হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ব্রাকের সহযোগিতায় দারিদ্র্য বিমোচনে জয়ী উখিয়ার ১২৩৮ পরিবার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১০ অপরাহ্ন

গবাদি পশু পালন করে দারিদ্রতা বিমোচনে সফল হয়েছে ফাতেমা বেগম। স্বাবলম্বী হয়ে পুরো পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে । এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের সহযোগিতায় প্রশিক্ষণ ও সম্পদ হস্তান্তর মাধ্যমে এভাবে সবজি ক্ষেত, ধান চাষাবাদ, পানের বরজ, হাস মুরগী ও গবাদী পশু পালন এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা করে ১২৩৮ টি পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে ।
কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রত্না পালং ইউনিয়নের কামারিয়ার বিল গ্রামের মোকতার আহমেদ স্ত্রী ফাতেমা বেগম জানান , স্বামী বয়সের ভারে অসুস্থ হয়ে পড়লে সংসারে অভাব অনটন শুরু হয়। এনজিও ব্র্যাকের সহযোগিতায় প্রশিক্ষণ ও উক্ত সংস্থার দেয়া গবাদি পশু পালন করে এখন স্বাবলম্বী হয়েছে । বর্তমানে তার রয়েছে ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ১ টি ষাড়, ৩ টি ছাগল, ২৫ টি দেশী মুরগী ও ১২ টি কবুতর। এছাড়াও সবজি ও ধান চাষ করে অভাব অনটন দূর হয়েছে। আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে আসায় বড় ছেলে কলেজে অর্নাসে অধ্যায়নরত , ২য় ছেলে ৯ম শ্রেণী ও মেয়ে ৮ম শ্রেণীতে পড়েন।
ফরিদ আলমের স্ত্রী শামশু নাহার, বশির আহমদের স্ত্রী রাজিয়া বেগম ও করিম উদ্দিনের ইয়াছমিন জানান, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে গবাদিপশু পালন, চাষাবাদ ও ক্ষুদ্র ব্যবসা করে দারিদ্র বিমোচনে সফলতা পেয়েছি। আমাদের পরিবারে হাসি ফুটেছে । ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ হয়েছে। তারা আরও জানান , দুধের গাভী, বলদ গরু , ছাগল, দেশীয় মুরগী, কবুতর , সবজি চাষে বিভিন্ন প্রকার বীজ প্রদান করেছেন । এছাড়াও গরুর গোয়াল , ছাগল ও মুরগীর ঘর তৈরি করতে টিন কাঠ সহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করেন। হাস মুরগীর বিভিন্ন রোগের টিকা প্রয়োগ ও শাক সবজির রোগ বালাই দমনে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ব্রাক ।
ব্রাকের গ্রেজুয়েশন প্রোগ্রামের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ কায়সার পারভেজ জানান , জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের অর্থায়নে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ক্ষতিগ্রস্ত অতি দরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে উখিয়া – টেকনাফে আলট্রা পুত্তর গ্রেজুয়েশন প্রোগ্রাম শুরু করে। ২০২০ সালে ২ হাজার পরিবারকে উপকারভোগী হিসাবে নির্বাচিত করে এ প্রোগ্রামের আওতায় বসত বাড়িতে সবজি চাষ, হাঁস মুরগি গবাদি পশু পালন কুটির ও হস্ত শিল্প এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায় হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ২০২১ সালে গ্রোজুয়েশন অর্জন করায় উপকার ভোগীদের পছন্দ অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে সম্পদ হস্তান্তর করে উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা হয় ।
ব্রাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আতাউর রহমান জানান , উখিয়া উপজেলার ৩ টি ইউনিয়ন যথাক্রমে রত্না পালং , জালিয়া পালং ও হলদিয়া পালং ইউনিয়নের সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক এলাকার ১২৩৮ টি উপকারীভোগী পরিবার স্বাবলম্বী হওয়ায় এখন মার্কেটিং লিংকেইজের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হচ্ছেন । তাদের উৎপাদিত খাদ্য শস্য, দুধ ডিম সহ অন্যান্য পণ্য গ্রুপ ভিত্তিক মার্কেটিং করছে। দক্ষতা অর্জনের জন্য গ্রপ তৈরি ও লিডাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

ইনানীতে গ্যাসের আগুন নেভানো হচ্ছে না কেন?

