হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

যুদ্ধের ধাক্কায় অনিশ্চয়তার মুখে সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন


রিয়াদ, ৮ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক অস্থিরতা সৌদি আরবের উচ্চাভিলাষী ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনাকে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। প্রায় এক দশক আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দেশটিতে উদ্ভাবন ও আধুনিকতার এক নতুন যুগের সূচনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার লক্ষ্য ছিল সৌদি আরবকে দুবাইয়ের মতো একটি আঞ্চলিক ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং পশ্চিমা প্রতিভা ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। তবে সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরানের পাল্টা পদক্ষেপের ফলে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। যুবরাজ মোহাম্মদের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র চার বছর বাকি, অথচ এখনই সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এমনকি রাস তানুরা তেল শোধনাগারে হামলার ঘটনায় সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়েছিল। নিরাপত্তার দিক থেকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও এখন হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।

আরও পড়ুন

কক্সবাজার রুটে ট্রেন বন্ধ ৫ দিন, ফেরত টিকিটে ক্ষতি ৮৮ লাখ টাকা

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার নিহত হওয়ার খবরের পর উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের নির্বাহী পরিচালক দানিয়া থাফেরের মতে, অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের এই সময়ে অস্থিরতা সৌদি আরবের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভিশন ২০৩০-এর সাফল্য নির্ভর করছে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারী ও দক্ষ জনশক্তির আস্থার ওপর।

কিন্তু অঞ্চলটি যদি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়, তবে সেই আস্থা ধরে রাখা কঠিন হবে। যুবরাজের পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ৩৬৩ বিলিয়ন পাউন্ডের মেগা প্রকল্প ‘নিওম’ এবং ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘দ্য লাইন’ শহর নির্মাণও বাধার মুখে পড়েছে। ব্যয় বৃদ্ধি ও বিলম্বের কারণে প্রকল্পের পরিসর কমানোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পশ্চিমা বিনিয়োগ ও জনশক্তি আকর্ষণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তবে ড. কুইলিয়াম ও দানিয়া থাফের মনে করেন, বিশাল আয়তন এবং শক্তিশালী অর্থনীতির কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তুলনায় সৌদি আরব হয়তো কিছুটা কম ক্ষতির শিকার হবে। তেলের উচ্চমূল্য সাময়িকভাবে অর্থনীতিকে সহায়তা করতে পারে এবং জাতীয় রূপান্তর প্রকল্পের বিশালতার কারণে দেশটি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এস এম/ ৮ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

আন্তর্জাতিক
Card Image

যুদ্ধের ধাক্কায় অনিশ্চয়তার মুখে সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

যুদ্ধের ধাক্কায় অনিশ্চয়তার মুখে সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] রিয়াদ, ৮ মার্চ – মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও আঞ্চলিক অস্থিরতা সৌদি আরবের উচ্চাভিলাষী ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনাকে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। প্রায় এক দশক আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান দেশটিতে উদ্ভাবন ও আধুনিকতার এক নতুন যুগের সূচনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তার লক্ষ্য ছিল সৌদি আরবকে দুবাইয়ের মতো একটি আঞ্চলিক ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং পশ্চিমা প্রতিভা ও বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। তবে সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরানের পাল্টা পদক্ষেপের ফলে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা কাঠামো ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। যুবরাজ মোহাম্মদের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র চার বছর বাকি, অথচ এখনই সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এমনকি রাস তানুরা তেল শোধনাগারে হামলার ঘটনায় সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়েছিল। নিরাপত্তার দিক থেকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে পরিচিত সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও এখন হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতার নিহত হওয়ার খবরের পর উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের নির্বাহী পরিচালক দানিয়া থাফেরের মতে, অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের এই সময়ে অস্থিরতা সৌদি আরবের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভিশন ২০৩০-এর সাফল্য নির্ভর করছে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারী ও দক্ষ জনশক্তির আস্থার ওপর।কিন্তু অঞ্চলটি যদি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়, তবে সেই আস্থা ধরে রাখা কঠিন হবে। যুবরাজের পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ৩৬৩ বিলিয়ন পাউন্ডের মেগা প্রকল্প ‘নিওম’ এবং ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘দ্য লাইন’ শহর নির্মাণও বাধার মুখে পড়েছে। ব্যয় বৃদ্ধি ও বিলম্বের কারণে প্রকল্পের পরিসর কমানোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পশ্চিমা বিনিয়োগ ও জনশক্তি আকর্ষণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে। তবে ড. কুইলিয়াম ও দানিয়া থাফের মনে করেন, বিশাল আয়তন এবং শক্তিশালী অর্থনীতির কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তুলনায় সৌদি আরব হয়তো কিছুটা কম ক্ষতির শিকার হবে। তেলের উচ্চমূল্য সাময়িকভাবে অর্থনীতিকে সহায়তা করতে পারে এবং জাতীয় রূপান্তর প্রকল্পের বিশালতার কারণে দেশটি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এস এম/ ৮ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×