হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সেই নূর মোহাম্মদ,আজ নিজের পায়ে হাঁটছেন!

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া ::

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া ::

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: দেড় মাস আগেও জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন নূর মোহাম্মদ। শরীরে তখন চামড়া আর হাড় ছাড়া যেন আর কিছুই নেই। অসুস্থতা ও অপুষ্টিতে ভেঙে পড়া সেই মানুষের ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে।…

দেড় মাস আগেও জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন নূর মোহাম্মদ। শরীরে তখন চামড়া আর হাড় ছাড়া যেন আর কিছুই নেই।

অসুস্থতা ও অপুষ্টিতে ভেঙে পড়া সেই মানুষের ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। ছবিটি দেখে মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসেন পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান।

যোগাযোগের পর নূর মোহাম্মদকে ভর্তি করা হয় পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। শুরু হয় তার চিকিৎসা ও পরিচর্যার নতুন অধ্যায়।

হাসপাতালের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. মহিউদ্দিন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তাহমিদুল ইসলামসহ অন্যান্য মেডিকেল অফিসার এবং নার্সিং কর্মকর্তারা নিবিড়ভাবে তার চিকিৎসা ও পরিচর্যা করেন। চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত সেবায় ধীরে ধীরে নূর মোহাম্মদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

তবে তার শারীরিক অবস্থা ছিল জটিল। আরও উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. মহিউদ্দিনের তত্ত্বাবধানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেখানে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নূর মোহাম্মদের শরীরে ডায়াবেটিসের পাশাপাশি ডিসেমিনেটেড টিবি শনাক্ত হয়। অর্থাৎ যক্ষ্মা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছিল।

শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগের চিকিৎসা। বর্তমানে নূর মোহাম্মদ ডায়াবেটিস ও টিবির চিকিৎসা নিচ্ছেন পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধানে।

আর চিকিৎসার সুফলও এখন দৃশ্যমান। নূর মোহাম্মদের সুস্থতার পথে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তটি আসে গত পরশু।

যে দৃশ্য চিকিৎসকদের চোখে এনে দিল আনন্দের অশ্রু। গত এক সপ্তাহ আগে নিজের পায়ে হেঁটে তিনি চিকিৎসকের অফিসে এসে দেখা করেন!

দেড় মাস আগে যে মানুষটির ছবি দেখে মনে হয়েছিল, তিনি হয়তো জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছেন আজ সেই মানুষটি নিজের পায়ে হেঁটে চিকিৎসকের কাছে এসেছেন। তার এই পরিবর্তন চিকিৎসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য এক অনন্য আনন্দের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।

নূর মোহাম্মদের এই গল্প শুধু একজন রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প নয়। এটি মানবিকতার গল্প, চিকিৎসকদের আন্তরিকতার গল্প এবং একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখানোর গল্প।

এই মহৎ উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছেন পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান। তার উদ্যোগে নূর মোহাম্মদ চিকিৎসার সুযোগ পান এবং ধীরে ধীরে ফিরে পাচ্ছেন স্বাভাবিক জীবনের আশা।

তার চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. মহিউদ্দিন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তাহমিদুল ইসলামসহ অন্যান্য চিকিৎসক, মেডিকেল অফিসার ও নার্সিং কর্মকর্তারা। নূর মোহাম্মদ যেন দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন এ জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন ডা.মুজিবুর রহমান।

একই সঙ্গে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত সকলের জন্যও দোয়া কামনা করা হয়েছে যেন তারা সুস্থ থেকে ভবিষ্যতে আরও অনেক অসহায়, নিঃস্ব ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন। ডাক্তার মুজিবুর রহমান বলেন, নূর মোহাম্মদের অসুস্থতার খবর ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে আমরা তার চিকিৎসার উদ্যোগ নিই।

তাকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যা শুরু করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বর্তমানে চিকিৎসার ফলে তার শারীরিক অবস্থার দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। দেড় মাস আগের গুরুতর অবস্থার রোগীটি এখন নিজের পায়ে হেঁটে চিকিৎসকের কাছে এসেছেন এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।

তিন বলেন, নূর মোহাম্মদের এই উন্নতি প্রমাণ করে, সময়মতো চিকিৎসা ও মানবিক সহযোগিতা একজন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। তার চিকিৎসায় যারা সরাসরি যুক্ত ছিলেন চিকিৎসক, মেডিকেল অফিসার, নার্সিং কর্মকর্তা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

নূর মোহাম্মদের সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য আমরা সবার কাছে দোয়া কামনা করছি। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও যেন অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি, সে জন্য সবার দোয়া চাই।

হয়তো একটি উদ্যোগই বদলে দিতে পারে একটি জীবন। একটু মানবিকতাই ফিরিয়ে দিতে পারে একজন মানুষকে তার বেঁচে থাকার স্বপ্ন।

নূর মোহাম্মদের গল্প তাই শুধু সুস্থতার গল্প নয় এটি মানবতার জয়ের গল্প।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সেই নূর মোহাম্মদ,আজ নিজের পায়ে হাঁটছেন! সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: দেড় মাস আগেও জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন নূর মোহাম্মদ। শরীরে তখন চামড়া আর হাড় ছাড়া যেন আর কিছুই নেই। অসুস্থতা ও অপুষ্টিতে ভেঙে পড়া সে। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সেই নূর মোহাম্মদ,আজ নিজের পায়ে হাঁটছেন!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সেই নূর মোহাম্মদ,আজ নিজের পায়ে হাঁটছেন!

