হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কুমিল্লায় চোখের সামনে তৈরি হচ্ছে খাঁটি আখের গুড়, ভিড় করছেন ক্রেতারা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন


ঘিলাতলী, ২৪ ফেব্রুয়ারি – কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি গ্রাম ঘিলাতলী। খাঁটি আখের গুড়ের জন্য গ্রামটি স্থানীয়ভাবে মিঠাই নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এই গ্রামের কৃষক আবু তাহের গত ১১ বছর ধরে নিজের জমির আখ থেকে গুড় তৈরি করছেন। তার বাড়িতে প্রতিদিনই বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ করা যায়। বাড়ির পাশের উঁচু ভিটায় বড় চুলায় আখের রস জ্বাল দেওয়া হয়।

লাল আগুনের তাপে ধীরে ধীরে রস ঘন হয়ে সোনালি রঙ ধারণ করে। কাঠের দণ্ড দিয়ে তা নাড়তে থাকেন আবু তাহের। এ সময় তরল গুড়ের মিষ্টি ঘ্রাণ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরাও তাকে কাজে সহায়তা করেন। গরম গুড় ঠান্ডা হলে বক্সে ভরে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা হয়। গুড় তৈরির পুরো প্রক্রিয়া দেখতে স্থানীয়রা সেখানে ভিড় জমান। সদর দক্ষিণ উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাহিদা খাতুনও উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। নলকুড়ি গ্রামের ক্রেতা সোহেল মজুমদার জানান যে বাজারের বেশির ভাগ গুড়ে ভেজাল থাকে বলে তিনি সরাসরি এখান থেকে কিনতে আসেন। চোখের সামনে খাঁটি গুড় তৈরি হতে দেখেন বলে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতেও তার আপত্তি নেই।

আরও পড়ুন

সিলেট নগরীতে যান চলাচলে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা

তিনি আগেও এখান থেকে গুড় নিয়ে আত্মীয়দের দিয়েছেন এবং এবার বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন। কুন্দারঘোড়া গ্রামের আবু বকর শিবলী জানান তিনি সাত বছর ধরে এখান থেকে গুড় কিনছেন। কৃষক আবু তাহের জানান একধরনের জেদ থেকেই তার গুড় তৈরি শুরু। প্রতিবেশী এক গ্রামে গিয়ে গুড় না পেয়ে নিজেই আখ চাষ ও গুড় তৈরির পরিকল্পনা করেন। ৭০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে শুরু করা এই উদ্যোগ থেকে এখন বছরে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় হচ্ছে।

তিনি নিজের জমিতে আখ চাষ করেন এবং বাড়িতেই মাড়াই করে সবার সামনে গুড় তৈরি করেন। এবার তিনি ৮০ শতক জমিতে আখ চাষ করে ৩০ মণ গুড় উৎপাদন করেছেন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জোনায়েদ কবির খান বলেন উপজেলায় প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ হয়। অধিকাংশ কৃষক গুড় তৈরির জন্যই এই আখ চাষ করেন। গুড়ের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আখের চাষও দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে।

এস এম/ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কুমিল্লায় চোখের সামনে তৈরি হচ্ছে খাঁটি আখের গুড়, ভিড় করছেন ক্রেতারা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কুমিল্লায় চোখের সামনে তৈরি হচ্ছে খাঁটি আখের গুড়, ভিড় করছেন ক্রেতারা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঘিলাতলী, ২৪ ফেব্রুয়ারি – কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার গলিয়ারা দক্ষিণ ইউনিয়নের একটি গ্রাম ঘিলাতলী। খাঁটি আখের গুড়ের জন্য গ্রামটি স্থানীয়ভাবে মিঠাই নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এই গ্রামের কৃষক আবু তাহের গত ১১ বছর ধরে নিজের জমির আখ থেকে গুড় তৈরি করছেন। তার বাড়িতে প্রতিদিনই বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ করা যায়। বাড়ির পাশের উঁচু ভিটায় বড় চুলায় আখের রস জ্বাল দেওয়া হয়।লাল আগুনের তাপে ধীরে ধীরে রস ঘন হয়ে সোনালি রঙ ধারণ করে। কাঠের দণ্ড দিয়ে তা নাড়তে থাকেন আবু তাহের। এ সময় তরল গুড়ের মিষ্টি ঘ্রাণ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরাও তাকে কাজে সহায়তা করেন। গরম গুড় ঠান্ডা হলে বক্সে ভরে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করা হয়। গুড় তৈরির পুরো প্রক্রিয়া দেখতে স্থানীয়রা সেখানে ভিড় জমান। সদর দক্ষিণ উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাহিদা খাতুনও উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। নলকুড়ি গ্রামের ক্রেতা সোহেল মজুমদার জানান যে বাজারের বেশির ভাগ গুড়ে ভেজাল থাকে বলে তিনি সরাসরি এখান থেকে কিনতে আসেন। চোখের সামনে খাঁটি গুড় তৈরি হতে দেখেন বলে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতেও তার আপত্তি নেই।তিনি আগেও এখান থেকে গুড় নিয়ে আত্মীয়দের দিয়েছেন এবং এবার বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন। কুন্দারঘোড়া গ্রামের আবু বকর শিবলী জানান তিনি সাত বছর ধরে এখান থেকে গুড় কিনছেন। কৃষক আবু তাহের জানান একধরনের জেদ থেকেই তার গুড় তৈরি শুরু। প্রতিবেশী এক গ্রামে গিয়ে গুড় না পেয়ে নিজেই আখ চাষ ও গুড় তৈরির পরিকল্পনা করেন। ৭০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে শুরু করা এই উদ্যোগ থেকে এখন বছরে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় হচ্ছে।তিনি নিজের জমিতে আখ চাষ করেন এবং বাড়িতেই মাড়াই করে সবার সামনে গুড় তৈরি করেন। এবার তিনি ৮০ শতক জমিতে আখ চাষ করে ৩০ মণ গুড় উৎপাদন করেছেন। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জোনায়েদ কবির খান বলেন উপজেলায় প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ হয়। অধিকাংশ কৃষক গুড় তৈরির জন্যই এই আখ চাষ করেন। গুড়ের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আখের চাষও দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে।এস এম/ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×