হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বন্যা-পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে পুনর্বাসনই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য- চকরিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া::

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন

অবিরাম ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতবিক্ষত কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ সমন্বয় কমিটির আহবায়ক বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকালে তিনি চকরিয়া উপজেলার বন্যাদুর্গত বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। পরিদর্শন শেষে তিনি বরইতলী ইউনিয়নের বুড়ির দোকান এলাকায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত বানবাসি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

একইসঙ্গে তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চকরিয়া উপজেলার পক্ষ থেকেহাইজিন কীট, জেরিক্যান, পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট বিতরন করা হয়।

চকরিয়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এসময় তিনি বলেন, অতীতে যেভাবে কক্সবাজারে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে,বর্তমান সরকারের আমলে তা আর চলতে দেওয়া হবে না। পাহাড়খেকো বালু-মাটি লুটেরা চক্র যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্যা পরিস্থিতি অবনতির প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী অমিত হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাছ চাষের অজুহাতে কোথাও সুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হলে ,বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

আরও পড়ুন

কক্সবাজার পৌরসভাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ২১ জন গ্রেপ্তার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের দেশ পরিচালনায় আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য শুধু ত্রাণ নয়, সরকার একইসঙ্গে চকরিয়া পেকুয়া মাতামুহুরী উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, বেড়িবাঁধ, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দিরসহ সব ধরনের অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। পাশাপাশি দুর্গত জনপদের কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু এবং প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির তালিকা তৈরি করে দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন,বন্যার পানি এলাকা থেকে পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে।

চকরিয়া উপজেলায় বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব, চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি অভিজিৎ দাশ, চকরিয়া থানার ওসি মোঃ আরিফুর রহমান, চকরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) দিলীপ দে, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর চকরিয়া উপজেলা কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী ইখতেহারুল আলম, উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আল আমিন বিশ্বাস, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আবদুর রহিম, বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছালেকুজ্জামান, সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা জালাল আহমদ সিকদার, শাহীন মুরাদ সহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। #

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

বন্যা-পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে পুনর্বাসনই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য- চকরিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বন্যা-পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে পুনর্বাসনই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য- চকরিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

প্রতিবেদক: এম জিয়াবুল হক, চকরিয়া:: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
Print Image
অবিরাম ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতবিক্ষত কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ সমন্বয় কমিটির আহবায়ক বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকালে তিনি চকরিয়া উপজেলার বন্যাদুর্গত বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। পরিদর্শন শেষে তিনি বরইতলী ইউনিয়নের বুড়ির দোকান এলাকায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত বানবাসি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। একইসঙ্গে তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চকরিয়া উপজেলার পক্ষ থেকেহাইজিন কীট, জেরিক্যান, পানি বিশুদ্ধ করন ট্যাবলেট বিতরন করা হয়। চকরিয়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এসময় তিনি বলেন, অতীতে যেভাবে কক্সবাজারে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে,বর্তমান সরকারের আমলে তা আর চলতে দেওয়া হবে না। পাহাড়খেকো বালু-মাটি লুটেরা চক্র যতই প্রভাবশালী হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্যা পরিস্থিতি অবনতির প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী অমিত হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, মাছ চাষের অজুহাতে কোথাও সুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হলে ,বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের দেশ পরিচালনায় আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য শুধু ত্রাণ নয়, সরকার একইসঙ্গে চকরিয়া পেকুয়া মাতামুহুরী উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, বেড়িবাঁধ, শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দিরসহ সব ধরনের অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। পাশাপাশি দুর্গত জনপদের কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু এবং প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির তালিকা তৈরি করে দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন,বন্যার পানি এলাকা থেকে পুরোপুরি নেমে যাওয়ার পর সরকারি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে। চকরিয়া উপজেলায় বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণকালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুপায়ন দেব, চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি অভিজিৎ দাশ, চকরিয়া থানার ওসি মোঃ আরিফুর রহমান, চকরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) দিলীপ দে, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর চকরিয়া উপজেলা কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী ইখতেহারুল আলম, উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আল আমিন বিশ্বাস, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আবদুর রহিম, বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছালেকুজ্জামান, সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা জালাল আহমদ সিকদার, শাহীন মুরাদ সহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। #

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×