হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

দেশের অর্থনীতি বাঁচাতে চাষবাসে নামছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী!

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:৫৮ অপরাহ্ন


ইসলামবাদ, ২৭ জানুয়ারি – গেল কয়েক বছর ধরে পাকিস্তান যে অর্থনৈতিক দুর্দশা ও খাদ্যসংকটের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে তা মোকাবিলা করতেই চাষাবাদে নামছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ইতোমধ্যে তারা কর্পোরেট ফার্মিংয়ের কাজ শুরু করেছে।

গত ২০ জানুয়ারি এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সৌদি গণমাধ্যম আরব নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঞ্জাব এবং সিন্ধু প্রদেশে কর্পোরেট ফার্মিং শুরু করছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। এর জন্য সম্প্রতি ‘মেসার্স গ্রিন প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে এক সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের চুক্তি করেছে পাক সেনা।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পাকিস্তানের অর্থনীতির হাল ফেরাতে যে ‘স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট ফেসিলিটেশন কাউন্সিল’ তৈরি করা হয়েছে, সেই কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানেই এই প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রকল্পের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জেলা প্রশাসকরা প্রায় ৫২ হাজার ৭১৩ একর অনুর্বর জমি চিহ্নিত করেছেন। ২০ বছরের জন্য ওই জমি সেনাবাহিনীকে লিজ দেওয়া হবে। তা দেখা-শোনা থেকে শুরু করে সমস্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে বাহিনীর হাতে, তবে জমির মালিকানা সরকারের কাছেই থাকবে।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

আরও বলা হয়েছে, গ্রিন করপোরেট ইনিশিয়েটিভ লিমিটেড লাভের ২০ শতাংশ স্থানীয় এলাকায় গবেষণা এবং উন্নয়নে ব্যয় করবে। ৪০ শতাংশ সরাসরি যাবে সরকারের ঘরে। লাভের অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ স্থানীয় পরিকাঠামো, সেচ, সৌরচালিত পানি সরবরাহ প্রকল্প, স্কুল, হাসপাতালের মতো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে ব্যয় করা হবে।

তবে কৃষিকাজ ছাড়া অন্য কাজে এই জমি ব্যবহার করতে পারবে না পাক সেনারা। চাষের পাশাপাশি ওই জমিতে কোনো ব্যবসা বা অন্য কার্যকলাপের অনুমতি নেই। জমি অধিগ্রহণের আগে তা খুঁটিয়ে জরিপ করা হবে। জমিটি কোনো সংরক্ষিত জমি কি না কিংবা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থান, জনবসতিপূর্ণ এলাকা, ম্যানগ্রোভ অরণ্য, বনভূমি, চারণভূমি, কবরস্থান, ঐতিহাসিক পানিপথের মধ্যে পড়ে কি না, তা দেখা হবে।

স্থানীয় জনগণ যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার জন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রকল্পের জন্য একটি পরিচালন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পরিকল্পনা কার্যকর করার জন্য এই বোর্ডের সদস্যরাই সব সিদ্ধান্ত নেবেন।

কয়েক বছর ধরেই একটানা অর্থনৈতিক মন্দায় ভুগছে পাকিস্তান। পাকিস্তানি মুদ্রার দাম একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়েছে। আর এর সঙ্গে রয়েছে রাজনৈতিক সংকট। এই জোড়া সংকটে বেহাল দশা পাকিস্তানের। তা সামাল দিতে এই নয়া উদ্যোগ কতটা সফল হবে তা সময়ই বলে দেবে।

জিডিপির বিচারে পাকিস্তান বিশ্বে ৪২তম। অথচ সামরিক শক্তির দিক থেকে তালিকার প্রথম দিকেই দেশটি (৭ম)। যা ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি ও ইসরাইলের মতো দেশগুলোর চেয়েও ওপরে। পাকিস্তানের সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন হলো সেই দেশের সেনাবাহিনী।

সূত্র: বিডি-প্রতিদিন
আইএ/ ২৭ জানুয়ারি ২০২৪




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

দেশের অর্থনীতি বাঁচাতে চাষবাসে নামছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

দেশের অর্থনীতি বাঁচাতে চাষবাসে নামছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী!

