কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নে রাতের আঁধারে তান্ডব চালিয়ে কতিপয় দুবৃর্ত্তরা কৃষকের রোপিত ৯৬ শতক জমির আমন ধান ক্ষেত গুড়িয়ে দিয়েছে।
এতে কৃষক মোহাম্মদ হোছনের প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বুধবার ভোররাতে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘুনিয়া এলাকায় ঘটেছে এ ঘটনা।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ গ্রামের মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ হোছন বাদি হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার চকরিয়া থানায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন।
এজাহারে একই এলাকার বাসিন্দা সামসুল আলম ও জাফর আলম, আবদুল করিম ও নুর সমদকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে সুত্রে জানা গেছে, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঘুনিয়া মৌজায় কৃষক মোহাম্মদ হোছনের পৈত্রিকভাবে পাওয়া ৯৬ শতক জমি রয়েছে। বিগত ৭৫ বছর ধরে তিনি ওই জমিতে চাষাবাদ করে আসছেন।
কৃষক মোহাম্মদ হোছন জানান, আমার দখলীয় উল্লেখিত জমিতে ১০ দিন পূর্বে আমন ধানের চারা রোপণ করেছেন। এরই মধ্যে গত ২৯ আগস্ট রাতে কতিপয় কুচক্রীমহল ইষার্ণিত হয়ে জমিতে বিষ প্রয়োগ করেছেন।
এ ঘটনাটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে অবহিত করা হয়। এরপর তাদের পরামর্শে সন্দেহভাজন জড়িত চক্রের তাদের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় অভিযোগ করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত দুবৃর্ত্তরা বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে দ্বিতীয়দফা তান্ডব চালিয়ে রোপিত ধানের চারা গুলো উপড়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক মোহাম্মদ হোছন। এতে তার প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
চকরিয়ায় অগ্নিকাণ্ড ও কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে উপকরণ সামগ্রী বিতরণ
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোহাম্মদ হোছন বলেন, অনেক কষ্ট করে ধানের চারা কিনে জমিতে রোপণ করেছি। জমিতে পানি দিতে এসে দেখি রাতে জমির সব চারা উপড়ে ফেলে দিয়েছেন দুবৃর্ত্তরা। এ ঘটনায় তিনি চকরিয়া থানার ওসির কাছে পুনরায় ঘটনার বিষয়টি জানিয়েছেন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক এ বিষয়ে একটি এজাহার দিয়েছেন। তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##




মন্তব্য করুন