হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি এসে পড়ল টেকনাফের বসতঘরের আঙিনায়

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:২৯ অপরাহ্ন

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরের আশপাশে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে তুমুল সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। এতে ওপার থেকে মর্টার শেল, বোমা, গ্রেনেড ও গুলির শব্দ সীমান্তের এপারে ভেসে আসছে। গতকাল শুক্রবার রাত ১১টা থেকে শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকার মানুষ বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছে।

এর মধ্যে আজ সকালে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি টেকনাফের হ্নীলার দমদমিয়ার বাসিন্দা আবদুর রহিমের বসতবাড়ির আঙিনায় এসে পড়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন হ্নীলার ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী।

কাতারের আমিরের দেওয়ানে ইতিহাস বিশেষজ্ঞ ও গবেষকের দায়িত্বরত টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপের বাসিন্দা ড. হাবিবুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানান, প্রায় সাত মাস পর দেশে এসেছে তিনি। কিন্তু ভোররাতে বোমার বিকট বিস্ফোরণের সঙ্গে বাড়ি কেঁপে ওঠে।

তিনি বলেন, সমস্যা মিয়ানমারের হলেও টেকনাফের বাসিন্দাদের নানান ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ ব্যাপারে সরকারিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

আরও পড়ুন

সৌদি আরবে মক্কা ও মদিনাসহ একাধিক অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা: শনিবার পর্যন্ত চরম সতর্কবার্তা

আরেক বাসিন্দা আলী আহমদ বলেন, থেমে থেমে ভারী গোলার শব্দ এপারে শোনা যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অযথা না যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ শরিফ বলেন, শুক্রবার রাতে আবারও বিস্ফোরণে বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এভাবে আর কতদিন চলবে? বর্তমানে সীমান্ত এলাকার মানুষ আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে।

হ্নীলার ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী ও টেকনাফ সদরের জিয়াউর রহমান ও সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন বলেন, বিস্ফোরণের বিকট শব্দে এলাকার বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি কেঁপে উঠছে। সীমান্তের লোকজন শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ উল্লাহ নেজামী বলেন, হঠাৎ করে এভাবে বিস্ফোরণে বাড়িঘর কেঁপে উঠছে। স্বাভাবিকভাবে এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত হওয়ার কথা। এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা হলেও এ সুযোগে যাতে কোনো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সীমান্তে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি এসে পড়ল টেকনাফের বসতঘরের আঙিনায়

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি এসে পড়ল টেকনাফের বসতঘরের আঙিনায়

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
Print Image
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু শহরের আশপাশে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে তুমুল সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। এতে ওপার থেকে মর্টার শেল, বোমা, গ্রেনেড ও গুলির শব্দ সীমান্তের এপারে ভেসে আসছে। গতকাল শুক্রবার রাত ১১টা থেকে শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকার মানুষ বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছে। এর মধ্যে আজ সকালে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলি টেকনাফের হ্নীলার দমদমিয়ার বাসিন্দা আবদুর রহিমের বসতবাড়ির আঙিনায় এসে পড়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছেন হ্নীলার ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী। কাতারের আমিরের দেওয়ানে ইতিহাস বিশেষজ্ঞ ও গবেষকের দায়িত্বরত টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপের বাসিন্দা ড. হাবিবুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে জানান, প্রায় সাত মাস পর দেশে এসেছে তিনি। কিন্তু ভোররাতে বোমার বিকট বিস্ফোরণের সঙ্গে বাড়ি কেঁপে ওঠে। তিনি বলেন, সমস্যা মিয়ানমারের হলেও টেকনাফের বাসিন্দাদের নানান ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ ব্যাপারে সরকারিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। আরেক বাসিন্দা আলী আহমদ বলেন, থেমে থেমে ভারী গোলার শব্দ এপারে শোনা যাচ্ছে। সীমান্ত এলাকায় অযথা না যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ শরিফ বলেন, শুক্রবার রাতে আবারও বিস্ফোরণে বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এভাবে আর কতদিন চলবে? বর্তমানে সীমান্ত এলাকার মানুষ আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে। হ্নীলার ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী ও টেকনাফ সদরের জিয়াউর রহমান ও সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নুর হোসেন বলেন, বিস্ফোরণের বিকট শব্দে এলাকার বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি কেঁপে উঠছে। সীমান্তের লোকজন শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ উল্লাহ নেজামী বলেন, হঠাৎ করে এভাবে বিস্ফোরণে বাড়িঘর কেঁপে উঠছে। স্বাভাবিকভাবে এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কিত হওয়ার কথা। এটি মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা হলেও এ সুযোগে যাতে কোনো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সীমান্তে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×