হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে আদালতের রায় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে: মীর শাহে আলম

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: মীর শাহে আলমঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর- কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে একটি সংস্থা আদালতের রায় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে…




মীর শাহে আলম

ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর- কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে একটি সংস্থা আদালতের রায় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, কক্সবাজার দেশের ঐতিহ্য ও পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ ঠিকানা। এটিকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

কক্সবাজারের পর্যটন ও উন্নয়ন যেন বিকশিত হতে না পারে, সে জন্য দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র চলছে দাবি করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘পুরো কক্সবাজারকে নিয়ে সরকার বিপদের মধ্যে আছে। সরকার কক্সবাজারকে সুন্দর পর্যটন নগরী হিসেবে সাজানোর কাজ শুরু করতে গেলেই একটি সংস্থা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা দিতে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসে। এমন হলে কক্সবাজার শহরকে সাজাব কিভাবে?’ তিনি অভিযোগ করেন, পরে ওই সংস্থাটি আদালতের আদেশকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করে বারবার উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত করে চলেছে।

আরও পড়ুন

তিন মাসের মধ্যে কিশোর গ্যাং সমূলে উৎখাত করা হবে: এফডিসিতে চিফ হুইপের বড় ঘোষণা

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী সৈকত তীরের হোটেল রামাদার সামনে দিয়ে সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাটি স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প। প্রায় ১২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির টেন্ডারও সম্পন্ন হয়েছিল। কাজ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে একটি সংস্থা উচ্চ আদালতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসে। ফলে প্রকল্পের কাজ আটকে যায়।

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ১২৮ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হলে ‘বেলা’ নামের একটি পরিবেশবাদী বেসরকারি সংস্থা সৈকতের পরিবেশ ও বালিয়াড়ি রক্ষাসহ পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন (ইসিএ) এলাকায় সড়কটি নির্মাণের আপত্তি জানিয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়। আদালত মামলার শুনানি শেষে সড়ক নির্মাণকাজ থেকে বিরত থাকতে স্থানীয় সরকারসহ পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন। এর পর থেকে সড়কটির নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে।

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) বিধি-নিষেধের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রতীরের ৩০০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা করা যাবে না—এমন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আবার সমুদ্রতীর থেকে ৫০০ মিটার দূরত্বে গিয়ে শুধু একতলা ভবন নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটক এলেও তাঁদের থাকার জন্য পর্যাপ্ত কক্ষ পাওয়া যায় না। পর্যটন নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন ও পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। কিন্তু একের পর এক আইনি বাধা ও নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

এর আগে গতকাল সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুত্ফুর রহমান কাজল, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এস এম/ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে আদালতের রায় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে: মীর শাহে আলম সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: মীর শাহে আলমঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর- কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে একটি সংস্থা আদালতের রায় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছ। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে আদালতের রায় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে: মীর শাহে আলম

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে আদালতের রায় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে: মীর শাহে আলম

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] মীর শাহে আলমঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর- কক্সবাজারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে একটি সংস্থা আদালতের রায় অন্যায়ভাবে ব্যবহার করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, কক্সবাজার দেশের ঐতিহ্য ও পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ ঠিকানা। এটিকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রক্রিয়া চলছে।শনিবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।কক্সবাজারের পর্যটন ও উন্নয়ন যেন বিকশিত হতে না পারে, সে জন্য দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র চলছে দাবি করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘পুরো কক্সবাজারকে নিয়ে সরকার বিপদের মধ্যে আছে। সরকার কক্সবাজারকে সুন্দর পর্যটন নগরী হিসেবে সাজানোর কাজ শুরু করতে গেলেই একটি সংস্থা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা দিতে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসে। এমন হলে কক্সবাজার শহরকে সাজাব কিভাবে?’ তিনি অভিযোগ করেন, পরে ওই সংস্থাটি আদালতের আদেশকে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করে বারবার উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত করে চলেছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে কলাতলী সৈকত তীরের হোটেল রামাদার সামনে দিয়ে সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাটি স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প। প্রায় ১২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির টেন্ডারও সম্পন্ন হয়েছিল। কাজ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে একটি সংস্থা উচ্চ আদালতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসে। ফলে প্রকল্পের কাজ আটকে যায়।কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ১২৮ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হলে ‘বেলা’ নামের একটি পরিবেশবাদী বেসরকারি সংস্থা সৈকতের পরিবেশ ও বালিয়াড়ি রক্ষাসহ পরিবেশ ও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন (ইসিএ) এলাকায় সড়কটি নির্মাণের আপত্তি জানিয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়। আদালত মামলার শুনানি শেষে সড়ক নির্মাণকাজ থেকে বিরত থাকতে স্থানীয় সরকারসহ পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন। এর পর থেকে সড়কটির নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে।কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) বিধি-নিষেধের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমুদ্রতীরের ৩০০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা করা যাবে না—এমন নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।আবার সমুদ্রতীর থেকে ৫০০ মিটার দূরত্বে গিয়ে শুধু একতলা ভবন নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে পর্যটন মৌসুমে কক্সবাজারে বিপুলসংখ্যক পর্যটক এলেও তাঁদের থাকার জন্য পর্যাপ্ত কক্ষ পাওয়া যায় না। পর্যটন নগরীর অবকাঠামো উন্নয়ন ও পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন।স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারকে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। কিন্তু একের পর এক আইনি বাধা ও নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।এর আগে গতকাল সকালে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে দেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবে।রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুত্ফুর রহমান কাজল, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।এস এম/ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×