হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

উখিয়ার পালংখালী নলবনিয়ায় দেড় লাখ ইয়াবা আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি!

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: ‎কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী পালংখালী ইউনিয়নের নলবনিয়া এলাকায় ইয়াবা পাচার ও ইয়াবা লুট সহ অপরাধের মাত্রা চরম আকারে ধারণ করেছে।সম্প্রতি এলাকায় ছৈয়দুল বশর ও আরিফ প্রকাশ আব্বুইয়ার নেতৃত্বে …

‎কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী পালংখালী ইউনিয়নের নলবনিয়া এলাকায় ইয়াবা পাচার ও ইয়াবা লুট সহ অপরাধের মাত্রা চরম আকারে ধারণ করেছে।সম্প্রতি এলাকায় ছৈয়দুল বশর ও আরিফ প্রকাশ আব্বুইয়ার নেতৃত্বে দেড় লাখ ইয়াবা লুটের ঘটনায় অস্ত্রবাজি সহ হামলার ঘটনা ঘটছে।এ-নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় দিন পার করছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। জানা যায়,‎‎গত ২৪ অক্টোবর সকালে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক চিহ্নিত মাদক কারবারি আমিনের নেতৃত্বে মিয়ানমার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

চালানটি নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল নলবনিয়ার ৫ জনের একটি সিন্ডিকেটের ওপর। তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই মাঝপথে কৌশলে ইয়াবার চালানটি সরিয়ে ফেলে চক্রটি।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হস্তান্তর না করে গোপনে পুরো চালানটি আত্মসাৎ করার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে যায় জড়িতরা।মূলত ইয়াবার চালা‎ন লুটের নেতৃত্ব দেন ছৈয়দুল বশর ও আরিফ প্রকাশ আব্বুইয়্যা। ইয়াবা লুটের ঘটনাকে ঘিরে দু’পক্ষের মধ্যে চলছে অস্ত্র মহড়া যার প্রমাণ হিসেবে রয়েছে ভিডিও ফুটেজ।ইতোমধ্যে ভিডিও ফুটেজটি সোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে।‎এত বড় একটি ইয়াবার চালান লুট করেও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

‎ ইয়াবা পাচার ও লুটের ঘটনার পরও থেমে নেই চক্রটি।গত ১২ সেপ্টেম্বর পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সাবেক মেম্বার কামাল উদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালিয়েছিল ইয়াবা লুট চক্রের সদস্যরা।অন্যদিকে গত ১৩ অক্টোবর গভীর রাতে পালংখালী ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ আমিনকে নিজের ঘর থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায় চক্রটি।রাতভর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমিনের ওপর চালানো হয় বর্বরোচিত নির্যাতন।সন্ত্রাসীরা তার একটি পা পঙ্গু করে দেয়। ‎ পালংখালীর ৮ নং ওয়ার্ডের নলবনিয়া এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তবর্তী হওয়ায় ইয়াবা পাচার ও ইয়াবা লুটের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।মাদক কারবারিরা এলাকায় রীতিমতো অস্ত্র মহড়া দিয়ে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন

ঘুমধুম সীমান্ত থেকে মালিকবিহীন ৩৬ হাজার ৮০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার

ফলে এলাকার মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান সচেতন মহল। ‎ ‎দেড় লাখ ইয়াবা লুট,প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শনের ভিডিও ফুটেজ,ঘর থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে গিয়ে যুবদল নেতার পা পঙ্গু করে দেওয়া ও সাবেক ইউপি সদস্যকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলির ঘটনা তদন্ত করে ছৈয়দুল বশরের মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান এলাকাবাসী।

‎অভিযুক্তদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন,মাদক প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: উখিয়ার পালংখালী নলবনিয়ায় দেড় লাখ ইয়াবা আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি! সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: ‎কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী পালংখালী ইউনিয়নের নলবনিয়া এলাকায় ইয়াবা পাচার ও ইয়াবা লুট সহ অপরাধের মাত্রা চরম আকারে ধারণ করেছে।। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

উখিয়ার পালংখালী নলবনিয়ায় দেড় লাখ ইয়াবা আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

উখিয়ার পালংখালী নলবনিয়ায় দেড় লাখ ইয়াবা আত্মসাতের ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি!

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক : | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন
Print Image
‎কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী পালংখালী ইউনিয়নের নলবনিয়া এলাকায় ইয়াবা পাচার ও ইয়াবা লুট সহ অপরাধের মাত্রা চরম আকারে ধারণ করেছে।সম্প্রতি এলাকায় ছৈয়দুল বশর ও আরিফ প্রকাশ আব্বুইয়ার নেতৃত্বে দেড় লাখ ইয়াবা লুটের ঘটনায় অস্ত্রবাজি সহ হামলার ঘটনা ঘটছে।এ-নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় দিন পার করছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। জানা যায়,‎‎গত ২৪ অক্টোবর সকালে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক চিহ্নিত মাদক কারবারি আমিনের নেতৃত্বে মিয়ানমার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করে। চালানটি নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব ছিল নলবনিয়ার ৫ জনের একটি সিন্ডিকেটের ওপর। তবে গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই মাঝপথে কৌশলে ইয়াবার চালানটি সরিয়ে ফেলে চক্রটি। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হস্তান্তর না করে গোপনে পুরো চালানটি আত্মসাৎ করার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে যায় জড়িতরা।মূলত ইয়াবার চালা‎ন লুটের নেতৃত্ব দেন ছৈয়দুল বশর ও আরিফ প্রকাশ আব্বুইয়্যা। ইয়াবা লুটের ঘটনাকে ঘিরে দু'পক্ষের মধ্যে চলছে অস্ত্র মহড়া যার প্রমাণ হিসেবে রয়েছে ভিডিও ফুটেজ।ইতোমধ্যে ভিডিও ফুটেজটি সোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে।‎এত বড় একটি ইয়াবার চালান লুট করেও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। ‎ ইয়াবা পাচার ও লুটের ঘটনার পরও থেমে নেই চক্রটি।গত ১২ সেপ্টেম্বর পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সাবেক মেম্বার কামাল উদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালিয়েছিল ইয়াবা লুট চক্রের সদস্যরা।অন্যদিকে গত ১৩ অক্টোবর গভীর রাতে পালংখালী ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ আমিনকে নিজের ঘর থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায় চক্রটি।রাতভর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমিনের ওপর চালানো হয় বর্বরোচিত নির্যাতন।সন্ত্রাসীরা তার একটি পা পঙ্গু করে দেয়। ‎ পালংখালীর ৮ নং ওয়ার্ডের নলবনিয়া এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তবর্তী হওয়ায় ইয়াবা পাচার ও ইয়াবা লুটের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে।মাদক কারবারিরা এলাকায় রীতিমতো অস্ত্র মহড়া দিয়ে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করেছে। ফলে এলাকার মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান সচেতন মহল। ‎ ‎দেড় লাখ ইয়াবা লুট,প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শনের ভিডিও ফুটেজ,ঘর থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে গিয়ে যুবদল নেতার পা পঙ্গু করে দেওয়া ও সাবেক ইউপি সদস্যকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলির ঘটনা তদন্ত করে ছৈয়দুল বশরের মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান এলাকাবাসী। ‎অভিযুক্তদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন,মাদক প্রতিরোধে পুলিশের পাশাপাশি সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×