হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মাকে বাঁচানোর প্রয়োজনেই দেশে ফেরেননি তারেক রহমান

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ০৪ ডিসেম্বর – বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন দেশে ফেরেননি বলে জানিয়েছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের দেশে না ফেরার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক নয়, সম্পূর্ণ মাকে বাঁচানোর প্রয়োজনেই নেওয়া। এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউনির্ভর পরিস্থিতিতে দেশে এলে যেমন জনসমাবেশ ও নিরাপত্তাজনিত বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো, তাতে চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি থেকেই এই সিদ্ধান্ত।

আরও পড়ুন

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় নিরাপত্তার অনুমতি পাওয়া জাহাজে হামলা, প্রশ্নের মুখে কূটনৈতিক ভূমিকা

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

মাহদী আমিনের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, দেশবাসীর অনিঃশেষ দোয়া-আন্তরিকতা ও কূটনীতিকদের সহযোগিতায় তার শারীরিক অগ্রগতি হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। উন্নত ও সর্বাধুনিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ম্যাডামকে অতি শীঘ্র লন্ডনের হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

‘তিনি শুধু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নন; একাধারে শহীদ জিয়া ও আপষহীন নেত্রীর আদর্শবাহী সন্তান; যার কাছে দায়িত্ববোধ, মাতৃস্নেহ ও দেশপ্রেম একে অপরের পরিপূরক। তারেক রহমান যদি পপুলার পলিটিক্সকে প্রাধান্য দিয়ে দেশে ছুটে আসতেন, তাহলে তিনি চিকিৎসক স্ত্রীর সঙ্গে একযোগে নিখুঁতভাবে যে তদারকি করছেন, তা কি এভারকেয়ার হাসপাতালের হৈ চৈ, ভিড়, বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বলয়ের ভেতরে করা যেত?’

‘তারেক রহমানের দেশে আসা মানেই লক্ষ-লক্ষ মানুষের ঢল, জনসমুদ্রের উত্তাল আবেগ, যা জনগণের আবেগ ও ভালোবাসা হলেও অন্যান্য রোগী, চিকিৎসা পরিবেশ, এমনকি দেশনেত্রীর নিজের জন্যও কতটা ভালো হতো? সিসিইউতে থাকা মায়ের জন্য এমন কোনো যৌক্তিক দায়িত্ব ছিল, যা তারেক রহমান দেশে গণমানুষের ভালোবাসায় সৃষ্ট ভিড়ের মাঝে করতে পারতেন। কিন্তু নিরিবিলিতে লন্ডন থেকে বিশেষজ্ঞ, হাসপাতাল ও আন্তর্জাতিক সমন্বয় নিশ্চিত করে আরও সুচারুভাবে করছেন না?’

‘ম্যাডাম যখন চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাবেন ইনশাআল্লাহ, যদি দেশে আসতেন, তখন কি তারেক রহমান এখানে থেকে যেতেন, নাকি মায়ের সঙ্গে চলে যেতেন? থেকে গেলে অতিউৎসাহী গোষ্ঠী বলতো, তিনি মায়ের সাথে কেন গেলেন না। আর চলে গেলে বলতো, তিনি নির্বাচনের জন্য কেন থাকলেন না?’

‘সুতরাং তারেক রহমানকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়, মায়ের সুস্থতা ও দেশের স্থিতির স্বার্থে। তিনি একই সঙ্গে সন্তানের দায়িত্ববোধে নিবেদিত, আবার জাতীয় নেতার দায়বদ্ধতায় আবদ্ধ। মনে রাখা প্রয়োজন, তারেক রহমানের কাছে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া প্রথমে মা, তারপর নেত্রী। মায়ের প্রতি তার ভালোবাসার সাথে আমাদের কারও ভালোবাসার তুলনা করা অন‍্যায়, অবিচার। তিনি তার মায়ের জন‍্য যা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেটিই করছেন, সেটিই করে যাবেন।’

‘সেই ঐতিহ্যগত অভিযাত্রায়, ব‍্যক্তিগত আবেগেকে ধারণ করলেও তারেক রহমানকে যুক্তিকেই প্রাধান্য দিতে হচ্ছে। ম্যাডাম ইনশাআল্লাহ নিরাপদে লন্ডনে পৌঁছালে, উনাকে একটু সেটেল করে দিয়ে ও স্থানীয় সব ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করে শীঘ্রই তিনি দেশে ফিরবেন। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে গভীর ভালোবাসায় বরণ করে নিতে প্রস্তুত বিএনপি, প্রস্তুত প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ।’

‘আসুন, এই কঠিন সময়ে অপপ্রচারকে পেরিয়ে আমরা দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ুর জন্য আন্তরিক দোয়া করি। আল্লাহ তাকে সুস্থ করুন এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে আমাদের মাঝে দীর্ঘকাল রাখুন, আমিন’ যোগ করেন মাহদী আমিন।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

