হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়ার ডুলাহাজারায় সর্বহারা প্রতিবন্ধী নারীর মাথাগোঁজার ঠাই বসতঘর পুড়ে ছাই

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০২৩, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক,চকরিয়া::

চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে স্বামী-সংসার, ভাই-বোন বিহীন এতিম বাকপ্রতিবন্ধী নারীর একমাত্র সম্বল বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মাথাগোঁজার ঠাঁই হারিয়ে বোবা কন্ঠে তার আর্তনাদে আশপাশের পরিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে।

শনিবার দিবাগত রাত আড়াই টার দিকে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড পশ্চিম মাইজপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনাটি ঘটে।

সর্বহারা নারী কামরুন নাহার (৪৫) ওই এলাকার মৃত মোজাফফর আহমদের কন্যা। বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত বলে ধারণা করছে এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন

কক্সবাজার পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ২১ জন গ্রেপ্তার

ভুক্তভোগী নারীর প্রতিবেশী ও মামাতো ভাই পল্লী বিদ্যুতের ইলেক্ট্রিশিয়ান নুরুল আলম জানান, শেষ সম্বল বসত ঘরটি পুড়ে গিয়ে এখন আরো নিঃস্ব হয়ে গেলেন অসহায় বোন কামরুন নাহার। এমনিতেই বাক প্রতিবন্ধী আর উপর কানেও কম শুনেন তিনি। বিগত পাঁচ বছর আগে তার মা মারা যান। এর আগে আগে মারা যান পিতা মোজাফফর আহমদ। তার বড় বোনের একই এলাকায় বিয়ে হয়। স্বামী সংসার নিয়ে তিনি সুন্দর জীবন যাপন করেন। বিগত বছর খানেক আগে একমাত্র বোনটাও মারা যায়। পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া মা-য়ের রেখা যাওয়া ছোট্ট ভিটেতে বসবাস করেন কামরুন নাহার। অসহায় হিসেবে প্রতিবেশী ও নিকটাত্মীয়রা সবাই তাকে সহযোগিতা করেন এবং তার সাথে কারো কোনপ্রকার শত্রুতা ছিলনা। মানুষের সহায়তায় কোনপ্রকার জীবনযাপন করছিলেন তিনি। শনিবার মাঝরাতে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে এলাকার লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। শেষ পর্যন্ত রক্ষা করা সম্ভব হয়নি তার বসতঘটি। সহায়সম্বল যা ছিল সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তার। দুটি কক্ষের একটি ছিল পরিত্যক্ত ও বিদ্যুতের সরঞ্জামাদি ছিল এলোমেলো। এগুলো অনেকবার ঠিকঠাক করে দেন বলেও জানান মামাতো ভাই নুরুল আলম। সেখানকার শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত বলে মনে করছেন তিনি।

ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াজ উদ্দিন সিপু জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যাই এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দিই। এলাকার লোকজন চেষ্টা করলেও ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই ঝুপড়ি ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মা-বাপ, ভাই-বোন, স্বামী-সংসার বিহীন এই অসহায় মহিলাটির মাথাগোঁজার ঠাই হারিয়ে এখন বোবা কন্ঠে শুধু কান্নাকাটি করে যাচ্ছে। পুড়ে যাওয়া বসতভিটায় আর্থনাদে এদিক-ওদিক ছুটাছুটি করছে এ নারী৷

ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আপাতত বসবাস উপযোগী বাড়ির জন্য সামগ্রী সমূহ পরিষদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অসহায় এ নারী আর্থিক সহায়তা পেতে বিভিন্ন দপ্তরে সুপারিশ করা হবে।##

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

চকরিয়ার ডুলাহাজারায় সর্বহারা প্রতিবন্ধী নারীর মাথাগোঁজার ঠাই বসতঘর পুড়ে ছাই

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়ার ডুলাহাজারায় সর্বহারা প্রতিবন্ধী নারীর মাথাগোঁজার ঠাই বসতঘর পুড়ে ছাই

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০২৩, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
Print Image
নিজস্ব প্রতিবেদক,চকরিয়া:: চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে স্বামী-সংসার, ভাই-বোন বিহীন এতিম বাকপ্রতিবন্ধী নারীর একমাত্র সম্বল বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মাথাগোঁজার ঠাঁই হারিয়ে বোবা কন্ঠে তার আর্তনাদে আশপাশের পরিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে। শনিবার দিবাগত রাত আড়াই টার দিকে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড পশ্চিম মাইজপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনাটি ঘটে। সর্বহারা নারী কামরুন নাহার (৪৫) ওই এলাকার মৃত মোজাফফর আহমদের কন্যা। বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত বলে ধারণা করছে এলাকাবাসী। ভুক্তভোগী নারীর প্রতিবেশী ও মামাতো ভাই পল্লী বিদ্যুতের ইলেক্ট্রিশিয়ান নুরুল আলম জানান, শেষ সম্বল বসত ঘরটি পুড়ে গিয়ে এখন আরো নিঃস্ব হয়ে গেলেন অসহায় বোন কামরুন নাহার। এমনিতেই বাক প্রতিবন্ধী আর উপর কানেও কম শুনেন তিনি। বিগত পাঁচ বছর আগে তার মা মারা যান। এর আগে আগে মারা যান পিতা মোজাফফর আহমদ। তার বড় বোনের একই এলাকায় বিয়ে হয়। স্বামী সংসার নিয়ে তিনি সুন্দর জীবন যাপন করেন। বিগত বছর খানেক আগে একমাত্র বোনটাও মারা যায়। পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া মা-য়ের রেখা যাওয়া ছোট্ট ভিটেতে বসবাস করেন কামরুন নাহার। অসহায় হিসেবে প্রতিবেশী ও নিকটাত্মীয়রা সবাই তাকে সহযোগিতা করেন এবং তার সাথে কারো কোনপ্রকার শত্রুতা ছিলনা। মানুষের সহায়তায় কোনপ্রকার জীবনযাপন করছিলেন তিনি। শনিবার মাঝরাতে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে এলাকার লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। শেষ পর্যন্ত রক্ষা করা সম্ভব হয়নি তার বসতঘটি। সহায়সম্বল যা ছিল সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তার। দুটি কক্ষের একটি ছিল পরিত্যক্ত ও বিদ্যুতের সরঞ্জামাদি ছিল এলোমেলো। এগুলো অনেকবার ঠিকঠাক করে দেন বলেও জানান মামাতো ভাই নুরুল আলম। সেখানকার শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সুত্রপাত বলে মনে করছেন তিনি। ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াজ উদ্দিন সিপু জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যাই এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দিই। এলাকার লোকজন চেষ্টা করলেও ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই ঝুপড়ি ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মা-বাপ, ভাই-বোন, স্বামী-সংসার বিহীন এই অসহায় মহিলাটির মাথাগোঁজার ঠাই হারিয়ে এখন বোবা কন্ঠে শুধু কান্নাকাটি করে যাচ্ছে। পুড়ে যাওয়া বসতভিটায় আর্থনাদে এদিক-ওদিক ছুটাছুটি করছে এ নারী৷ ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আপাতত বসবাস উপযোগী বাড়ির জন্য সামগ্রী সমূহ পরিষদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অসহায় এ নারী আর্থিক সহায়তা পেতে বিভিন্ন দপ্তরে সুপারিশ করা হবে।##

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×