প্রতিবেদক: নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া :: | প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
Print Image
দেড় মাস আগেও জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন নূর মোহাম্মদ। শরীরে তখন চামড়া আর হাড় ছাড়া যেন আর কিছুই নেই। অসুস্থতা ও অপুষ্টিতে ভেঙে পড়া সেই মানুষের ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। ছবিটি দেখে মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসেন পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান। যোগাযোগের পর নূর মোহাম্মদকে ভর্তি করা হয় পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। শুরু হয় তার চিকিৎসা ও পরিচর্যার নতুন অধ্যায়। হাসপাতালের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. মহিউদ্দিন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তাহমিদুল ইসলামসহ অন্যান্য মেডিকেল অফিসার এবং নার্সিং কর্মকর্তারা নিবিড়ভাবে তার চিকিৎসা ও পরিচর্যা করেন। চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত সেবায় ধীরে ধীরে নূর মোহাম্মদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে। তবে তার শারীরিক অবস্থা ছিল জটিল। আরও উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. মহিউদ্দিনের তত্ত্বাবধানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নূর মোহাম্মদের শরীরে ডায়াবেটিসের পাশাপাশি ডিসেমিনেটেড টিবি শনাক্ত হয়। অর্থাৎ যক্ষ্মা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছিল। শুরু হয় দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগের চিকিৎসা। বর্তমানে নূর মোহাম্মদ ডায়াবেটিস ও টিবির চিকিৎসা নিচ্ছেন পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তত্ত্বাবধানে। আর চিকিৎসার সুফলও এখন দৃশ্যমান। নূর মোহাম্মদের সুস্থতার পথে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তটি আসে গত পরশু। যে দৃশ্য চিকিৎসকদের চোখে এনে দিল আনন্দের অশ্রু। গত এক সপ্তাহ আগে নিজের পায়ে হেঁটে তিনি চিকিৎসকের অফিসে এসে দেখা করেন! দেড় মাস আগে যে মানুষটির ছবি দেখে মনে হয়েছিল, তিনি হয়তো জীবনের শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছেন আজ সেই মানুষটি নিজের পায়ে হেঁটে চিকিৎসকের কাছে এসেছেন। তার এই পরিবর্তন চিকিৎসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য এক অনন্য আনন্দের মুহূর্ত হয়ে ওঠে। নূর মোহাম্মদের এই গল্প শুধু একজন রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প নয়। এটি মানবিকতার গল্প, চিকিৎসকদের আন্তরিকতার গল্প এবং একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখানোর গল্প। এই মহৎ উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছেন পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুজিবুর রহমান। তার উদ্যোগে নূর মোহাম্মদ চিকিৎসার সুযোগ পান এবং ধীরে ধীরে ফিরে পাচ্ছেন স্বাভাবিক জীবনের আশা। তার চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. মহিউদ্দিন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তাহমিদুল ইসলামসহ অন্যান্য চিকিৎসক, মেডিকেল অফিসার ও নার্সিং কর্মকর্তারা। নূর মোহাম্মদ যেন দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন এ জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন ডা.মুজিবুর রহমান। একই সঙ্গে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত সকলের জন্যও দোয়া কামনা করা হয়েছে যেন তারা সুস্থ থেকে ভবিষ্যতে আরও অনেক অসহায়, নিঃস্ব ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন। ডাক্তার মুজিবুর রহমান বলেন, নূর মোহাম্মদের অসুস্থতার খবর ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে আমরা তার চিকিৎসার উদ্যোগ নিই। তাকে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যা শুরু করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে চিকিৎসার ফলে তার শারীরিক অবস্থার দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। দেড় মাস আগের গুরুতর অবস্থার রোগীটি এখন নিজের পায়ে হেঁটে চিকিৎসকের কাছে এসেছেন এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। তিন বলেন, নূর মোহাম্মদের এই উন্নতি প্রমাণ করে, সময়মতো চিকিৎসা ও মানবিক সহযোগিতা একজন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। তার চিকিৎসায় যারা সরাসরি যুক্ত ছিলেন চিকিৎসক, মেডিকেল অফিসার, নার্সিং কর্মকর্তা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। নূর মোহাম্মদের সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য আমরা সবার কাছে দোয়া কামনা করছি। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও যেন অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি, সে জন্য সবার দোয়া চাই। হয়তো একটি উদ্যোগই বদলে দিতে পারে একটি জীবন। একটু মানবিকতাই ফিরিয়ে দিতে পারে একজন মানুষকে তার বেঁচে থাকার স্বপ্ন। নূর মোহাম্মদের গল্প তাই শুধু সুস্থতার গল্প নয় এটি মানবতার জয়ের গল্প।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×