হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আমরা সবাই বাংলাদেশি, এটাই বড় পরিচয়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১২ অক্টোবর – বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সকল ধর্মের মর্মবাণী হচ্ছে দেশপ্রেম, শান্তি ও মানব কল্যাণ। আমি দৃঢভাবে বিশ্বাস করি হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নির্বিশেষে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার ও সুরক্ষার সমান সুযোগ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ‘এদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি, এটাই হোক আমাদের বড় পরিচয়।’

আরও পড়ুন

কক্সবাজার পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ২১ জন গ্রেপ্তার

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে আজ শনিবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আবহমানকাল ধরে শারদীয় দুর্গাপূজা বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। শরতে বাংলাদেশের চারিদিকে কাশফুল ও শীতের আভাস জানান দেয় এই উৎসবের বার্তা। কয়েক শতাব্দি ধরে উৎসবটি সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দুর্গাপূজা সবসময় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়। আর উৎসব হচ্ছে অন্ধকারে গহন থেকে আলোকের উদ্ভাসন।

উৎসব যে ধর্মেরই হোক, উৎসবের প্রাঙ্গণ সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, উৎসবের প্রাঙ্গনের দরজা কখনোই বন্ধ থাকে না। যে কোনো ধর্মীয় উৎসবই মানুষে মানুষে নিবিড় বন্ধন রচনা করে এবং সকলের মধ্যে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরিত হয়।

উৎপীড়ণ ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার মধ্য দিয়ে যারা সমাজকে, মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করতে চায়, প্রতিষ্ঠিত করতে চায় কুশাসন, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠাই এই উপাসনার অন্তর্নিহিত তাগিদ। সেই বাণীকে আত্মস্থ করেই দুর্গাপূজার উৎসবের আনন্দকে সকলে মিলে ভাগ করে নিতে হবে। কারণ, উৎসবের পরিসর সংকীর্ণ নয় বরং এটি উন্মুক্ত ও সর্বজনীন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি দৃঢভাবে বিশ্বাস করি হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নির্বিশেষে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার ও সুরক্ষার সমান সুযোগের অলঙ্ঘনীয় বিধান থাকতে হবে। আমাদের দেশ একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে জনগোষ্ঠীর সকল সম্প্রদায়কে অন্তর্ভুক্ত করে। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি যৌথ সম্প্রদায় গঠন করি, যেখানে ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়।’

তারেক রহমান দুর্গাপূজার এ উৎসবে সংশ্লিষ্ট সকলকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই উৎসবে প্রতিটি গৃহে শান্তি-সম্প্রীতি বয়ে আনার পাশাপাশি সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সংহতি আরও সম্প্রসারিত হোক।

সূত্র: আমাদের সময়
আইএ/ ১২ অক্টোবর ২০২৪


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আমরা সবাই বাংলাদেশি, এটাই বড় পরিচয়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আমরা সবাই বাংলাদেশি, এটাই বড় পরিচয়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১২ অক্টোবর – বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সকল ধর্মের মর্মবাণী হচ্ছে দেশপ্রেম, শান্তি ও মানব কল্যাণ। আমি দৃঢভাবে বিশ্বাস করি হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নির্বিশেষে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার ও সুরক্ষার সমান সুযোগ থাকতে হবে।তিনি বলেন, ‘এদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি, এটাই হোক আমাদের বড় পরিচয়।’হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে আজ শনিবার এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, আবহমানকাল ধরে শারদীয় দুর্গাপূজা বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। শরতে বাংলাদেশের চারিদিকে কাশফুল ও শীতের আভাস জানান দেয় এই উৎসবের বার্তা। কয়েক শতাব্দি ধরে উৎসবটি সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দুর্গাপূজা সবসময় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়। আর উৎসব হচ্ছে অন্ধকারে গহন থেকে আলোকের উদ্ভাসন।উৎসব যে ধর্মেরই হোক, উৎসবের প্রাঙ্গণ সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, উৎসবের প্রাঙ্গনের দরজা কখনোই বন্ধ থাকে না। যে কোনো ধর্মীয় উৎসবই মানুষে মানুষে নিবিড় বন্ধন রচনা করে এবং সকলের মধ্যে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগরিত হয়।উৎপীড়ণ ও প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার মধ্য দিয়ে যারা সমাজকে, মানব সভ্যতাকে ধ্বংস করতে চায়, প্রতিষ্ঠিত করতে চায় কুশাসন, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠাই এই উপাসনার অন্তর্নিহিত তাগিদ। সেই বাণীকে আত্মস্থ করেই দুর্গাপূজার উৎসবের আনন্দকে সকলে মিলে ভাগ করে নিতে হবে। কারণ, উৎসবের পরিসর সংকীর্ণ নয় বরং এটি উন্মুক্ত ও সর্বজনীন।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি দৃঢভাবে বিশ্বাস করি হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান নির্বিশেষে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের সমঅধিকার ও সুরক্ষার সমান সুযোগের অলঙ্ঘনীয় বিধান থাকতে হবে। আমাদের দেশ একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে জনগোষ্ঠীর সকল সম্প্রদায়কে অন্তর্ভুক্ত করে। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি যৌথ সম্প্রদায় গঠন করি, যেখানে ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়।’তারেক রহমান দুর্গাপূজার এ উৎসবে সংশ্লিষ্ট সকলকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই উৎসবে প্রতিটি গৃহে শান্তি-সম্প্রীতি বয়ে আনার পাশাপাশি সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সংহতি আরও সম্প্রসারিত হোক।সূত্র: আমাদের সময়আইএ/ ১২ অক্টোবর ২০২৪ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×