কক্সবাজারের টেকনাফে সেন্টমার্টিন থেকে আসার পথে বঙ্গোপসাগরে একটি স্পীডবোট ডুবির ঘটনায় দুইজন নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন।
নিহতরা মা-মেয়ে—সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মরিয়ম আক্তার ও তার কন্যা শিশু মাহিমা আক্তার।
দুর্ঘটনা সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট থেকে অদূরে গোলারচর সংলগ্ন এলাকায় ঘটে। স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় যাত্রীদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি ছয় জনের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জায়েদ নূর জানান, “দুর্ঘটনায় পতিত স্পীডবোটের দুই যাত্রী মা ও মেয়ে মারা গেছেন, বাকি যাত্রীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। মরদেহ থানায় আনা হয়েছে এবং কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা
নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তারা ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশে টেকনাফ যাচ্ছিলেন। স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, শীতের সময়ে সাগরের তাপমাত্রা শীতল থাকা সত্ত্বেও কীভাবে স্পীডবোট উল্টে প্রাণহানি হলো।
এদিকে সোমবার সকাল থেকে কক্সবাজার থেকে চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। প্রথমদিনে তিনটি জাহাজে ১,১৭৪ জন পর্যটক সেন্টমার্টিন পৌঁছেছেন। আগামী দুই মাস ধরে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দ্বীপে পর্যটকদের রাত্রিযাপন করা যাবে। তবে সরকারি ১২টি নির্দেশনা মেনে দ্বীপে যাত্রা করতে হবে, এবং জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশের তৎপরতা সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নে শুরু থেকেই চোখে পড়ছে।




মন্তব্য করুন