হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বাধ্য হয়ে বিলাসী পণ্যের ওপর কর বাড়াল পাকিস্তান

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:০৭ অপরাহ্ন


ইসলামাবাদ, ২১ ফেব্রুয়ারি – আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী বিলাসী পণ্য আমদানিতে কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান সরকার। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সংসদে বিল পাস করে বিলাসী পণ্যের ওপর আরোপিত কর বৃদ্ধি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ার কারণে ইতোমধ্যেই খাদ্য ও ওষুধ বাদে প্রায় সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। এখন তারা আশা করছে, কর বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক রিজার্ভ বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন

রক্ষণাবেক্ষণ শেষে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু

কয়েক বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা পাকিস্তানের অর্থনীতিকে ধসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি এবং ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার কারণে ইসলামাবাদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

তবে তা সত্ত্বেও, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধি করতে চায়নি। কারণ কর বৃদ্ধির কারণে প্রায় সব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে মানুষ তাদের আসন্ন নির্বাচনে ভোট নাও দিতে পারে।

সোমবার পাকিস্তানের আইনসভায় সম্পূরক অর্থায়ন বিলের অনুমোদন দিয়ে সেলস ট্যাক্স ১৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে গাড়ি, গৃহস্থালি জিনিসপত্র, চকলেট এবং কসমেটিকস জিনিসপত্র।

এছাড়া পাকিস্তানের সাধারণ মানুষকে এখন থেকে বিজনেজ ক্লাসের বিমান টিকেট, মোবাইল ফোন এবং সানগ্লাস ক্রয়ে আরও বেশি অর্থ খরচ করতে হবে।

পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইসহাক দার নতুন বিল অনুমোদনের পর বলেছেন, ‘আগামী কয়েকদিন প্রধানমন্ত্রী আরও কঠোর বিষয় উত্থাপন করবেন। আমাদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

এদিকে আইএমএফের কাছ থেকে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ছাড় করিয়ে নিতে কয়েকদিন ধরে দৌড়ঝাপ করছে পাকিস্তান। তবে ওয়াশিংটনভিত্তিক আর্থিক সংস্থাটি শর্ত দিয়েছে, ঋণ পেতে হলে জ্বালানির মূল্য ও পণ্যের ওপর আরোপিত কর বৃদ্ধি করতে হবে। প্রথমে এ নিয়ে পাক সরকার গড়িমসি করলেও এখন আইএমএফের শর্ত অনুযায়ীই সব পদক্ষেপ নিচ্ছে তারা।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
আইএ/ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বাধ্য হয়ে বিলাসী পণ্যের ওপর কর বাড়াল পাকিস্তান

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বাধ্য হয়ে বিলাসী পণ্যের ওপর কর বাড়াল পাকিস্তান

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ইসলামাবাদ, ২১ ফেব্রুয়ারি – আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী বিলাসী পণ্য আমদানিতে কর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান সরকার। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সংসদে বিল পাস করে বিলাসী পণ্যের ওপর আরোপিত কর বৃদ্ধি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ার কারণে ইতোমধ্যেই খাদ্য ও ওষুধ বাদে প্রায় সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। এখন তারা আশা করছে, কর বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক রিজার্ভ বৃদ্ধি পাবে। কয়েক বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা পাকিস্তানের অর্থনীতিকে ধসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি এবং ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যার কারণে ইসলামাবাদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তবে তা সত্ত্বেও, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধি করতে চায়নি। কারণ কর বৃদ্ধির কারণে প্রায় সব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে মানুষ তাদের আসন্ন নির্বাচনে ভোট নাও দিতে পারে। সোমবার পাকিস্তানের আইনসভায় সম্পূরক অর্থায়ন বিলের অনুমোদন দিয়ে সেলস ট্যাক্স ১৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে গাড়ি, গৃহস্থালি জিনিসপত্র, চকলেট এবং কসমেটিকস জিনিসপত্র। এছাড়া পাকিস্তানের সাধারণ মানুষকে এখন থেকে বিজনেজ ক্লাসের বিমান টিকেট, মোবাইল ফোন এবং সানগ্লাস ক্রয়ে আরও বেশি অর্থ খরচ করতে হবে। পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ইসহাক দার নতুন বিল অনুমোদনের পর বলেছেন, ‘আগামী কয়েকদিন প্রধানমন্ত্রী আরও কঠোর বিষয় উত্থাপন করবেন। আমাদের কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’ এদিকে আইএমএফের কাছ থেকে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ ছাড় করিয়ে নিতে কয়েকদিন ধরে দৌড়ঝাপ করছে পাকিস্তান। তবে ওয়াশিংটনভিত্তিক আর্থিক সংস্থাটি শর্ত দিয়েছে, ঋণ পেতে হলে জ্বালানির মূল্য ও পণ্যের ওপর আরোপিত কর বৃদ্ধি করতে হবে। প্রথমে এ নিয়ে পাক সরকার গড়িমসি করলেও এখন আইএমএফের শর্ত অনুযায়ীই সব পদক্ষেপ নিচ্ছে তারা। সূত্র: ঢাকা পোস্টআইএ/ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×