হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ধ্বংসস্তূপের মাঝেও গাজায় চলছে রমজান পালনের কঠিন সংগ্রাম

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন


গাজা, ২১ ফেব্রুয়ারি – বিশ্বের অন্যান্য অংশের মুসলমানদের মতো গাজার ফিলিস্তিনিরাও পবিত্র রমজান মাস পালন করছেন। তবে এবারের রমজান তাদের জন্য এক ভিন্ন বাস্তবতা নিয়ে এসেছে যেখানে শোকের মধ্যেই আশা বাঁচিয়ে রাখার সংগ্রাম চলছে। গাজার পুরনো শহরের কেন্দ্রস্থলে ঐতিহাসিক আল-জাওইয়া মার্কেটে রঙিন ফানুস ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। সাতশো বছরেরও বেশি পুরনো এই বাজারের একটি অংশ ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।

তবুও খেজুর, জলপাই ও রমজানের সাজসজ্জার সামগ্রী নিয়ে আবারও বাজার জমে ওঠার চেষ্টা করছে। গত অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয়রা জানাচ্ছেন যে সংঘাত ও প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে। বাজারে আসা ইনাস ওমর জানান যে ধ্বংস আর যুদ্ধের মাঝেও তারা বাজারের প্রাণ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। কিন্তু বাস্তবতা বেশ কঠিন কারণ বিদ্যুৎ সংকট ও পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে অনেকেই রমজানের সাজসজ্জা কিনতে পারছেন না।

আরও পড়ুন

সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

পণ্য আমদানি সীমিত থাকায় ফানুসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানান দোকানি লুয়াই আল-জামাসি। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আচার বিক্রি করা সাঈদ আল-সাক্কা আক্ষেপ করে বলেন যে তারা মুখে হাসি ফেরানোর চেষ্টা করছেন ঠিকই কিন্তু এবারের রমজান ক্ষতির স্বাদ নিয়ে এসেছে। তিনি তার পরিবারের অনেক সদস্য এবং প্রতিবেশী ও বন্ধুদের হারিয়েছেন। যেসব পরিবার একসময় নিজের বাড়িতে ইফতার আয়োজন করত তারা এখন ত্রাণশিবিরের তাঁবুতে দিন কাটাচ্ছে। বাস্তুচ্যুত আমাল আল-সামরি জানান যুদ্ধের আগে রমজান ছিল আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সময় আর এখন জীবন এক ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে। শিশুদের জন্য স্বেচ্ছাসেবীরা রঙিন সাজসজ্জা আর ছোট আয়োজনের মাধ্যমে আনন্দের পরিবেশ তৈরি করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

স্বেচ্ছাসেবক আবদুলরহমান আবু জাহল মনে করেন গাজার শিশুদের টিকে থাকাই এক ধরনের সাফল্য এবং তারা চান শিশুরা অন্তত রমজানে আনন্দ ও স্বপ্ন দেখুক। ধ্বংসস্তূপের মাঝেও সূর্যাস্তের সঙ্গে শেষ হচ্ছে প্রতিদিনের রোজা। এই বছর গাজাবাসীর কাছে রমজান হয়ে উঠেছে ধৈর্য ও টিকে থাকার প্রতীক।

এসএএস/ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ধ্বংসস্তূপের মাঝেও গাজায় চলছে রমজান পালনের কঠিন সংগ্রাম

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ধ্বংসস্তূপের মাঝেও গাজায় চলছে রমজান পালনের কঠিন সংগ্রাম

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] গাজা, ২১ ফেব্রুয়ারি – বিশ্বের অন্যান্য অংশের মুসলমানদের মতো গাজার ফিলিস্তিনিরাও পবিত্র রমজান মাস পালন করছেন। তবে এবারের রমজান তাদের জন্য এক ভিন্ন বাস্তবতা নিয়ে এসেছে যেখানে শোকের মধ্যেই আশা বাঁচিয়ে রাখার সংগ্রাম চলছে। গাজার পুরনো শহরের কেন্দ্রস্থলে ঐতিহাসিক আল-জাওইয়া মার্কেটে রঙিন ফানুস ঝুলতে দেখা যাচ্ছে। সাতশো বছরেরও বেশি পুরনো এই বাজারের একটি অংশ ২০২৪ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।তবুও খেজুর, জলপাই ও রমজানের সাজসজ্জার সামগ্রী নিয়ে আবারও বাজার জমে ওঠার চেষ্টা করছে। গত অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও স্থানীয়রা জানাচ্ছেন যে সংঘাত ও প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে। বাজারে আসা ইনাস ওমর জানান যে ধ্বংস আর যুদ্ধের মাঝেও তারা বাজারের প্রাণ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। কিন্তু বাস্তবতা বেশ কঠিন কারণ বিদ্যুৎ সংকট ও পণ্যের উচ্চমূল্যের কারণে অনেকেই রমজানের সাজসজ্জা কিনতে পারছেন না।পণ্য আমদানি সীমিত থাকায় ফানুসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানান দোকানি লুয়াই আল-জামাসি। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে আচার বিক্রি করা সাঈদ আল-সাক্কা আক্ষেপ করে বলেন যে তারা মুখে হাসি ফেরানোর চেষ্টা করছেন ঠিকই কিন্তু এবারের রমজান ক্ষতির স্বাদ নিয়ে এসেছে। তিনি তার পরিবারের অনেক সদস্য এবং প্রতিবেশী ও বন্ধুদের হারিয়েছেন। যেসব পরিবার একসময় নিজের বাড়িতে ইফতার আয়োজন করত তারা এখন ত্রাণশিবিরের তাঁবুতে দিন কাটাচ্ছে। বাস্তুচ্যুত আমাল আল-সামরি জানান যুদ্ধের আগে রমজান ছিল আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সময় আর এখন জীবন এক ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়েছে। শিশুদের জন্য স্বেচ্ছাসেবীরা রঙিন সাজসজ্জা আর ছোট আয়োজনের মাধ্যমে আনন্দের পরিবেশ তৈরি করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।স্বেচ্ছাসেবক আবদুলরহমান আবু জাহল মনে করেন গাজার শিশুদের টিকে থাকাই এক ধরনের সাফল্য এবং তারা চান শিশুরা অন্তত রমজানে আনন্দ ও স্বপ্ন দেখুক। ধ্বংসস্তূপের মাঝেও সূর্যাস্তের সঙ্গে শেষ হচ্ছে প্রতিদিনের রোজা। এই বছর গাজাবাসীর কাছে রমজান হয়ে উঠেছে ধৈর্য ও টিকে থাকার প্রতীক।এসএএস/ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×