হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের ‘বার আউলিয়া’

সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার :

সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার :

বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থে…

দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে ‘এমভি বার আউলিয়া’ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করে।

প্রথম দিনেই জাহাজটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। জাহাজটিতে ২১ জন কর্মচারীসহ মোট ৩৭ জন আছেন বলে জানা গেছে। তবে জাহাজ কর্তৃপক্ষের দেওয়া ধারণক্ষমতার তথ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে।

অনুমোদন পাওয়া জাহাজগুলো হলো এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ। জাহাজ তিনটির মোট ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ায় ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলীতে ৭৩২ জন এবং এমভি টেকনাফে ৭১৬ জন যাত্রী পরিবহন করা যাবে বলে জাহাজ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভিন্নমত প্রকাশ করেছে।

সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, পর্যটকের সংখ্যা বিবেচনায় না নিয়ে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। প্রথম দিন এমভি বার আউলিয়ায় ৮ শতাধিক যাত্রী ছিলেন। জাহাজটি নিরাপদে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন

বৃহস্পতিবার একটি জাহাজ সেন্টমার্টিন যাচ্ছে, এক জাহাজে যাবেন সব টিকেট সংগ্রহকারীরা

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (টুয়াক) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম বলেন, সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকদের জন্য একমুখী জাহাজ ভাড়া সর্বনিম্ন ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ভাড়ার টিকিটে কেবিনের সুবিধা রয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরুর কথা ছিল। তবে নানা জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। বুধবার রাতে এমভি বার আউলিয়া সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের অনুমোদন পায়।

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজার থেকে যাত্রা শুরু করে সেন্টমার্টিন থেকে বেলা আড়াইটায় ফিরবে। এমভি কর্ণফুলী সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে গিয়ে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ফিরবে। অন্যদিকে এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে দ্বীপ থেকে বিকেল সাড়ে ৩টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে।

সরকারের সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের পাশাপাশি রাত্রিযাপন করতে পারবেন। তবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি পাবেন। প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। একই সঙ্গে ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

পর্যটকদের জন্য দ্বীপটি উন্মুক্ত করা হলেও পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বেশ কিছু বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা যাবে না। নিষিদ্ধ করা হয়েছে কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ ও কেনাবেচাও।

এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের কোনো ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলও নিষিদ্ধ রয়েছে।

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় সেন্টমার্টিন ভ্রমণে আগ্রহীদের মধ্যে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হবে বলে আশা করছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণে বেশ কিছু শর্ত মেনেই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের ‘বার আউলিয়া’ সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৫ নভ। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

anwar

anwar

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের ‘বার আউলিয়া’

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের ‘বার আউলিয়া’

প্রতিবেদক: সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার : | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
Print Image
দীর্ঘ ১০ মাস বন্ধ থাকার পর কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে ‘এমভি বার আউলিয়া’ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করে। প্রথম দিনেই জাহাজটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। জাহাজটিতে ২১ জন কর্মচারীসহ মোট ৩৭ জন আছেন বলে জানা গেছে। তবে জাহাজ কর্তৃপক্ষের দেওয়া ধারণক্ষমতার তথ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। অনুমোদন পাওয়া জাহাজগুলো হলো এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ। জাহাজ তিনটির মোট ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ায় ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলীতে ৭৩২ জন এবং এমভি টেকনাফে ৭১৬ জন যাত্রী পরিবহন করা যাবে বলে জাহাজ কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভিন্নমত প্রকাশ করেছে। সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, পর্যটকের সংখ্যা বিবেচনায় না নিয়ে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। প্রথম দিন এমভি বার আউলিয়ায় ৮ শতাধিক যাত্রী ছিলেন। জাহাজটি নিরাপদে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পৌঁছেছে। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (টুয়াক) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম বলেন, সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকদের জন্য একমুখী জাহাজ ভাড়া সর্বনিম্ন ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ভাড়ার টিকিটে কেবিনের সুবিধা রয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরুর কথা ছিল। তবে নানা জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। বুধবার রাতে এমভি বার আউলিয়া সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের অনুমোদন পায়। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজার থেকে যাত্রা শুরু করে সেন্টমার্টিন থেকে বেলা আড়াইটায় ফিরবে। এমভি কর্ণফুলী সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে গিয়ে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ফিরবে। অন্যদিকে এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে দ্বীপ থেকে বিকেল সাড়ে ৩টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে। সরকারের সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াতের পাশাপাশি রাত্রিযাপন করতে পারবেন। তবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি পাবেন। প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। একই সঙ্গে ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পর্যটকদের জন্য দ্বীপটি উন্মুক্ত করা হলেও পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বেশ কিছু বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন করা যাবে না। নিষিদ্ধ করা হয়েছে কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ ও কেনাবেচাও। এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের কোনো ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ সব ধরনের যানবাহন চলাচলও নিষিদ্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় সেন্টমার্টিন ভ্রমণে আগ্রহীদের মধ্যে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হবে বলে আশা করছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণে বেশ কিছু শর্ত মেনেই অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×