভিভাবক মহল। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ফখর উদ্দিন ফরায়েজি ও রিয়ানুল কবিরকে নিয়ে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে একটি নির্দেশনা আদেশ জারি করেন ইউএনও শাহীন দেলোয়ার। ওই আদেশে আলোকিত ফাউন্ডেশনের ঘোষিত ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা নিতে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইউএনওর অনুমতি ছাড়া ভবিষ্যতে চকরিয়া মাতামুহুরী উপজেলায় আলোকিত ফাউন্ডেশনসহ সব ধরনের সংস্থার বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত কমিটির সদস্য চকরিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, ইউএনও কতৃক নির্দেশনা জারির পর এক মাসের বেশি সময় পার হলেও ২০২৫ সালের পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়ন করে যথাযথভাবে বৃত্তি প্রদান করা হয়নি। এর মধ্যেই প্রতারক ফাউন্ডেশনটি পুনরায় ২০২৬ সালে নতুন করে বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন শুরু করেছে বলে অনেক অভিভাবক জানিয়েছেন। এদিকে আলোকিত ফাউন্ডেশন কতৃক বৃত্তি প্রতারনার এ ঘটনায় চকরিয়া উপজেলার একাধিক অভিভাবক ও সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, আগের পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগ নিষ্পত্তি না করে এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা লঙ্ঘন করেঃ কীভাবে নতুন করে বৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে? অপরদিকে ইউএনওর নির্দেশনা মোতাবেক সবধরনের বেসরকারি বৃত্তি কার্যক্নম থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়ে রোববার ( ১ নভেম্বর) তারিখে চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার ১৪৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরুরি নোটিশ পাঠিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়গুলোকে জরুরি নোটিশ মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইউএনওর অনুমোদন যাচাই এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোনো ধরনের উদ্যোগ নেওয়া যাবে না বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। এব্যাপারে বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজক আলোকিত ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জাফর আমিন বলেন, ‘আমরা কক্সবাজারের সব জায়গায় বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করতেছি।’ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমোদন নেওয়া হচ্ছে এবং হবে। এরপর মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এবিষয়ে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার বলেন, ইতোপূর্বে বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করে অনেক প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারনা করেছে। এধরণের লিখিত অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত একটি প্রতিষ্ঠানকে ঘোষিত ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এখন থেকে ‘পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×