হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ঐতিহাসিক ১৯ মার্চ: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৯ মার্চ – আজ ঐতিহাসিক ১৯ মার্চ, মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে গাজীপুরের তৎকালীন জয়দেবপুরে বীর বাঙালিরা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে এবং প্রথম সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনার আগেই অকুতোভয় মুক্তিকামী জনতা সশস্ত্র বাহিনীর সামনে রুখে দাঁড়িয়েছিল। হাজার হাজার সাধারণ মানুষ সেই ঐতিহাসিক সম্মুখযুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

আরও পড়ুন

ইনানীতে রিসোর্টে আগুন: চোখের পানিতে বিদায় নিলেন ফতুল্লায় একই পরিবারের তিনজন

১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ ঢাকা ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার থেকে পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে একটি সেনাদল জয়দেবপুরে পৌঁছায়। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করা। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। একপর্যায়ে সশস্ত্র পাকিস্তানি বাহিনী সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান এবং বহু মানুষ গুরুতর আহত হন।

এটিই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দিনটি উপলক্ষে একটি বিশেষ বাণী প্রদান করেন। তিনি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন যে, ১৯৭১ সালের ১৯শে মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত স্মরণীয় দিন।

জয়দেবপুর থানা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের যৌথ নেতৃত্বে কৃষক এবং সাধারণ জনতা সম্মিলিতভাবে সেদিন যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তা ছিল অসামান্য। বঙ্গবন্ধু তাঁর বাণীতে জয়দেবপুরবাসীর সাহসিকতার প্রশংসা করেন এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

ঐতিহাসিক ১৯ মার্চ: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ঐতিহাসিক ১৯ মার্চ: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৯ মার্চ – আজ ঐতিহাসিক ১৯ মার্চ, মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে গাজীপুরের তৎকালীন জয়দেবপুরে বীর বাঙালিরা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে এবং প্রথম সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনার আগেই অকুতোভয় মুক্তিকামী জনতা সশস্ত্র বাহিনীর সামনে রুখে দাঁড়িয়েছিল। হাজার হাজার সাধারণ মানুষ সেই ঐতিহাসিক সম্মুখযুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ ঢাকা ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার থেকে পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে একটি সেনাদল জয়দেবপুরে পৌঁছায়। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করা। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। একপর্যায়ে সশস্ত্র পাকিস্তানি বাহিনী সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান এবং বহু মানুষ গুরুতর আহত হন।এটিই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দিনটি উপলক্ষে একটি বিশেষ বাণী প্রদান করেন। তিনি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন যে, ১৯৭১ সালের ১৯শে মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত স্মরণীয় দিন।জয়দেবপুর থানা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের যৌথ নেতৃত্বে কৃষক এবং সাধারণ জনতা সম্মিলিতভাবে সেদিন যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, তা ছিল অসামান্য। বঙ্গবন্ধু তাঁর বাণীতে জয়দেবপুরবাসীর সাহসিকতার প্রশংসা করেন এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×