হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ঢাকা,২৪ অক্টোবর-বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি নির্ধারণ করে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০ সংশোধন করেছে সরকা…


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

ঢাকা,২৪ অক্টোবর-বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি নির্ধারণ করে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০ সংশোধন করেছে সরকার।

নতুন নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, ৫০ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাহকের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি উপকেন্দ্রের ক্ষমতা অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে লিফট, এনার্জি মিটার, ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক শুরু

গত ১৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরে ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়।

এতে বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৫৯ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০-এর তফসিল-১ পরিবর্তন করে নতুন তফসিল যুক্ত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

নতুন তফসিল অনুযায়ী, ১০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এই দুটি ফি যথাক্রমে ২৫ হাজার ও ১২ হাজার ৫০০ টাকা। আর ৫০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া এক মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার (এমভিএ) ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ৬০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৩০ হাজার টাকা। ৫ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এই ফি যথাক্রমে এক লাখ ও ৫০ হাজার টাকা। ১০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি এক লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৭০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে ফি আরও বেশি রাখা হয়েছে। ২০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি দুই লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি এক লাখ টাকা। ৫০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এই দুটি ফি যথাক্রমে চার লাখ ও দুই লাখ টাকা। ১০০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি সাত লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা। তালিকায় সর্বোচ্চ ৫০০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ৩০ লাখ টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুৎ সিস্টেমে লিংকেজ পরীক্ষার ফি দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবনের ভেতরের বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ডায়াগ্রামসহ সেফটি প্ল্যান অনুমোদনের জন্য ৫০ কিলোওয়াটের কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা এবং ৫০ কিলোওয়াট বা তার বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।

বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের ক্ষেত্রে ১১ হাজার ভোল্ট পর্যন্ত ক্ষমতার সরঞ্জামের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ৫০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ৩৩ হাজার ভোল্ট বা তার বেশি ক্ষমতার সরঞ্জামের ক্ষেত্রে এই ফি যথাক্রমে ৭৫ হাজার ও ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা।

ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এনার্জি মিটার পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ফেজ মিটারের জন্য দুই হাজার টাকা, থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য পাঁচ হাজার টাকা এবং মেইন মিটার বা এইচটি মিটারের জন্য ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। বৈদ্যুতিক লিফটের আর্থিং পরীক্ষার ফি প্রতি ইলেকট্রোডের জন্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

লিফট পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জার, ক্যাপসুল ও বেড লিফটের জন্য ছয় হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে, কার্গো, গুডস, কার, ফায়ার ফাইটিং ও সার্ভিস লিফটের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ১০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তফসিলে কোনো নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ফি উল্লেখ না থাকলে একই ধরনের ক্যাটাগরির ঠিক আগের ও পরের ক্যাটাগরির ফির আনুপাতিক হারে পরিদর্শন ফি নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন কর্মকর্তা।

নির্ধারিত ফি কর-বহির্ভূত রাজস্ব হিসেবে ট্রেজারি চালান অথবা অনলাইনে ই-চালানের মাধ্যমে সরকারের নির্ধারিত কোডে জমা দিতে হবে। যে ভবন বা স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রহণ বা ব্যবহার করা হয় কিংবা হবে, সেই ভবন বা স্থানের দখলদারকে প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর চালানের মূল কপিসহ প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের ২০১৪ সালের ২১ মে জারি করা ‘বৈদ্যুতিক স্থাপনা বা সরঞ্জামাদি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিদ্যুৎ লাইসেন্স জারি আদেশ, ২০১৪’ বাতিল করা হয়েছে।

এস এম/ ২৪ অক্টোবর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ঢাকা,২৪ অক্টোবর-বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ঢাকা,২৪ অক্টোবর-বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি নির্ধারণ করে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০ সংশোধন করেছে সরকার।নতুন নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, ৫০ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাহকের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি উপকেন্দ্রের ক্ষমতা অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।একই সঙ্গে লিফট, এনার্জি মিটার, ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে।গত ১৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরে ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়।এতে বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৫৯ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০-এর তফসিল-১ পরিবর্তন করে নতুন তফসিল যুক্ত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।নতুন তফসিল অনুযায়ী, ১০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এই দুটি ফি যথাক্রমে ২৫ হাজার ও ১২ হাজার ৫০০ টাকা। আর ৫০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া এক মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার (এমভিএ) ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ৬০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৩০ হাজার টাকা। ৫ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এই ফি যথাক্রমে এক লাখ ও ৫০ হাজার টাকা। ১০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি এক লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৭০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে ফি আরও বেশি রাখা হয়েছে। ২০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি দুই লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি এক লাখ টাকা। ৫০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এই দুটি ফি যথাক্রমে চার লাখ ও দুই লাখ টাকা। ১০০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি সাত লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা। তালিকায় সর্বোচ্চ ৫০০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ৩০ লাখ টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুৎ সিস্টেমে লিংকেজ পরীক্ষার ফি দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবনের ভেতরের বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ডায়াগ্রামসহ সেফটি প্ল্যান অনুমোদনের জন্য ৫০ কিলোওয়াটের কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা এবং ৫০ কিলোওয়াট বা তার বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে।বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের ক্ষেত্রে ১১ হাজার ভোল্ট পর্যন্ত ক্ষমতার সরঞ্জামের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ৫০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ৩৩ হাজার ভোল্ট বা তার বেশি ক্ষমতার সরঞ্জামের ক্ষেত্রে এই ফি যথাক্রমে ৭৫ হাজার ও ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা।ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এনার্জি মিটার পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ফেজ মিটারের জন্য দুই হাজার টাকা, থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য পাঁচ হাজার টাকা এবং মেইন মিটার বা এইচটি মিটারের জন্য ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। বৈদ্যুতিক লিফটের আর্থিং পরীক্ষার ফি প্রতি ইলেকট্রোডের জন্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।লিফট পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জার, ক্যাপসুল ও বেড লিফটের জন্য ছয় হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে, কার্গো, গুডস, কার, ফায়ার ফাইটিং ও সার্ভিস লিফটের পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ১০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তফসিলে কোনো নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ফি উল্লেখ না থাকলে একই ধরনের ক্যাটাগরির ঠিক আগের ও পরের ক্যাটাগরির ফির আনুপাতিক হারে পরিদর্শন ফি নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন কর্মকর্তা।নির্ধারিত ফি কর-বহির্ভূত রাজস্ব হিসেবে ট্রেজারি চালান অথবা অনলাইনে ই-চালানের মাধ্যমে সরকারের নির্ধারিত কোডে জমা দিতে হবে। যে ভবন বা স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রহণ বা ব্যবহার করা হয় কিংবা হবে, সেই ভবন বা স্থানের দখলদারকে প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর চালানের মূল কপিসহ প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।এতে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের ২০১৪ সালের ২১ মে জারি করা ‘বৈদ্যুতিক স্থাপনা বা সরঞ্জামাদি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিদ্যুৎ লাইসেন্স জারি আদেশ, ২০১৪’ বাতিল করা হয়েছে।এস এম/ ২৪ অক্টোবর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×