হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

টেকনাফে’র প্রয়াত তিন সাংবাদিকের পরিবারে ঈদ উপহার পাঠালেন-ইউএনও

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২, ১১:১০ অপরাহ্ন

হেলাল উদ্দিন টেকনাফ::

সাংবাদিকতা করতে গিয়ে চিরতরে বিদায় নিয়েছেন টেকনাফের প্রয়াত তিনজন সাংবাদিক নজির আহমদ সীমান্ত, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ও সালাহ উদ্দিনের পরিবারের কাছে ঈদ উপহার পাঠালেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কায়সার খসরু।

(আজ) রোববার বিকেল সাড়ে চারটায় টেকনাফ পৌরসভার সাইতংখিলের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রীকসহ টেকনাফ উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নিবাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো এরফানুল হক চৌধুরীর নিজ হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন এবং একই সময়ে উপজেলা পরিষদের আরও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ৪৭জনকে এ উপহার দেওয়া হয়।
২০২১সালে ১নভেম্বর চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে মারা যান টেকনাফ প্রেসক্লাবেব সহ-সভাপতি সাংবাদিক নজির আহমদ সীমান্ত(৫২)।তিনি গাজী টিভি,সমকাল ও দৈনিক আজকের দেশবিদেশ পত্রিকার টেকনাফ প্রতিনিধি ছিলেন।২০২০সালে ২১মে সকালে হৃদরোগ ও বার্ধক্য জনিত রোগে মুহাম্মদ সালাহ উদ্দিন(৪৬)নিজ বাড়িতে মারা যান।তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের টেকনাফ সংবাদদাতা,হ্নীলা হাইস্কুলের ক্রীড়া ও সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
২০১৪ সালের ১৬এপ্রিল লিভার জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসভবনে সাইফুল ইসলাম চৌধুরী (৩৮)মারা যান।তিনি টেকনাফ প্রেসক্লাবের সাবেক প্রচার সম্পাদক, দৈনিক সাগরদেশ ও দূর্নীতির সন্ধানে পত্রিকার টেকনাফ প্রতিনিধি ছিলেন।উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি)ও নিবাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো এরফানুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দৈনিক প্রথম আলোর টেকনাফ প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনজন মারা যাওয়া সাংবাদিকের পরিবারের কথাটি উঠে আসে। তারই সূত্র ধরে, কালবিলম্ব না করে ইউএনও কায়সার খসরু মারা যাওয়া তিনজন সাংবাদিকের পরিবারের কাছে পাঠালেন ঈদ উপহার।টেকনাফের কর্মরত আরও ৪৭জন বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরতদের হাতে একই ঈদ উপহার তুলে দেন।
প্রয়াত সাংবাদিক সাইফুলের মা খতিজা বেগম (৫৫) ও সাইফুলের ১০বছর বয়সী একমাত্র মেয়ে সাবরিন ইসলামের হাতে ছোলা ২ কেজি,চিনি ১কেজি, সেমাই ২ প্যাকেট, নুডুলস ২ প্যাকেট, দুধ ১ প্যাকেট, পোলাও চাল ১ প্যাকেট হাতে তুলে দেন।
সাইফুলের মা খতিজা বেগম বলেন, আমি একজন সাংবাদিক সাইফুলের মা হিসেবে আজ গর্ববোধ করছি।ইউএনও সাহেব নিজে ঈদ উপহার আমার বাড়িতে পৌছে দিয়েছেন এটি আমার জন্য খুবই আনন্দের বিষয়।নিঃস্বার্থবান সহকর্মী আছে বলেই সাংবাদিকদের পরিবারের কেহ না কেহ খোঁজখবর রাখবে বলে আশা করছি।আমার ছেলেকে স্মরণ করে ঈদ উপহার দিতে আসায় আমরা ইউএনও সাহেবের প্রতি চিরকৃজ্ঞ।
ইউএনও কায়সার খসরু বলেন, প্রয়াত তিনজন টেকনাফে সাংবাদিকের পরিবার রয়েছে সেটি জানা ছিল না।উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ঈদের খাদ্যসামগ্রী পাঠানো হয়েছে।এভাবে সকল অসহায়দের পার্শ্বে দাঁড়ানোর জন্য আমি সকলের কাছে অনুরোধ করছি।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

