হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেংরাটিলা বিস্ফোরণ: নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানার নির্দেশ আন্তর্জাতিক আদালতের

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি – সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর অবশেষে ন্যায়বিচার পেয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত বা ‘ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউট’ (ইকসিড) ট্রাইব্যুনাল এক ঐতিহাসিক রায়ে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে। বর্তমান বাজারমূল্যে এই অর্থের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের এই ট্রাইব্যুনাল নাইকোর অবহেলা ও অদক্ষতাকে দায়ী করে বাংলাদেশকে এই ক্ষতিপূরণ পরিশোধের চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছে।

বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান ইকসিডের রায়ের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন

তুরাগে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে ৫০ গজ দূরে মিলল মোটরসাইকেল

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত হলেও ২০০৩ সালে এর অনুসন্ধান ও উন্নয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল নাইকো রিসোর্সকে। দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র দুই বছরের মাথায় ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন সেখানে পরপর দুটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নাইকোর কারিগরি গাফিলতির কারণে সৃষ্ট সেই অগ্নিকাণ্ডে গ্যাসক্ষেত্রের বিশাল মজুদ পুড়ে যায় এবং আগুনের তাপে আশপাশের গ্রামগুলোর পরিবেশ, ঘরবাড়ি ও গাছপালার অপূরণীয় ক্ষতি হয়।

বিস্ফোরণের পর পেট্রোবাংলা নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও প্রতিষ্ঠানটি তা দিতে বারবার অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি আন্তর্জাতিক আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালত তার পর্যবেক্ষণে নাইকোর অবহেলা ও কারিগরি ত্রুটির বিষয়টি আমলে নিয়ে এই জরিমানার রায় প্রদান করেন।

মূলত ছাতক পশ্চিম বা টেংরাটিলা অংশের একটি স্তরের গ্যাস পুড়ে গেলেও এই ক্ষেত্রের অন্যান্য স্তর এবং ছাতক পূর্ব অংশের বিশাল গ্যাস মজুদ এখনো অক্ষত রয়েছে বলে জানা গেছে।

এনএন/ ২৯ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

টেংরাটিলা বিস্ফোরণ: নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানার নির্দেশ আন্তর্জাতিক আদালতের

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেংরাটিলা বিস্ফোরণ: নাইকোকে ৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানার নির্দেশ আন্তর্জাতিক আদালতের

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৯ জানুয়ারি – সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর অবশেষে ন্যায়বিচার পেয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত বা ‘ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউট’ (ইকসিড) ট্রাইব্যুনাল এক ঐতিহাসিক রায়ে কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে। বর্তমান বাজারমূল্যে এই অর্থের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের এই ট্রাইব্যুনাল নাইকোর অবহেলা ও অদক্ষতাকে দায়ী করে বাংলাদেশকে এই ক্ষতিপূরণ পরিশোধের চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছে।বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান ইকসিডের রায়ের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত হলেও ২০০৩ সালে এর অনুসন্ধান ও উন্নয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল নাইকো রিসোর্সকে। দায়িত্ব পাওয়ার মাত্র দুই বছরের মাথায় ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন সেখানে পরপর দুটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নাইকোর কারিগরি গাফিলতির কারণে সৃষ্ট সেই অগ্নিকাণ্ডে গ্যাসক্ষেত্রের বিশাল মজুদ পুড়ে যায় এবং আগুনের তাপে আশপাশের গ্রামগুলোর পরিবেশ, ঘরবাড়ি ও গাছপালার অপূরণীয় ক্ষতি হয়।বিস্ফোরণের পর পেট্রোবাংলা নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেও প্রতিষ্ঠানটি তা দিতে বারবার অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি আন্তর্জাতিক আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালত তার পর্যবেক্ষণে নাইকোর অবহেলা ও কারিগরি ত্রুটির বিষয়টি আমলে নিয়ে এই জরিমানার রায় প্রদান করেন।মূলত ছাতক পশ্চিম বা টেংরাটিলা অংশের একটি স্তরের গ্যাস পুড়ে গেলেও এই ক্ষেত্রের অন্যান্য স্তর এবং ছাতক পূর্ব অংশের বিশাল গ্যাস মজুদ এখনো অক্ষত রয়েছে বলে জানা গেছে।এনএন/ ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×