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ইসলামবাদ, ২৭ জানুয়ারি – গেল কয়েক বছর ধরে পাকিস্তান যে অর্থনৈতিক দুর্দশা ও খাদ্যসংকটের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে তা মোকাবিলা করতেই চাষাবাদে নামছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। ইতোমধ্যে তারা কর্পোরেট ফার্মিংয়ের কাজ শুরু করেছে।গত ২০ জানুয়ারি এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সৌদি গণমাধ্যম আরব নিউজ।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঞ্জাব এবং সিন্ধু প্রদেশে কর্পোরেট ফার্মিং শুরু করছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। এর জন্য সম্প্রতি ‘মেসার্স গ্রিন প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে এক সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের চুক্তি করেছে পাক সেনা।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পাকিস্তানের অর্থনীতির হাল ফেরাতে যে ‘স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট ফেসিলিটেশন কাউন্সিল’ তৈরি করা হয়েছে, সেই কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানেই এই প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রকল্পের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জেলা প্রশাসকরা প্রায় ৫২ হাজার ৭১৩ একর অনুর্বর জমি চিহ্নিত করেছেন। ২০ বছরের জন্য ওই জমি সেনাবাহিনীকে লিজ দেওয়া হবে। তা দেখা-শোনা থেকে শুরু করে সমস্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে বাহিনীর হাতে, তবে জমির মালিকানা সরকারের কাছেই থাকবে।আরও বলা হয়েছে, গ্রিন করপোরেট ইনিশিয়েটিভ লিমিটেড লাভের ২০ শতাংশ স্থানীয় এলাকায় গবেষণা এবং উন্নয়নে ব্যয় করবে। ৪০ শতাংশ সরাসরি যাবে সরকারের ঘরে। লাভের অবশিষ্ট ৪০ শতাংশ স্থানীয় পরিকাঠামো, সেচ, সৌরচালিত পানি সরবরাহ প্রকল্প, স্কুল, হাসপাতালের মতো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে ব্যয় করা হবে।তবে কৃষিকাজ ছাড়া অন্য কাজে এই জমি ব্যবহার করতে পারবে না পাক সেনারা। চাষের পাশাপাশি ওই জমিতে কোনো ব্যবসা বা অন্য কার্যকলাপের অনুমতি নেই। জমি অধিগ্রহণের আগে তা খুঁটিয়ে জরিপ করা হবে। জমিটি কোনো সংরক্ষিত জমি কি না কিংবা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্থান, জনবসতিপূর্ণ এলাকা, ম্যানগ্রোভ অরণ্য, বনভূমি, চারণভূমি, কবরস্থান, ঐতিহাসিক পানিপথের মধ্যে পড়ে কি না, তা দেখা হবে।স্থানীয় জনগণ যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার জন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই প্রকল্পের জন্য একটি পরিচালন বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পরিকল্পনা কার্যকর করার জন্য এই বোর্ডের সদস্যরাই সব সিদ্ধান্ত নেবেন।কয়েক বছর ধরেই একটানা অর্থনৈতিক মন্দায় ভুগছে পাকিস্তান। পাকিস্তানি মুদ্রার দাম একেবারে তলানিতে ঠেকেছে। জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়েছে। আর এর সঙ্গে রয়েছে রাজনৈতিক সংকট। এই জোড়া সংকটে বেহাল দশা পাকিস্তানের। তা সামাল দিতে এই নয়া উদ্যোগ কতটা সফল হবে তা সময়ই বলে দেবে।জিডিপির বিচারে পাকিস্তান বিশ্বে ৪২তম। অথচ সামরিক শক্তির দিক থেকে তালিকার প্রথম দিকেই দেশটি (৭ম)। যা ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি ও ইসরাইলের মতো দেশগুলোর চেয়েও ওপরে। পাকিস্তানের সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন হলো সেই দেশের সেনাবাহিনী।সূত্র: বিডি-প্রতিদিনআইএ/ ২৭ জানুয়ারি ২০২৪ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×