মাকে বাঁচানোর প্রয়োজনেই দেশে ফেরেননি তারেক রহমান

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মাকে বাঁচানোর প্রয়োজনেই দেশে ফেরেননি তারেক রহমান

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৪ ডিসেম্বর – বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন দেশে ফেরেননি বলে জানিয়েছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন।তিনি বলেন, তারেক রহমানের দেশে না ফেরার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক নয়, সম্পূর্ণ মাকে বাঁচানোর প্রয়োজনেই নেওয়া। এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউনির্ভর পরিস্থিতিতে দেশে এলে যেমন জনসমাবেশ ও নিরাপত্তাজনিত বিশৃঙ্খলা তৈরি হতো, তাতে চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি থেকেই এই সিদ্ধান্ত।বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।মাহদী আমিনের ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো-‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রম, দেশবাসীর অনিঃশেষ দোয়া-আন্তরিকতা ও কূটনীতিকদের সহযোগিতায় তার শারীরিক অগ্রগতি হয়েছে, আলহামদুলিল্লাহ। উন্নত ও সর্বাধুনিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ম্যাডামকে অতি শীঘ্র লন্ডনের হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে।’‘তিনি শুধু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নন; একাধারে শহীদ জিয়া ও আপষহীন নেত্রীর আদর্শবাহী সন্তান; যার কাছে দায়িত্ববোধ, মাতৃস্নেহ ও দেশপ্রেম একে অপরের পরিপূরক। তারেক রহমান যদি পপুলার পলিটিক্সকে প্রাধান্য দিয়ে দেশে ছুটে আসতেন, তাহলে তিনি চিকিৎসক স্ত্রীর সঙ্গে একযোগে নিখুঁতভাবে যে তদারকি করছেন, তা কি এভারকেয়ার হাসপাতালের হৈ চৈ, ভিড়, বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বলয়ের ভেতরে করা যেত?’‘তারেক রহমানের দেশে আসা মানেই লক্ষ-লক্ষ মানুষের ঢল, জনসমুদ্রের উত্তাল আবেগ, যা জনগণের আবেগ ও ভালোবাসা হলেও অন্যান্য রোগী, চিকিৎসা পরিবেশ, এমনকি দেশনেত্রীর নিজের জন্যও কতটা ভালো হতো? সিসিইউতে থাকা মায়ের জন্য এমন কোনো যৌক্তিক দায়িত্ব ছিল, যা তারেক রহমান দেশে গণমানুষের ভালোবাসায় সৃষ্ট ভিড়ের মাঝে করতে পারতেন। কিন্তু নিরিবিলিতে লন্ডন থেকে বিশেষজ্ঞ, হাসপাতাল ও আন্তর্জাতিক সমন্বয় নিশ্চিত করে আরও সুচারুভাবে করছেন না?’‘ম্যাডাম যখন চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাবেন ইনশাআল্লাহ, যদি দেশে আসতেন, তখন কি তারেক রহমান এখানে থেকে যেতেন, নাকি মায়ের সঙ্গে চলে যেতেন? থেকে গেলে অতিউৎসাহী গোষ্ঠী বলতো, তিনি মায়ের সাথে কেন গেলেন না। আর চলে গেলে বলতো, তিনি নির্বাচনের জন্য কেন থাকলেন না?’‘সুতরাং তারেক রহমানকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়, মায়ের সুস্থতা ও দেশের স্থিতির স্বার্থে। তিনি একই সঙ্গে সন্তানের দায়িত্ববোধে নিবেদিত, আবার জাতীয় নেতার দায়বদ্ধতায় আবদ্ধ। মনে রাখা প্রয়োজন, তারেক রহমানের কাছে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া প্রথমে মা, তারপর নেত্রী। মায়ের প্রতি তার ভালোবাসার সাথে আমাদের কারও ভালোবাসার তুলনা করা অন‍্যায়, অবিচার। তিনি তার মায়ের জন‍্য যা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেটিই করছেন, সেটিই করে যাবেন।’‘সেই ঐতিহ্যগত অভিযাত্রায়, ব‍্যক্তিগত আবেগেকে ধারণ করলেও তারেক রহমানকে যুক্তিকেই প্রাধান্য দিতে হচ্ছে। ম্যাডাম ইনশাআল্লাহ নিরাপদে লন্ডনে পৌঁছালে, উনাকে একটু সেটেল করে দিয়ে ও স্থানীয় সব ব্যবস্থাপনা সম্পন্ন করে শীঘ্রই তিনি দেশে ফিরবেন। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে গভীর ভালোবাসায় বরণ করে নিতে প্রস্তুত বিএনপি, প্রস্তুত প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ।’‘আসুন, এই কঠিন সময়ে অপপ্রচারকে পেরিয়ে আমরা দেশনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ুর জন্য আন্তরিক দোয়া করি। আল্লাহ তাকে সুস্থ করুন এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে আমাদের মাঝে দীর্ঘকাল রাখুন, আমিন’ যোগ করেন মাহদী আমিন।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×