কক্সবাজারের পেকুয়ায় গরু চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বর্তমান জাসাস নেতা খোরশেদ মাহমুদ রোমিও।
সোমবার ভোর রাতে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউনুস সওদাগরের বাড়ি থেকে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
আটক মগনামা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ মাহমুদ রোমিও একই ইউপির মাঝির পাড়া এলাকার মোহাম্মদ রশিদের ছেলে ও বর্তমান জাসাস উপজেলা শাখার সদস্য।
রোমিও জনতার হাতে আটকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার হলে দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে। অন্য একজনকে সাথে নিয়ে গরু চুরি করতে যাওয়ার কথা শিকার করেন তিনি।
টেকনাফে সিএনজির বিশেষ চেম্বার থেকে ১৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক
জানা গেছে, বিগত সময়ে ছাত্রদল করাকালীন তার বিরুদ্ধে অহরহ চুরির অভিযোগ থাকলেও বর্তমানে টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ ভাগিয়ে নেন। পদ পাওয়ার পর চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ নিরহ লোকদের উপর নির্যাতনের অহরহ অভিযোগ থাকলেও আদৃশ্য কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি সংগঠনটির নেতারা। যার কারণে বেপরোয়া হয়ে এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটাতে সংঘবদ্ধ চোরের দল গঠন করেন। মগনামা ও আশেপাশের এলাকায় প্রতিদিন গরু, ছাগল, মোবাইলসহ বাড়ির দামি জিনিসপত্র চুরির ঘটনায় নেতৃত্ব দিয়ে গিয়ে ভোরে জনতার হাতে আটক হলে পুরো উপজেলার সাধারণ নাগরিকদের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। তাকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও অহরহ চুরির তথ্য বের হবে এমন আশা ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর।
স্থানীয়রা ভুক্তভোগী ইউনুস জানান, রোমিও একজন পেশাদার চোর। এর আগেও বেশ কয়েকবার চুরির ঘটনায় ধরা পড়েছে। এই রকম একজন চোরকে বিএনপির মত একটি দলে কিভাবে জায়গা পায়।
তিনি আরো জানান, আর কখনো চুরি করবেনা এমন মোচলেকা পরিবারের পক্ষ থেকে দেয়ায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) পেকুয়া উপজেলা শাখার সদস্য সচিব নুরুল হুদা আজাদ জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এমন একটি ভিডিও নজরে এসেছে। তাৎক্ষনিকভাবে জেলা কমিটির শীর্ষ নেতাদের সাথে আলাপ হয়েছে। ব্যক্তির অপরাধ কখনো সংগঠন বহন করবেনা। তাকে দ্রুত বহিস্কার করা হবে।




মন্তব্য করুন