হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মালয়েশিয়ায় যক্ষ্মা সংক্রমণের উল্লম্ফন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সতর্কতা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন


কুয়ালালামপুর, ২২ ফেব্রুয়ারি – মালয়েশিয়ায় যক্ষ্মা বা টিবি সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাধারণ জনগণের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে জনসমাগম ও বদ্ধ স্থানে মাস্ক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ষষ্ঠ মহামারিতাত্ত্বিক সপ্তাহে দেশজুড়ে নতুন করে ৫৯৬ জন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৬১ জনে, যা কর্তৃপক্ষের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, জনাকীর্ণ, বদ্ধ এবং অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের পরিবেশ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

আরও পড়ুন

ইয়েমেনে ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরবের ১০১টি হামলা, নিহত ১৪

বিশেষ করে চিকিৎসাধীন নয় এমন সক্রিয় যক্ষ্মা রোগীর উপস্থিতি এই ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ায়। তবে রমজান মাস নিজে যক্ষ্মা ছড়ানোর কারণ নয়; বরং এই সময়ে সামাজিক মেলামেশা বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিডের মতো দ্রুত না ছড়ালেও দীর্ঘ সময় ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে যক্ষ্মা সংক্রমিত হতে পারে।

তাই প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা গ্রহণ জরুরি। নাগরিকদের কাশি ও হাঁচির শিষ্টাচার মেনে চলা, ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস নিশ্চিত করা এবং দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজ্যভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সাবাহ রাজ্যে সর্বোচ্চ ৭৫৫টি এবং সেলাঙ্গরে ৫৯৬টি যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া সারাওয়াকে ৩৩২, জোহরে ২৮০ এবং কুয়ালালামপুর ও পুত্রাজায়ায় যৌথভাবে ২৪৪টি কেস পাওয়া গেছে। কেদাহ, পেনাং, পেরাক ও কেলান্তানেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনসচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমেই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

এস এম/ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

মালয়েশিয়ায় যক্ষ্মা সংক্রমণের উল্লম্ফন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সতর্কতা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মালয়েশিয়ায় যক্ষ্মা সংক্রমণের উল্লম্ফন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সতর্কতা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:২০ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] কুয়ালালামপুর, ২২ ফেব্রুয়ারি – মালয়েশিয়ায় যক্ষ্মা বা টিবি সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সাধারণ জনগণের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে জনসমাগম ও বদ্ধ স্থানে মাস্ক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ষষ্ঠ মহামারিতাত্ত্বিক সপ্তাহে দেশজুড়ে নতুন করে ৫৯৬ জন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছে। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৬১ জনে, যা কর্তৃপক্ষের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, জনাকীর্ণ, বদ্ধ এবং অপর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের পরিবেশ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।বিশেষ করে চিকিৎসাধীন নয় এমন সক্রিয় যক্ষ্মা রোগীর উপস্থিতি এই ঝুঁকি বহুগুণ বাড়ায়। তবে রমজান মাস নিজে যক্ষ্মা ছড়ানোর কারণ নয়; বরং এই সময়ে সামাজিক মেলামেশা বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা কোভিডের মতো দ্রুত না ছড়ালেও দীর্ঘ সময় ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমে যক্ষ্মা সংক্রমিত হতে পারে।তাই প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা গ্রহণ জরুরি। নাগরিকদের কাশি ও হাঁচির শিষ্টাচার মেনে চলা, ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস নিশ্চিত করা এবং দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাজ্যভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সাবাহ রাজ্যে সর্বোচ্চ ৭৫৫টি এবং সেলাঙ্গরে ৫৯৬টি যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া সারাওয়াকে ৩৩২, জোহরে ২৮০ এবং কুয়ালালামপুর ও পুত্রাজায়ায় যৌথভাবে ২৪৪টি কেস পাওয়া গেছে। কেদাহ, পেনাং, পেরাক ও কেলান্তানেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জনসচেতনতা ও সতর্কতা অবলম্বনের মাধ্যমেই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।এস এম/ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×