হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সরকার গঠনের জটিলতায় বিজয়ের দলের গণ-পদত্যাগের হুমকি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৯ মে ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন


চেন্নাই, ৮ মে – দক্ষিণী রাজনীতির চিরাচরিত সমীকরণ ওলটপালট করে দিয়েও শেষ রক্ষা হচ্ছে না থালাপথি বিজয়ের। সদ্য সমাপ্ত তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও, সাংবিধানিক মারপ্যাঁচে আটকে গেছে তাঁর দল ‘তামিলাগা ভেত্রি কোজাগাম’ (টিভিকে)-এর মসনদে বসার স্বপ্ন। আর এই সুযোগে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ডিএমকে (DMK) এবং এআইডিএমকে (AIADMK) বিজয়কে ঠেকাতে হাত মেলাতে পারে বলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে— বৃহত্তম দলকে সরিয়ে চক্রান্ত করে সরকার গড়া হলে বিজয়ের ১০৭ জন বিধায়কই একযোগে পদত্যাগ করবেন।

তামিলনাড়ু বিধানসভার মোট ২৩৪টি আসনের মধ্যে সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৮টি আসন। থালাপথি বিজয়ের টিভিকে এককভাবে পেয়েছে ১০৭টি আসন। পাঁচ আসন পাওয়া কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে বিজয়ের জোটের বর্তমান শক্তি ১১২। অর্থাৎ, কাঙ্ক্ষিত ‘ম্যাজিক ফিগার’ থেকে এখনো ৬টি আসন দূরে দাঁড়িয়ে আছেন সুপারস্টার বিজয়।

আরও পড়ুন

কক্সবাজার রুটে ট্রেন বন্ধ ৫ দিন, ফেরত টিকিটে ক্ষতি ৮৮ লাখ টাকা

অন্যদিকে, ৫৯ আসন পাওয়া ডিএমকে এবং ৪৭ আসন পাওয়া এআইডিএমকে—যারা দশকের পর দশক ধরে পরস্পরের প্রবল বিরোধী—এখন কেবল বিজয়কে ক্ষমতার বাইরে রাখতে গোপন আঁতাতের পথে হাঁটছে। ছোট শরিকদের মিলিয়ে ডিএমকে জোটের হাতে আছে ৬৮টি আসন এবং এআইডিএমকে জোটের দখলে ৫৩টি। এই দুই বড় জোট যদি একত্রে হাত মেলায়, তবে তাদের আসন সংখ্যা দাঁড়াবে ১২৩, যা সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট।

গত বুধবার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছিলেন বিজয়। কিন্তু ১১৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন ছাড়া রাজ্যপাল তাঁকে সরকার গঠনের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন।

ঠিক এই সন্ধিক্ষণেই খবর আসে যে, এআইডিএমকে সাধারণ সম্পাদক এড়াপ্পাদি কে পালানিস্বামীকে মুখ্যমন্ত্রী করার শর্তে ডিএমকে এবং এআইডিএমকে জোট বাঁধার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এনডিটিভি-র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিএমকে-র উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র এই গোপন আলোচনার সত্যতা স্বীকার করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, যদি সত্যিই টিভিকে-র ১০৭ জন বিধায়ক পদত্যাগ করেন, তবে তামিলনাড়ুর বিধানসভা কার্যত অচল হয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী ফের মধ্যবর্তী নির্বাচন ছাড়া রাজ্যপালের সামনে আর কোনো বিকল্প থাকবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ডিএমকে ও এআইডিএমকে-র মতো দুই বিপরীত মেরুর এক হওয়া যেমন নজিরবিহীন, তেমনি বিজয়ের দলের এই পালটা হুমকি রাজ্য রাজনীতিতে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

থালাপথি বিজয় নিজে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও তাঁর নীরবতা যে ‘ঝড়ের আগের শান্ত অবস্থা’, তা রাজনৈতিক মহল স্পষ্ট বুঝতে পারছে। তামিলনাড়ুর রাজসিংহাসনে শেষ পর্যন্ত কে বসবেন—বিজয় নাকি ডিএমকে-এআইডিএমকে-র অনভিপ্রেত জোট—তা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।

