হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মহেশখালীতে দেবরের লাঠির আঘাতে ভাবির মৃত্যু

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন

গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের মহেশখালী::

দেশের পাহাড়ি দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মারামারির ঘটনায় দেবরের লাঠির আঘাতে ভাবি কিরঙ্গ বালা ঘোষ (৬০) এর মৃত্যু হয়েছে।

১৩ আগস্ট শনিবার দিবাগত রাত অনুমান ১টার দিকে মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের বড়ছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কিরঙ্গ বালা ঘোষ ওই গ্রামের মৃত রতন ঘোষের স্ত্রী
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কিরঙ্গ বালা ঘোষের ছেলে সনজিত ঘোষ (৪২) ও সুমন ঘোষ (৩০)।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

সন্তোষ ঘোষ জানান- পৈত্রিক বসতভিটার জমি নিয়ে চাচা বিভীষণ ঘোষ ও অখিল ঘোষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে গতকাল রাত ১টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়।

এ সময় আমার ভাই সঞ্জীব ঘোষ ও সুমন ঘোষকে কুপিয়ে আহত করে। ঘটনাস্থলে আমার মা কিরঙ্গ বালা ঘোষ ছেলেদের রক্ষা করতে আসলে তাকেও লাঠি ও লোহার রোড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে।

পরে আহত অবস্থায় মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তার মাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গতকাল দিবাগত রাতে কিরঙ্গ বালা এবং তার দুই ছেলে সনজিত ও সুমনকে হাসপাতালে আনা হয়। কিরঙ্গ বালাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন, সনজিতের মাথায় ও বাম হাতের আঙ্গুলে জখম রয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আশেক ইলাহী জানান-উভয়পক্ষ আত্মীয়,জমির সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মারামারির ঘটনা ঘটে। সেখানে ছেলেদের উদ্ধার করতে গিয়ে লাঠির আঘাতে বৃদ্ধা অজ্ঞান হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে ঘাতকদের পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছে।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রনব চৌধুরী বলেন- মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনো এজাহার জমা দেয়নি স্বজনরা। এজাহার পেলে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

মহেশখালীতে দেবরের লাঠির আঘাতে ভাবির মৃত্যু

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মহেশখালীতে দেবরের লাঠির আঘাতে ভাবির মৃত্যু

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
Print Image
গাজী মোহাম্মদ আবু তাহের মহেশখালী:: দেশের পাহাড়ি দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মারামারির ঘটনায় দেবরের লাঠির আঘাতে ভাবি কিরঙ্গ বালা ঘোষ (৬০) এর মৃত্যু হয়েছে। ১৩ আগস্ট শনিবার দিবাগত রাত অনুমান ১টার দিকে মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের বড়ছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কিরঙ্গ বালা ঘোষ ওই গ্রামের মৃত রতন ঘোষের স্ত্রী এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কিরঙ্গ বালা ঘোষের ছেলে সনজিত ঘোষ (৪২) ও সুমন ঘোষ (৩০)। সন্তোষ ঘোষ জানান- পৈত্রিক বসতভিটার জমি নিয়ে চাচা বিভীষণ ঘোষ ও অখিল ঘোষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে গতকাল রাত ১টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় আমার ভাই সঞ্জীব ঘোষ ও সুমন ঘোষকে কুপিয়ে আহত করে। ঘটনাস্থলে আমার মা কিরঙ্গ বালা ঘোষ ছেলেদের রক্ষা করতে আসলে তাকেও লাঠি ও লোহার রোড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। পরে আহত অবস্থায় মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক তার মাকে মৃত ঘোষণা করেন। মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গতকাল দিবাগত রাতে কিরঙ্গ বালা এবং তার দুই ছেলে সনজিত ও সুমনকে হাসপাতালে আনা হয়। কিরঙ্গ বালাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন, সনজিতের মাথায় ও বাম হাতের আঙ্গুলে জখম রয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আশেক ইলাহী জানান-উভয়পক্ষ আত্মীয়,জমির সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মারামারির ঘটনা ঘটে। সেখানে ছেলেদের উদ্ধার করতে গিয়ে লাঠির আঘাতে বৃদ্ধা অজ্ঞান হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে ঘাতকদের পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছে। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রনব চৌধুরী বলেন- মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনো এজাহার জমা দেয়নি স্বজনরা। এজাহার পেলে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×