হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বিষাক্ত ইনজেকশনের পর অলৌকিক বেঁচে ফেরা: মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেস্টার পর মুখ খুললেন ক্রিস্টিয়া পাইক

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: ওয়াশিংটন, ৩০ অক্টোবর – যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এক চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন ক্রিস্টিয়া পাইক নামে এক নারী কয়েদি। গ…


ওয়াশিংটন, ৩০ অক্টোবর – যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এক চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন ক্রিস্টিয়া পাইক নামে এক নারী কয়েদি। গত ৩০ সেপ্টেম্বর রিভারভেন্ড কারাগারের ডেথ চেম্বারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হলেও দুটি প্রাণঘাতী ইনজেকশন পুশ করার পরও তিনি মারা যাননি। পরবর্তীতে অলৌকিকভাবে হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর থেকে শারীরিক ও মানসিক এক বিভীষিকাময় জীবন পার করছেন তিনি।

আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক আবেগঘন বিবৃতিতে নিজের বেঁচে ফেরার সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান অবস্থার কথা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছেন ক্রিস্টিয়া পাইক।

আরও পড়ুন

ভারতের ২০২৬-২৭ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.৩ শতাংশ করল অর্থ মন্ত্রণালয়

“মরার প্রস্তুতি নিয়ে ঢুকেছিলাম, জ্ঞান ফিরে দেখি হাসপাতালে”

বিবৃতির শুরুতেই ওই রাতের স্মৃতিচারণ করে ক্রিস্টিয়া পাইক জানান, গত ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুর সব প্রস্তুতি নিয়েই কনডেম সেলের চেম্বারে প্রবেশ করেছিলেন। যারা তাকে সমর্থন জুগিয়েছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং যারা তার মৃত্যুদণ্ড প্রত্যক্ষ করতে এসেছিলেন তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

তবে ইনজেকশন পুশ করার পর তার আর কিছু মনে ছিল না। দীর্ঘ সময় অচেতন থাকার পর জ্ঞান ফেরে হাসপাতালের একটি বেডে। সেই মুহূর্তটির বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, “কয়েক দিন পর যখন হাসপাতালের বেডে চোখ খুলি, তখন চরম বিভ্রান্তি ও ব্যথা আমাকে ঘিরে ধরেছিল। ওই মুহূর্ত থেকে আজ পর্যন্ত এমন একটি মুহূর্তও যায়নি যখন আমার শরীর যন্ত্রণায় কাতর হয়নি। আমার সারা শরীরে ব্যথা, হাতে ব্যথা, গলায় ব্যথা। কথা বলতেও আমার ভীষণ কষ্ট হয়। এই কষ্ট কেবল শারীরিক নয়, বরং মানসিক ও আত্মার গভীরে আঘাত হানছে।”

২৮ বছরের নির্জন কারাবাস ও বর্তমান নিঃসঙ্গতা

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেস্টার পর বর্তমানে কারাগারের মেডিকেল ওয়ার্ডে সম্পূর্ণ একাকী ও বিচ্ছিন্ন জীবন কাটাচ্ছেন ক্রিস্টিয়া পাইক। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে নির্জন সেলে (Solitary Confinement) কাটিয়ে আসার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ওই রাতের পর থেকে আমি পুরোপুরি মানুষের সংস্পর্শহীন এক শূন্যতায় আছি। এই নিঃসঙ্গতা আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। চিকিৎসালয়ের বেডে শুয়ে আমি বারবার ভাবছি—কেন সেদিন আমার এমন পরিণতি হলো?”

তবে এই দুঃসময়ে বিশ্বজুড়ে পাওয়া ভালোবাসা ও মানুষের প্রার্থনা তাকে বেঁচে থাকার মানসিক শক্তি জোগাচ্ছে বলে জানান তিনি। যেসব চিকিৎসক ও নার্স তার সেবা করেছেন এবং যে আইনজীবীরা তার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই নারী।

অপরাধ ও আইনি দীর্ঘসূত্রতা

১৯৯৬ সালে নিজের এক সহপাঠীকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে ক্রিস্টিয়া পাইকের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর টেনেসির কারাগারে তার দণ্ড কার্যকর করতে গিয়েই ঘটে এই বিপত্তি। বিষাক্ত ইনজেকশন শরীরে কাজ না করায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠছেন।

বিবৃতির শেষে ক্রিস্টিয়া পাইক বলেন, “আমি জানি না সেই রাতে কেন আমি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলাম। সামনে আমার কপালে কী আছে তাও আমার অজানা। তবে যেকোনো কিছুর চেয়ে আমার জন্য এখন ‘আশা’ খুঁজে পাওয়াটাই সবচেয়ে কঠিন। আমি কেবল সুস্থ হওয়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।”

