হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গতি পেয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনের সমীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
📌 সংক্ষেপ: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর নতুন গতি পেয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের সমীক্ষার কাজ। প্রাকৃতিক পরিবেশ, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য, সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনকে গুরুত্ব দিয়ে ১৫৯ কিলোমিটার দ…

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর নতুন গতি পেয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের সমীক্ষার কাজ। প্রাকৃতিক পরিবেশ, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য, সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনকে গুরুত্ব দিয়ে ১৫৯ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ২৩ কিলোমিটার অংশ প্রথম ধাপে ছয় লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পে অর্থায়ন করবে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের পাঁচটি যানজটপ্রবণ এলাকায় সমীক্ষা চলছে। এলাকাগুলো হলো—পটিয়া বাইপাস, দোহাজারী, কেরানীহাট, লোহাগাড়া ও চকরিয়া। এসব এলাকায় সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব প্রায় ১৫৯ কিলোমিটার। জাতীয় মহাসড়ক এন-১ ক্যাটাগরির এ সড়কটি বিভিন্ন স্থানে অপ্রশস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও চুনতির কয়েকটি অংশে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকের কারণে গেল তিন বছরে অন্তত ২০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। চলতি বছরের ১৩ জুন কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার আশ্বাস দেন। এরপরই সমীক্ষা কার্যক্রমে গতি আসে।

আরও পড়ুন

যশোর বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪.৯২%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২২৮ জন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ছয় লেন বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহাইব বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার ঘোষণা এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। তবে শুধু ঘোষণা নয়, এর দ্রুত বাস্তবায়নও জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, যানজট ও দুর্ঘটনা নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, কক্সবাজার, মাতারবাড়ি ও চট্টগ্রামকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় দ্রুত ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ শুরু করা প্রয়োজন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগব্যবস্থা আরও নিরাপদ ও গতিশীল হবে, কমবে যাতায়াতের সময়; পাশাপাশি পর্যটন, শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, শুধু মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করলেই হবে না। ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় বিকল্প সংযোগ সড়কও নির্মাণ করা প্রয়োজন। মহেশখালীর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরও বাড়তে পারে।

নগর-পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। ভবিষ্যতের বন্দর, শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বিবেচনায় ছয় লেনের পাশাপাশি দ্বিতীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা জরুরি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহেদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছয় লেনে উন্নীতকরণের সমীক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যানজটপ্রবণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গেল ১৬ এপ্রিল জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছিলেন, মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। হাইওয়ে ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় প্রায় ২৬ দশমিক ২১ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে, যা ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এ প্রকল্পে প্রায় ২ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার ছয় লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণও অন্তর্ভুক্ত। অবশিষ্ট ৪৮ কিলোমিটারের ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে। অর্থায়ন নিশ্চিত করতে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

❓ সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রশ্ন: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গতি পেয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনের সমীক্ষা সম্পর্কিত তথ্য কী?

উত্তর: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর নতুন গতি পেয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের সমীক্ষার কাজ। প্রাকৃতিক পরিবেশ, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্। মূল সংবাদ থেকে বিস্তারিত জানুন।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

চট্রগাম
Card Image

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গতি পেয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনের সমীক্ষা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর গতি পেয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনের সমীক্ষা

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক :: | প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
Print Image
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর নতুন গতি পেয়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের সমীক্ষার কাজ। প্রাকৃতিক পরিবেশ, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য, সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনকে গুরুত্ব দিয়ে ১৫৯ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ২৩ কিলোমিটার অংশ প্রথম ধাপে ছয় লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পে অর্থায়ন করবে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের পাঁচটি যানজটপ্রবণ এলাকায় সমীক্ষা চলছে। এলাকাগুলো হলো—পটিয়া বাইপাস, দোহাজারী, কেরানীহাট, লোহাগাড়া ও চকরিয়া। এসব এলাকায় সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ওভারপাস নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব প্রায় ১৫৯ কিলোমিটার। জাতীয় মহাসড়ক এন-১ ক্যাটাগরির এ সড়কটি বিভিন্ন স্থানে অপ্রশস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও চুনতির কয়েকটি অংশে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকের কারণে গেল তিন বছরে অন্তত ২০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। চলতি বছরের ১৩ জুন কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার আশ্বাস দেন। এরপরই সমীক্ষা কার্যক্রমে গতি আসে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ছয় লেন বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহাইব বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার ঘোষণা এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। তবে শুধু ঘোষণা নয়, এর দ্রুত বাস্তবায়নও জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, যানজট ও দুর্ঘটনা নিত্যদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, কক্সবাজার, মাতারবাড়ি ও চট্টগ্রামকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ছে। ভবিষ্যতের চাহিদা বিবেচনায় দ্রুত ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ শুরু করা প্রয়োজন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগব্যবস্থা আরও নিরাপদ ও গতিশীল হবে, কমবে যাতায়াতের সময়; পাশাপাশি পর্যটন, শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, শুধু মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীত করলেই হবে না। ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় বিকল্প সংযোগ সড়কও নির্মাণ করা প্রয়োজন। মহেশখালীর মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরও বাড়তে পারে। নগর-পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। ভবিষ্যতের বন্দর, শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বিবেচনায় ছয় লেনের পাশাপাশি দ্বিতীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা জরুরি। সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহেদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছয় লেনে উন্নীতকরণের সমীক্ষা কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যানজটপ্রবণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গেল ১৬ এপ্রিল জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছিলেন, মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। হাইওয়ে ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় প্রায় ২৬ দশমিক ২১ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে, যা ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এ প্রকল্পে প্রায় ২ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার ছয় লেনের ফ্লাইওভার নির্মাণও অন্তর্ভুক্ত। অবশিষ্ট ৪৮ কিলোমিটারের ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে। অর্থায়ন নিশ্চিত করতে উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×