হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু অপহরণ: আরও তিনজন গ্রেপ্তার

শহিদুল ইসলাম ::

শহিদুল ইসলাম ::

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এর আগে একই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছি…

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

এর আগে একই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামির সংখ্যা দাঁড়াল চারজন।

বুধবার ভোররাতে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৮ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাবের (২৮), জুবায়ের (৩৭) ও সেলিম (৩৫) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

৮ এপিবিএনের গণমাধ্যম শাখা জানায়, গত ২২ জুলাই ময়নারঘোনা পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১১-এর ই/৪ ব্লক থেকে ছয় বছর বয়সী রহমত আলীকে অপহরণ করা হয়। সে একই ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ জুনায়েদের ছেলে।

আরও পড়ুন

সেন্ট মার্টিনে ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ১২ পাচারকারী আটক

অপহরণের পর শিশুটির পরিবারের কাছে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরিবারের সদস্যরা অপহরণকারীদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ না করে গত ২৬ জুলাই মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করেন। এরপর শিশুটিকে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপহৃত শিশুর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ৮ এপিবিএনের নজরে আসে। এরপর বাহিনীর অধিনায়ক মো. রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএমের নির্দেশনায় ময়নারঘোনা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তদন্ত ও অভিযানে নামেন।

এপিবিএন সুত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই রাতে জকরিয়া (৩০) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ ভোররাতে ক্যাম্প-১৮-এর কে/৮ ও কে/৯ ব্লকে পৃথক অভিযান চালিয়ে সাবের, জুবায়ের ও সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উখিয়া থানায় দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার এজাহারভুক্ত ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

🔗 আরও পড়ুন:

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু অপহরণ: আরও তিনজন গ্রেপ্তার সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাট। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু অপহরণ: আরও তিনজন গ্রেপ্তার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু অপহরণ: আরও তিনজন গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম :: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এর আগে একই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ নিয়ে এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামির সংখ্যা দাঁড়াল চারজন। বুধবার ভোররাতে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৮ এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাবের (২৮), জুবায়ের (৩৭) ও সেলিম (৩৫) নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ৮ এপিবিএনের গণমাধ্যম শাখা জানায়, গত ২২ জুলাই ময়নারঘোনা পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১১-এর ই/৪ ব্লক থেকে ছয় বছর বয়সী রহমত আলীকে অপহরণ করা হয়। সে একই ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ জুনায়েদের ছেলে। অপহরণের পর শিশুটির পরিবারের কাছে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরিবারের সদস্যরা অপহরণকারীদের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ না করে গত ২৬ জুলাই মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করেন। এরপর শিশুটিকে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপহৃত শিশুর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ৮ এপিবিএনের নজরে আসে। এরপর বাহিনীর অধিনায়ক মো. রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএমের নির্দেশনায় ময়নারঘোনা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তদন্ত ও অভিযানে নামেন। এপিবিএন সুত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই রাতে জকরিয়া (৩০) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ ভোররাতে ক্যাম্প-১৮-এর কে/৮ ও কে/৯ ব্লকে পৃথক অভিযান চালিয়ে সাবের, জুবায়ের ও সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উখিয়া থানায় দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার এজাহারভুক্ত ও তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন আহমদ বলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×