এনএন/ ৮ মে ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

সরকার গঠনের জটিলতায় বিজয়ের দলের গণ-পদত্যাগের হুমকি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সরকার গঠনের জটিলতায় বিজয়ের দলের গণ-পদত্যাগের হুমকি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] চেন্নাই, ৮ মে – দক্ষিণী রাজনীতির চিরাচরিত সমীকরণ ওলটপালট করে দিয়েও শেষ রক্ষা হচ্ছে না থালাপথি বিজয়ের। সদ্য সমাপ্ত তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও, সাংবিধানিক মারপ্যাঁচে আটকে গেছে তাঁর দল ‘তামিলাগা ভেত্রি কোজাগাম’ (টিভিকে)-এর মসনদে বসার স্বপ্ন। আর এই সুযোগে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ডিএমকে (DMK) এবং এআইডিএমকে (AIADMK) বিজয়কে ঠেকাতে হাত মেলাতে পারে বলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে টিভিকে— বৃহত্তম দলকে সরিয়ে চক্রান্ত করে সরকার গড়া হলে বিজয়ের ১০৭ জন বিধায়কই একযোগে পদত্যাগ করবেন।তামিলনাড়ু বিধানসভার মোট ২৩৪টি আসনের মধ্যে সরকার গড়তে প্রয়োজন ১১৮টি আসন। থালাপথি বিজয়ের টিভিকে এককভাবে পেয়েছে ১০৭টি আসন। পাঁচ আসন পাওয়া কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে বিজয়ের জোটের বর্তমান শক্তি ১১২। অর্থাৎ, কাঙ্ক্ষিত ‘ম্যাজিক ফিগার’ থেকে এখনো ৬টি আসন দূরে দাঁড়িয়ে আছেন সুপারস্টার বিজয়।অন্যদিকে, ৫৯ আসন পাওয়া ডিএমকে এবং ৪৭ আসন পাওয়া এআইডিএমকে—যারা দশকের পর দশক ধরে পরস্পরের প্রবল বিরোধী—এখন কেবল বিজয়কে ক্ষমতার বাইরে রাখতে গোপন আঁতাতের পথে হাঁটছে। ছোট শরিকদের মিলিয়ে ডিএমকে জোটের হাতে আছে ৬৮টি আসন এবং এআইডিএমকে জোটের দখলে ৫৩টি। এই দুই বড় জোট যদি একত্রে হাত মেলায়, তবে তাদের আসন সংখ্যা দাঁড়াবে ১২৩, যা সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট।গত বুধবার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে দেখা করে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছিলেন বিজয়। কিন্তু ১১৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন ছাড়া রাজ্যপাল তাঁকে সরকার গঠনের অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন।ঠিক এই সন্ধিক্ষণেই খবর আসে যে, এআইডিএমকে সাধারণ সম্পাদক এড়াপ্পাদি কে পালানিস্বামীকে মুখ্যমন্ত্রী করার শর্তে ডিএমকে এবং এআইডিএমকে জোট বাঁধার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এনডিটিভি-র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিএমকে-র উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র এই গোপন আলোচনার সত্যতা স্বীকার করেছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, যদি সত্যিই টিভিকে-র ১০৭ জন বিধায়ক পদত্যাগ করেন, তবে তামিলনাড়ুর বিধানসভা কার্যত অচল হয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী ফের মধ্যবর্তী নির্বাচন ছাড়া রাজ্যপালের সামনে আর কোনো বিকল্প থাকবে না।বিশ্লেষকদের মতে, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ডিএমকে ও এআইডিএমকে-র মতো দুই বিপরীত মেরুর এক হওয়া যেমন নজিরবিহীন, তেমনি বিজয়ের দলের এই পালটা হুমকি রাজ্য রাজনীতিতে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করেছে।থালাপথি বিজয় নিজে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও তাঁর নীরবতা যে ‘ঝড়ের আগের শান্ত অবস্থা’, তা রাজনৈতিক মহল স্পষ্ট বুঝতে পারছে। তামিলনাড়ুর রাজসিংহাসনে শেষ পর্যন্ত কে বসবেন—বিজয় নাকি ডিএমকে-এআইডিএমকে-র অনভিপ্রেত জোট—তা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।এনএন/ ৮ মে ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×