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

ব্রাকের সহযোগিতায় দারিদ্র্য বিমোচনে জয়ী উখিয়ার ১২৩৮ পরিবার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ব্রাকের সহযোগিতায় দারিদ্র্য বিমোচনে জয়ী উখিয়ার ১২৩৮ পরিবার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১০ অপরাহ্ন
Print Image
গবাদি পশু পালন করে দারিদ্রতা বিমোচনে সফল হয়েছে ফাতেমা বেগম। স্বাবলম্বী হয়ে পুরো পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে । এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের সহযোগিতায় প্রশিক্ষণ ও সম্পদ হস্তান্তর মাধ্যমে এভাবে সবজি ক্ষেত, ধান চাষাবাদ, পানের বরজ, হাস মুরগী ও গবাদী পশু পালন এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা করে ১২৩৮ টি পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে । কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রত্না পালং ইউনিয়নের কামারিয়ার বিল গ্রামের মোকতার আহমেদ স্ত্রী ফাতেমা বেগম জানান , স্বামী বয়সের ভারে অসুস্থ হয়ে পড়লে সংসারে অভাব অনটন শুরু হয়। এনজিও ব্র্যাকের সহযোগিতায় প্রশিক্ষণ ও উক্ত সংস্থার দেয়া গবাদি পশু পালন করে এখন স্বাবলম্বী হয়েছে । বর্তমানে তার রয়েছে ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ১ টি ষাড়, ৩ টি ছাগল, ২৫ টি দেশী মুরগী ও ১২ টি কবুতর। এছাড়াও সবজি ও ধান চাষ করে অভাব অনটন দূর হয়েছে। আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে আসায় বড় ছেলে কলেজে অর্নাসে অধ্যায়নরত , ২য় ছেলে ৯ম শ্রেণী ও মেয়ে ৮ম শ্রেণীতে পড়েন। ফরিদ আলমের স্ত্রী শামশু নাহার, বশির আহমদের স্ত্রী রাজিয়া বেগম ও করিম উদ্দিনের ইয়াছমিন জানান, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে গবাদিপশু পালন, চাষাবাদ ও ক্ষুদ্র ব্যবসা করে দারিদ্র বিমোচনে সফলতা পেয়েছি। আমাদের পরিবারে হাসি ফুটেছে । ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ হয়েছে। তারা আরও জানান , দুধের গাভী, বলদ গরু , ছাগল, দেশীয় মুরগী, কবুতর , সবজি চাষে বিভিন্ন প্রকার বীজ প্রদান করেছেন । এছাড়াও গরুর গোয়াল , ছাগল ও মুরগীর ঘর তৈরি করতে টিন কাঠ সহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করেন। হাস মুরগীর বিভিন্ন রোগের টিকা প্রয়োগ ও শাক সবজির রোগ বালাই দমনে প্রশিক্ষণ দিয়েছে ব্রাক । ব্রাকের গ্রেজুয়েশন প্রোগ্রামের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ কায়সার পারভেজ জানান , জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের অর্থায়নে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ক্ষতিগ্রস্ত অতি দরিদ্র পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে উখিয়া - টেকনাফে আলট্রা পুত্তর গ্রেজুয়েশন প্রোগ্রাম শুরু করে। ২০২০ সালে ২ হাজার পরিবারকে উপকারভোগী হিসাবে নির্বাচিত করে এ প্রোগ্রামের আওতায় বসত বাড়িতে সবজি চাষ, হাঁস মুরগি গবাদি পশু পালন কুটির ও হস্ত শিল্প এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায় হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ২০২১ সালে গ্রোজুয়েশন অর্জন করায় উপকার ভোগীদের পছন্দ অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে সম্পদ হস্তান্তর করে উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা হয় । ব্রাকের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক আতাউর রহমান জানান , উখিয়া উপজেলার ৩ টি ইউনিয়ন যথাক্রমে রত্না পালং , জালিয়া পালং ও হলদিয়া পালং ইউনিয়নের সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক এলাকার ১২৩৮ টি উপকারীভোগী পরিবার স্বাবলম্বী হওয়ায় এখন মার্কেটিং লিংকেইজের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হচ্ছেন । তাদের উৎপাদিত খাদ্য শস্য, দুধ ডিম সহ অন্যান্য পণ্য গ্রুপ ভিত্তিক মার্কেটিং করছে। দক্ষতা অর্জনের জন্য গ্রপ তৈরি ও লিডাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×