হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মাদক ও অবৈধ পণ্য ঠেকাতে কক্সবাজার রেল স্টেশনে বসলো স্ক্যানার

নিজস্ব প্রতিবেদক::

নিজস্ব প্রতিবেদক::

সোমবার, ৪ আগস্ট ২০২৫, ১০:৪৯ অপরাহ্ন

রেলভিত্তিক অপরাধ রোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্য ঠেকাতে কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশনে বসানো হয়েছে লাগেজ স্ক্যানার মেশিন।

সোমবার সকাল থেকে মেশিনটির মাধ্যমে হয় যাত্রীদের মালামাল স্ক্যানিং কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী।

দেশের রেল স্টেশনগুলির মধ্যে কক্সবাজারেই প্রথম এ কার্যক্রম চালু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “দেশের প্রথম রেলস্টেশন হিসেবে কক্সবাজারেই আজ (সোমবার) থেকে স্ক্যানার চালু করা হয়েছে। আমেরিকা থেকে তিনটি স্ক্যানার আনা হয়েছে। যার একটি কক্সবাজারে বসানো হয়েছে। আর দুইটি বসানো হবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে।”

সোমবার প্রথমদিনে দেখা গেছে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে স্ক্যানিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মূল স্টেশনের প্রবেশমুখে ট্রেনে ওঠার আগে স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে হচ্ছে যাত্রীদের। স্ক্যানিং করার সময় কোনো ধরণের সন্দেহজনক বস্তু শনাক্ত হলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ খুলে তা দেখছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

আরও পড়ুন

টেকনাফে সিএনজির বিশেষ চেম্বার থেকে ১৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক

যাত্রী রোহান উদ্দিন বলেন, “এটা ভালো দিক। তবে যেন অহেতুক হয়রানি না হয়, সেটাও দেখতে হবে। নতুন এই উদ্যোগ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।”

স্টেশন মাস্টার রব্বানী বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ ব্র্যান্ডের এই মেশিনে ওষুধ জাতীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে যেকোনো আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও চোরাইপণ্য শনাক্ত করা যাবে। মেশিনে নির্দিষ্ট কিছু বস্তুর উপর শনাক্ত চিহ্ন রয়েছে, শনাক্ত হওয়া ব্যাগই শুধু তল্লাশী করা হচ্ছে। তবে যাত্রীদের বিড়ম্বনা সৃষ্টি না হয় সেদিকটাও খেয়াল রাখা হচ্ছে।”

ভোগান্তি এড়াতে যাত্রীদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “যাতে দুর্ভোগের শিকার না হয় সেজন্য ট্রেন ছাড়ার অন্তত আধা-ঘণ্টা আগেই স্টেশনে প্রবেশ করতে হবে যাত্রীদের।”

গোলাম রব্বানী বলেন, “কক্সবাজার থেকে মাদক ও চোরাচালান বেড়েছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। রেলস্টেশনে লাগেজ স্ক্যানিং চালু হওয়ায় ট্রেনভিত্তিক অপরাধ রোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্যের প্রবাহ ঠেকানো সহজ হবে।”

কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দেরপাড়ায় ঝিনুক আকৃতির আইকনিক রেল স্টেশন থেকে ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

বর্তমানে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন এবং কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন এ স্টেশন থেকে চলাচল করছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

মাদক ও অবৈধ পণ্য ঠেকাতে কক্সবাজার রেল স্টেশনে বসলো স্ক্যানার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মাদক ও অবৈধ পণ্য ঠেকাতে কক্সবাজার রেল স্টেশনে বসলো স্ক্যানার

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক:: | প্রকাশিত: সোমবার, ৪ আগস্ট ২০২৫, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
Print Image
রেলভিত্তিক অপরাধ রোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্য ঠেকাতে কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশনে বসানো হয়েছে লাগেজ স্ক্যানার মেশিন। সোমবার সকাল থেকে মেশিনটির মাধ্যমে হয় যাত্রীদের মালামাল স্ক্যানিং কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী। দেশের রেল স্টেশনগুলির মধ্যে কক্সবাজারেই প্রথম এ কার্যক্রম চালু হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “দেশের প্রথম রেলস্টেশন হিসেবে কক্সবাজারেই আজ (সোমবার) থেকে স্ক্যানার চালু করা হয়েছে। আমেরিকা থেকে তিনটি স্ক্যানার আনা হয়েছে। যার একটি কক্সবাজারে বসানো হয়েছে। আর দুইটি বসানো হবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে।” সোমবার প্রথমদিনে দেখা গেছে, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা বাহিনী যৌথভাবে স্ক্যানিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মূল স্টেশনের প্রবেশমুখে ট্রেনে ওঠার আগে স্ক্যানার মেশিনে ব্যাগ রাখতে হচ্ছে যাত্রীদের। স্ক্যানিং করার সময় কোনো ধরণের সন্দেহজনক বস্তু শনাক্ত হলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ খুলে তা দেখছেন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। যাত্রী রোহান উদ্দিন বলেন, “এটা ভালো দিক। তবে যেন অহেতুক হয়রানি না হয়, সেটাও দেখতে হবে। নতুন এই উদ্যোগ যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।” স্টেশন মাস্টার রব্বানী বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্স’ ব্র্যান্ডের এই মেশিনে ওষুধ জাতীয় দ্রব্য থেকে শুরু করে যেকোনো আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও চোরাইপণ্য শনাক্ত করা যাবে। মেশিনে নির্দিষ্ট কিছু বস্তুর উপর শনাক্ত চিহ্ন রয়েছে, শনাক্ত হওয়া ব্যাগই শুধু তল্লাশী করা হচ্ছে। তবে যাত্রীদের বিড়ম্বনা সৃষ্টি না হয় সেদিকটাও খেয়াল রাখা হচ্ছে।” ভোগান্তি এড়াতে যাত্রীদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “যাতে দুর্ভোগের শিকার না হয় সেজন্য ট্রেন ছাড়ার অন্তত আধা-ঘণ্টা আগেই স্টেশনে প্রবেশ করতে হবে যাত্রীদের।” গোলাম রব্বানী বলেন, “কক্সবাজার থেকে মাদক ও চোরাচালান বেড়েছে, যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। রেলস্টেশনে লাগেজ স্ক্যানিং চালু হওয়ায় ট্রেনভিত্তিক অপরাধ রোধ, মাদক ও অবৈধ পণ্যের প্রবাহ ঠেকানো সহজ হবে।” কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দেরপাড়ায় ঝিনুক আকৃতির আইকনিক রেল স্টেশন থেকে ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়। বর্তমানে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন এবং কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেন এ স্টেশন থেকে চলাচল করছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×