টেকনাফে’র প্রয়াত তিন সাংবাদিকের পরিবারে ঈদ উপহার পাঠালেন-ইউএনও

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

টেকনাফে’র প্রয়াত তিন সাংবাদিকের পরিবারে ঈদ উপহার পাঠালেন-ইউএনও

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২, ১১:১০ অপরাহ্ন
Print Image
হেলাল উদ্দিন টেকনাফ:: সাংবাদিকতা করতে গিয়ে চিরতরে বিদায় নিয়েছেন টেকনাফের প্রয়াত তিনজন সাংবাদিক নজির আহমদ সীমান্ত, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ও সালাহ উদ্দিনের পরিবারের কাছে ঈদ উপহার পাঠালেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কায়সার খসরু। (আজ) রোববার বিকেল সাড়ে চারটায় টেকনাফ পৌরসভার সাইতংখিলের বাড়িতে খাদ্য সামগ্রীকসহ টেকনাফ উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নিবাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো এরফানুল হক চৌধুরীর নিজ হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন এবং একই সময়ে উপজেলা পরিষদের আরও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ৪৭জনকে এ উপহার দেওয়া হয়। ২০২১সালে ১নভেম্বর চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে মারা যান টেকনাফ প্রেসক্লাবেব সহ-সভাপতি সাংবাদিক নজির আহমদ সীমান্ত(৫২)।তিনি গাজী টিভি,সমকাল ও দৈনিক আজকের দেশবিদেশ পত্রিকার টেকনাফ প্রতিনিধি ছিলেন।২০২০সালে ২১মে সকালে হৃদরোগ ও বার্ধক্য জনিত রোগে মুহাম্মদ সালাহ উদ্দিন(৪৬)নিজ বাড়িতে মারা যান।তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের টেকনাফ সংবাদদাতা,হ্নীলা হাইস্কুলের ক্রীড়া ও সহকারী শিক্ষক ছিলেন। ২০১৪ সালের ১৬এপ্রিল লিভার জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসভবনে সাইফুল ইসলাম চৌধুরী (৩৮)মারা যান।তিনি টেকনাফ প্রেসক্লাবের সাবেক প্রচার সম্পাদক, দৈনিক সাগরদেশ ও দূর্নীতির সন্ধানে পত্রিকার টেকনাফ প্রতিনিধি ছিলেন।উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি)ও নিবাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো এরফানুল হক চৌধুরীর সঙ্গে দৈনিক প্রথম আলোর টেকনাফ প্রতিনিধি গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনজন মারা যাওয়া সাংবাদিকের পরিবারের কথাটি উঠে আসে। তারই সূত্র ধরে, কালবিলম্ব না করে ইউএনও কায়সার খসরু মারা যাওয়া তিনজন সাংবাদিকের পরিবারের কাছে পাঠালেন ঈদ উপহার।টেকনাফের কর্মরত আরও ৪৭জন বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরতদের হাতে একই ঈদ উপহার তুলে দেন। প্রয়াত সাংবাদিক সাইফুলের মা খতিজা বেগম (৫৫) ও সাইফুলের ১০বছর বয়সী একমাত্র মেয়ে সাবরিন ইসলামের হাতে ছোলা ২ কেজি,চিনি ১কেজি, সেমাই ২ প্যাকেট, নুডুলস ২ প্যাকেট, দুধ ১ প্যাকেট, পোলাও চাল ১ প্যাকেট হাতে তুলে দেন। সাইফুলের মা খতিজা বেগম বলেন, আমি একজন সাংবাদিক সাইফুলের মা হিসেবে আজ গর্ববোধ করছি।ইউএনও সাহেব নিজে ঈদ উপহার আমার বাড়িতে পৌছে দিয়েছেন এটি আমার জন্য খুবই আনন্দের বিষয়।নিঃস্বার্থবান সহকর্মী আছে বলেই সাংবাদিকদের পরিবারের কেহ না কেহ খোঁজখবর রাখবে বলে আশা করছি।আমার ছেলেকে স্মরণ করে ঈদ উপহার দিতে আসায় আমরা ইউএনও সাহেবের প্রতি চিরকৃজ্ঞ। ইউএনও কায়সার খসরু বলেন, প্রয়াত তিনজন টেকনাফে সাংবাদিকের পরিবার রয়েছে সেটি জানা ছিল না।উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ঈদের খাদ্যসামগ্রী পাঠানো হয়েছে।এভাবে সকল অসহায়দের পার্শ্বে দাঁড়ানোর জন্য আমি সকলের কাছে অনুরোধ করছি।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×