হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা সহ দুইজন মাদক কারবারী গ্রেফতার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন

হেলাল উদ্দিন,টেকনাফ :: কক্সবাজার টেকনাফের সাবরাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ দুইজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫।

৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮ ঘটিকায় র‌্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও দুই কারবারিকে আটক করে।

কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-১৫ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে, টেকনাফ থানাধীন সাবরাং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডস্থ পানছড়ি এলাকার আবুল কালামের বসত বাড়ীতে কতিপয় ব্যক্তি বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ অবস্থান করছে।

এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে দুইজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন

সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারীরা হল- টেকনাফের পানছড়িপাড়ার মৃত কবির আহম্মদ এর পুত্র মোঃ আব্দুল্লাহ (৩০) এবং একই এলাকার মৃত আলী আহম্মদ এর পুত্র মোঃ আলী (২৮)।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক আটককৃত ব্যক্তিদ্বয়ের দেহ ও সাথে থাকা পলিথিনের ব্যাগ তল্লাশী করে সর্বমোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩টি মোবাইল এবং ৪টি সীম কার্ড উদ্ধার করা হয়।

এছাড়াও আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে পৌঁছানোর পূর্বেই একজন মাদক কারবারী পালিয়ে যায় মর্মে ধৃত ব্যক্তিদ্বয় স্বীকার করে।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারীরা সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্র এবং দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। তারা পরস্পর যোগসাজসে বড় বড় ইয়াবার চালান অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকা হতে সংগ্রহপূর্বক নিজেদের হেফাজতে মজুদ করে থাকে।

পরবর্তীতে মজুদকৃত ইয়াবার চালানগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে অত্যন্ত কৌশলে টেকনাফ ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে থাকে বলে জানা যায়।

এছাড়া উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও সীম কার্ড ব্যবহার করে মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ তারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে আসছে বলে জানা যায়।

র‌্যাব-১৫ আরও জানায়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ ধৃত ও পলাতক মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

টেকনাফে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা সহ দুইজন মাদক কারবারী গ্রেফতার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা সহ দুইজন মাদক কারবারী গ্রেফতার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
Print Image
হেলাল উদ্দিন,টেকনাফ :: কক্সবাজার টেকনাফের সাবরাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ দুইজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫। ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮ ঘটিকায় র‌্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও দুই কারবারিকে আটক করে। কক্সবাজারস্থ র‌্যাব-১৫ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে, টেকনাফ থানাধীন সাবরাং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডস্থ পানছড়ি এলাকার আবুল কালামের বসত বাড়ীতে কতিপয় ব্যক্তি বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট’সহ অবস্থান করছে। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে পালানোর চেষ্টাকালে দুইজন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারীরা হল- টেকনাফের পানছড়িপাড়ার মৃত কবির আহম্মদ এর পুত্র মোঃ আব্দুল্লাহ (৩০) এবং একই এলাকার মৃত আলী আহম্মদ এর পুত্র মোঃ আলী (২৮)। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক আটককৃত ব্যক্তিদ্বয়ের দেহ ও সাথে থাকা পলিথিনের ব্যাগ তল্লাশী করে সর্বমোট ৬০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩টি মোবাইল এবং ৪টি সীম কার্ড উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে পৌঁছানোর পূর্বেই একজন মাদক কারবারী পালিয়ে যায় মর্মে ধৃত ব্যক্তিদ্বয় স্বীকার করে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারীরা সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্র এবং দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। তারা পরস্পর যোগসাজসে বড় বড় ইয়াবার চালান অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকা হতে সংগ্রহপূর্বক নিজেদের হেফাজতে মজুদ করে থাকে। পরবর্তীতে মজুদকৃত ইয়াবার চালানগুলো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে অত্যন্ত কৌশলে টেকনাফ ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে থাকে বলে জানা যায়। এছাড়া উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও সীম কার্ড ব্যবহার করে মাদক ক্রয়-বিক্রয়সহ তারা বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে আসছে বলে জানা যায়। র‌্যাব-১৫ আরও জানায়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ ধৃত ও পলাতক মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×