এনএন/ ৩০ অক্টোবর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: বিষাক্ত ইনজেকশনের পর অলৌকিক বেঁচে ফেরা: মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেস্টার পর মুখ খুললেন ক্রিস্টিয়া পাইক সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: ওয়াশিংটন, ৩০ অক্টোবর – যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এক চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক অভিজ। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

বিষাক্ত ইনজেকশনের পর অলৌকিক বেঁচে ফেরা: মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেস্টার পর মুখ খুললেন ক্রিস্টিয়া পাইক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বিষাক্ত ইনজেকশনের পর অলৌকিক বেঁচে ফেরা: মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেস্টার পর মুখ খুললেন ক্রিস্টিয়া পাইক

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ৩০ অক্টোবর – যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে বিষাক্ত ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এক চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন ক্রিস্টিয়া পাইক নামে এক নারী কয়েদি। গত ৩০ সেপ্টেম্বর রিভারভেন্ড কারাগারের ডেথ চেম্বারে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হলেও দুটি প্রাণঘাতী ইনজেকশন পুশ করার পরও তিনি মারা যাননি। পরবর্তীতে অলৌকিকভাবে হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর থেকে শারীরিক ও মানসিক এক বিভীষিকাময় জীবন পার করছেন তিনি।আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এক আবেগঘন বিবৃতিতে নিজের বেঁচে ফেরার সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান অবস্থার কথা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছেন ক্রিস্টিয়া পাইক।“মরার প্রস্তুতি নিয়ে ঢুকেছিলাম, জ্ঞান ফিরে দেখি হাসপাতালে”বিবৃতির শুরুতেই ওই রাতের স্মৃতিচারণ করে ক্রিস্টিয়া পাইক জানান, গত ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুর সব প্রস্তুতি নিয়েই কনডেম সেলের চেম্বারে প্রবেশ করেছিলেন। যারা তাকে সমর্থন জুগিয়েছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং যারা তার মৃত্যুদণ্ড প্রত্যক্ষ করতে এসেছিলেন তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।তবে ইনজেকশন পুশ করার পর তার আর কিছু মনে ছিল না। দীর্ঘ সময় অচেতন থাকার পর জ্ঞান ফেরে হাসপাতালের একটি বেডে। সেই মুহূর্তটির বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, “কয়েক দিন পর যখন হাসপাতালের বেডে চোখ খুলি, তখন চরম বিভ্রান্তি ও ব্যথা আমাকে ঘিরে ধরেছিল। ওই মুহূর্ত থেকে আজ পর্যন্ত এমন একটি মুহূর্তও যায়নি যখন আমার শরীর যন্ত্রণায় কাতর হয়নি। আমার সারা শরীরে ব্যথা, হাতে ব্যথা, গলায় ব্যথা। কথা বলতেও আমার ভীষণ কষ্ট হয়। এই কষ্ট কেবল শারীরিক নয়, বরং মানসিক ও আত্মার গভীরে আঘাত হানছে।”২৮ বছরের নির্জন কারাবাস ও বর্তমান নিঃসঙ্গতামৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ব্যর্থ চেস্টার পর বর্তমানে কারাগারের মেডিকেল ওয়ার্ডে সম্পূর্ণ একাকী ও বিচ্ছিন্ন জীবন কাটাচ্ছেন ক্রিস্টিয়া পাইক। দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে নির্জন সেলে (Solitary Confinement) কাটিয়ে আসার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ওই রাতের পর থেকে আমি পুরোপুরি মানুষের সংস্পর্শহীন এক শূন্যতায় আছি। এই নিঃসঙ্গতা আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। চিকিৎসালয়ের বেডে শুয়ে আমি বারবার ভাবছি—কেন সেদিন আমার এমন পরিণতি হলো?”তবে এই দুঃসময়ে বিশ্বজুড়ে পাওয়া ভালোবাসা ও মানুষের প্রার্থনা তাকে বেঁচে থাকার মানসিক শক্তি জোগাচ্ছে বলে জানান তিনি। যেসব চিকিৎসক ও নার্স তার সেবা করেছেন এবং যে আইনজীবীরা তার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই নারী।অপরাধ ও আইনি দীর্ঘসূত্রতা১৯৯৬ সালে নিজের এক সহপাঠীকে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে ক্রিস্টিয়া পাইকের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর টেনেসির কারাগারে তার দণ্ড কার্যকর করতে গিয়েই ঘটে এই বিপত্তি। বিষাক্ত ইনজেকশন শরীরে কাজ না করায় তাকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে উঠছেন।বিবৃতির শেষে ক্রিস্টিয়া পাইক বলেন, “আমি জানি না সেই রাতে কেন আমি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলাম। সামনে আমার কপালে কী আছে তাও আমার অজানা। তবে যেকোনো কিছুর চেয়ে আমার জন্য এখন ‘আশা’ খুঁজে পাওয়াটাই সবচেয়ে কঠিন। আমি কেবল সুস্থ হওয়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।”এনএন/ ৩০ অক্টোবর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×